গাইবান্ধা জেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মাহ্ফুজ সরকার রাকিবকে গভীর রাতে এক তরুণীর বাড়িতে পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, আপত্তিকর অবস্থায় তাকে আটক করার পর তাদের মধ্যস্থতায় ওই তরুণীর সঙ্গে ৭ লাখ টাকা দেনমোহরে তার বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। তবে মাহ্ফুজ সরকার রাকিব এ অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, এটি ছিল পারিবারিকভাবে পূর্বনির্ধারিত বিয়ে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওগুলো বিভ্রান্তিকর।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোলদহ (সৈয়দপুর) গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জলিলের বাড়িতে যান মাহ্ফুজ সরকার রাকিব। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে ওই বাড়িতে দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে তাকে আটক করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে উভয় পক্ষের সম্মতিতে এবং স্থানীয়দের উপস্থিতিতে আব্দুল জলিলের মেয়ে জুই আক্তারের সঙ্গে ৭ লাখ টাকা দেনমোহরে মাহ্ফুজ সরকার রাকিবের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
তবে এ ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন মাহ্ফুজ সরকার রাকিব। তিনি বলেন, শুক্রবার পারিবারিকভাবেই তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। তার দাবি, আগের রাতে উভয় পরিবারের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে কনের বাড়িতে বিয়ের বিষয়ে আলোচনা হয় এবং সে কারণেই তিনি রাতে সেখানে অবস্থান করেন। পরদিন সকালে পারিবারিকভাবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
মাহ্ফুজ আরও অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি গোপনে ভিডিও ধারণ করে তার আংশিক ও খণ্ডিত অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের চেষ্টা করছেন। তার ভাষ্য, প্রচারিত ভিডিওগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ডেস্ক রিপোর্ট 




















