ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দিল্লি বিমানবন্দরের ভেতরে ঢুকল পানি, একের পর এক ফ্লাইট বাতিল খুব শিগগিরই ঢাকায় লংমার্চের ডাক দেবো, ৫ আগস্টের মতো যাবেন: কুমিল্লায় নাহিদ ইসলাম জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে, নয়তো গদি ছেড়ে দে: কুমিল্লায় ডা. শফিকুর রহমান শিবিরকে ভালো বলেছি, তাই আমাকে ট্যাগ দিয়ে হ্যারাসমেন্ট করা হচ্ছে: ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি সংযোগ নেই-মিটারও নেই, আবেদন করায় বিদ্যুত বিল এল ৬৯২ টাকা! আমরা ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে রাস্তায় নেমেছি: জামায়াত আমির ভারতের সঙ্গে হাজারও সমস্যা থাকলেও আলোচনার দরজা খোলা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াতে আমির সরকারকে টেনে নামাতে আমাদের হাত এক চুলও কাঁপবে না: মামুনুল হক

সংযোগ নেই-মিটারও নেই, আবেদন করায় বিদ্যুত বিল এল ৬৯২ টাকা!

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

এবার জামালপুরের মাদারগঞ্জে নতুন মিটার স্থাপনের আগেই গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল। মিটার নেই, বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়নি, অথচ আগস্ট মাসের বিল তৈরি হয়েছে গ্রাহকের নামে। এমন ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার। মিটার স্থাপন ও বিদ্যুৎ ব্যবহার শুরুর আগেই বিল তৈরির ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের বিলিং ব্যবস্থাপনা ও তদারকি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসায় দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। এর বাইরে আরও একটি মিটার সংযোগের জন্য তিনি আবেদন করেন। তবে নতুন মিটার স্থাপন কিংবা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই তার নামে ৬৯২ টাকা পরিশোধের জন্য একটি বিল এসেছে।

তথ্যনুযায়, নিমাই চন্দ্র সরকারের বাসায় চারটি মিটার রয়েছে। নতুন মিটার স্থাপনের জন্য একটি ওয়্যারিং বোর্ডও তৈরি করা হয়েছে। তবে তার নামে মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এসেছে। এর মধ্যে নতুন মিটারের নামে আগস্ট মাসের বিল ধরা হয়েছে ৬৯২ টাকা।মিটার স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই বিল আসার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও বিস্ময় দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন, সংযোগই যেখানে দেওয়া হয়নি, সেখানে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল কীভাবে তৈরি হলো? বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছে।তবে মিটার বা সংযোগ না থাকলেও বিল করা যায় কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা ভুল হয়ে গেছে।

এদিকে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএন্ডএম) আবু সালেহ মো. নাঈম বলেন, ‘সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এমন সমস্যা হয়েছে।তবে মিটার ও সংযোগ না থাকা অবস্থায় কীভাবে গ্রাহকের নামে বিল তৈরি হলো, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লি বিমানবন্দরের ভেতরে ঢুকল পানি, একের পর এক ফ্লাইট বাতিল

সংযোগ নেই-মিটারও নেই, আবেদন করায় বিদ্যুত বিল এল ৬৯২ টাকা!

আপডেট সময় ১২:৩৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার জামালপুরের মাদারগঞ্জে নতুন মিটার স্থাপনের আগেই গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল। মিটার নেই, বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়নি, অথচ আগস্ট মাসের বিল তৈরি হয়েছে গ্রাহকের নামে। এমন ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার। মিটার স্থাপন ও বিদ্যুৎ ব্যবহার শুরুর আগেই বিল তৈরির ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের বিলিং ব্যবস্থাপনা ও তদারকি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসায় দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। এর বাইরে আরও একটি মিটার সংযোগের জন্য তিনি আবেদন করেন। তবে নতুন মিটার স্থাপন কিংবা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই তার নামে ৬৯২ টাকা পরিশোধের জন্য একটি বিল এসেছে।

তথ্যনুযায়, নিমাই চন্দ্র সরকারের বাসায় চারটি মিটার রয়েছে। নতুন মিটার স্থাপনের জন্য একটি ওয়্যারিং বোর্ডও তৈরি করা হয়েছে। তবে তার নামে মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এসেছে। এর মধ্যে নতুন মিটারের নামে আগস্ট মাসের বিল ধরা হয়েছে ৬৯২ টাকা।মিটার স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই বিল আসার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও বিস্ময় দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন, সংযোগই যেখানে দেওয়া হয়নি, সেখানে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল কীভাবে তৈরি হলো? বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছে।তবে মিটার বা সংযোগ না থাকলেও বিল করা যায় কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা ভুল হয়ে গেছে।

এদিকে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএন্ডএম) আবু সালেহ মো. নাঈম বলেন, ‘সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এমন সমস্যা হয়েছে।তবে মিটার ও সংযোগ না থাকা অবস্থায় কীভাবে গ্রাহকের নামে বিল তৈরি হলো, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।