ঢাকা , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য, সব ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা শেখ হাসিনা ছিলেন বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী: স্পিকার মেজর হাফিজ ‘যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই’ হুথিদের বিরুদ্ধে বড় আগ্রাসনের প্রস্তুতি সৌদি আরবের কারাগারে সাবেক এমপির মোবাইলে মিললো কয়েক ডজন পর্ন ভিডিও ইরানি মিত্রগোষ্ঠীর অবস্থানে সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর বিমান হামলা, বহু হতাহত ভাইভায় বিশেষ নম্বর দিয়ে কাউকে পাস করানোর পরিকল্পনা নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী জামায়াতের কারণেই আওয়ামী লীগ মিছিল করার সাহস পাচ্ছে: রাশেদ খাঁন ‘মুসলিমদের চেয়ে হিন্দুরাই বেশি গরুর মাংস খায়’ দেশে সারের কোনো সংকট নেই, মজুতের চেষ্টা করলেই ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী লাড্ডুতে পোকা দেখিয়ে দোকানির কাছে আইফোন দাবির অভিযোগ কনটেন্ট ক্রিয়েটর দম্পতির বিরুদ্ধে

ইরানি মিত্রগোষ্ঠীর অবস্থানে সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর বিমান হামলা, বহু হতাহত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ইয়েমেনের মোখা ও ধুবাব এলাকায় ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে দেশটির সৌদিসমর্থিত সরকারের বিমানবাহিনী। এতে বহু হুতি যোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে দাবি ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক বিবৃতিতে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ আবদুল্লাহ আলনুজাইলি বলেন, মোখা বন্দর এবং শহরের জায়েদ আলখারজ শপিং মলের কাছে চালানো হামলায় হুতির যানবাহন ও অস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে এবং তাদের অনেক সদস্যও নিহত হয়েছেন।

তিনি জানান, মোখায় পানি প্রকল্পের প্রশাসন কার্যালয়ের পাশেও কয়েকজন হুতি সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া শহরটি থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে মোখাধুবাব সড়কে একটি পশু কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রে যানবাহন ও হুতি যোদ্ধাদের জড়ো হওয়ার স্থানেও চালানো হয় হামলা। আলনুজাইলি আরও বলেন, মোখার উত্তর পাশের রিং রোডে এক সাবেক সামরিক নেতার কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত স্থানে সমবেত হুতি সদস্যদেরও নির্মূল করা হয়েছে। তবে এসব হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

২০১৪ সালে রাজধানী সানা ও দেশটির বড় একটি অংশ দখলে নেয়ার পর থেকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটসমর্থিত সরকারি বাহিনী এবং ইরানসমর্থিত হুতিদের মধ্যে প্রায় ১২ বছর ধরে যুদ্ধ চলছে। ২০২২ সালে যুদ্ধবিরতির পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত ছিল।  ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ শুরুর পর হুতিরা আঞ্চলিক সংঘাতে ক্রমেই জড়িয়ে পড়ে। তারা ইসরায়েল এবং লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলাও চালিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আবারও লড়াই তীব্র হওয়ায় পূর্ণমাত্রার সংঘাত ফিরে আসার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে দেশটিতে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রিকসের যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য, সব ধরনের আগ্রাসনের নিন্দা

ইরানি মিত্রগোষ্ঠীর অবস্থানে সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর বিমান হামলা, বহু হতাহত

আপডেট সময় ০২:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার ইয়েমেনের মোখা ও ধুবাব এলাকায় ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে দেশটির সৌদিসমর্থিত সরকারের বিমানবাহিনী। এতে বহু হুতি যোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে দাবি ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক বিবৃতিতে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ আবদুল্লাহ আলনুজাইলি বলেন, মোখা বন্দর এবং শহরের জায়েদ আলখারজ শপিং মলের কাছে চালানো হামলায় হুতির যানবাহন ও অস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে এবং তাদের অনেক সদস্যও নিহত হয়েছেন।

তিনি জানান, মোখায় পানি প্রকল্পের প্রশাসন কার্যালয়ের পাশেও কয়েকজন হুতি সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া শহরটি থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে মোখাধুবাব সড়কে একটি পশু কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রে যানবাহন ও হুতি যোদ্ধাদের জড়ো হওয়ার স্থানেও চালানো হয় হামলা। আলনুজাইলি আরও বলেন, মোখার উত্তর পাশের রিং রোডে এক সাবেক সামরিক নেতার কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত স্থানে সমবেত হুতি সদস্যদেরও নির্মূল করা হয়েছে। তবে এসব হামলায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

২০১৪ সালে রাজধানী সানা ও দেশটির বড় একটি অংশ দখলে নেয়ার পর থেকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটসমর্থিত সরকারি বাহিনী এবং ইরানসমর্থিত হুতিদের মধ্যে প্রায় ১২ বছর ধরে যুদ্ধ চলছে। ২০২২ সালে যুদ্ধবিরতির পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত ছিল।  ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ শুরুর পর হুতিরা আঞ্চলিক সংঘাতে ক্রমেই জড়িয়ে পড়ে। তারা ইসরায়েল এবং লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলাও চালিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আবারও লড়াই তীব্র হওয়ায় পূর্ণমাত্রার সংঘাত ফিরে আসার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে দেশটিতে।