ঢাকা , শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জামালপুরে আর্জেন্টিনাকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল যারা সার্কভুক্ত দেশগুলোর ঐক্য চায় না, তারা শুধু দুই দেশের ঐক্যের কথা বললে সন্দেহজনক: তথ্যমন্ত্রী যারা খেলা বোঝে তারা ব্রাজিল করে: অপু বিশ্বাস শিবিরের বর্তমান রাজনীতি হলো ধর্ষণ করে আত্মগোপনে গিয়ে গুমের নাটক সাজানো: রাশেদ খান ইসলাম ধর্মে দেশের সীমান্ত রক্ষার গুরুত্ব ও আখিরাতের প্রতিদান ‘ভারত-বাংলাদেশ এক হয়ে যাওয়া’ বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাইলেন জামায়াতে আমির খালে উল্টে পড়ল মাছভর্তি পিকআপ, চালককে ফেলে মাছ কুড়াতেই ব্যস্ত স্থানীয়রা আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার খাল খনন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী কান্না সহ্য করতে না পেরে দুই মাসের শিশুকে আছাড় দিয়ে হত্যা, বাবা আটক বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্যে ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রধান ভরসা এএন-৩২ বিমান বি’ধ্ব’স্ত

মানিকগঞ্জে ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ ঘিরে বিএনপি নেতাকে গাছে বেঁধে রাখলো এলাকাবাসী, বিয়ের সিদ্ধান্তে সমঝোতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • ৭৬৬ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার ধামশ্বর ইউনিয়নে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে ‘অনৈতিক সম্পর্কের’ অভিযোগে বিএনপির এক ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকে রাতভর গাছে বেঁধে রাখার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে চর দেশগ্রামে স্থানীয়দের হাতে আটক হন ধামশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মুনজেল (৪৫)।

প্রবাসীর ঘরে অনধিকার প্রবেশের পরই এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়েন তিনি। রাতভর গাছে বাঁধা অবস্থায় রাখার পর শনিবার সকাল পর্যন্ত এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। আটক হওয়া নারীর স্বামী বিদেশে থাকলেও সম্প্রতি তাদের ‘সম্পর্ক’ নিয়ে গ্রামজুড়ে গুঞ্জন চলছিল বলে স্থানীয়রা জানান।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর এম আল-মামুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ধামশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিস জানান, উভয় পক্ষ বিয়েতে রাজি হওয়ায় এবং প্রবাসী স্বামী স্ত্রীকে আর গ্রহণ করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় গ্রামের গণ্যমান্যদের উপস্থিতিতে সামাজিক মীমাংসার পথে অগ্রসর হচ্ছে ঘটনা। এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

ধামশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান পিন্টু বলেন, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। উভয়েই অনৈতিক সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে মনজেলের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গ্রামের সাধারণ মানুষ এমন ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বলছেন, রাজনীতি বা দলীয় পরিচয় থাকলেই কেউ দায় এড়াতে পারে না। নেতাদের ব্যক্তিজীবনেও জবাবদিহিতা থাকা উচিত। সামাজিক মূল্যবোধের জায়গা থেকেই এলাকাবাসী এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন বলেও অনেকে মন্তব্য করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে আর্জেন্টিনাকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল

মানিকগঞ্জে ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ ঘিরে বিএনপি নেতাকে গাছে বেঁধে রাখলো এলাকাবাসী, বিয়ের সিদ্ধান্তে সমঝোতা

আপডেট সময় ১২:০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার ধামশ্বর ইউনিয়নে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে ‘অনৈতিক সম্পর্কের’ অভিযোগে বিএনপির এক ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকে রাতভর গাছে বেঁধে রাখার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে চর দেশগ্রামে স্থানীয়দের হাতে আটক হন ধামশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মুনজেল (৪৫)।

প্রবাসীর ঘরে অনধিকার প্রবেশের পরই এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়েন তিনি। রাতভর গাছে বাঁধা অবস্থায় রাখার পর শনিবার সকাল পর্যন্ত এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। আটক হওয়া নারীর স্বামী বিদেশে থাকলেও সম্প্রতি তাদের ‘সম্পর্ক’ নিয়ে গ্রামজুড়ে গুঞ্জন চলছিল বলে স্থানীয়রা জানান।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর এম আল-মামুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ধামশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিস জানান, উভয় পক্ষ বিয়েতে রাজি হওয়ায় এবং প্রবাসী স্বামী স্ত্রীকে আর গ্রহণ করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় গ্রামের গণ্যমান্যদের উপস্থিতিতে সামাজিক মীমাংসার পথে অগ্রসর হচ্ছে ঘটনা। এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

ধামশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান পিন্টু বলেন, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। উভয়েই অনৈতিক সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে মনজেলের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গ্রামের সাধারণ মানুষ এমন ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বলছেন, রাজনীতি বা দলীয় পরিচয় থাকলেই কেউ দায় এড়াতে পারে না। নেতাদের ব্যক্তিজীবনেও জবাবদিহিতা থাকা উচিত। সামাজিক মূল্যবোধের জায়গা থেকেই এলাকাবাসী এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন বলেও অনেকে মন্তব্য করেন।