ঢাকা , শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জামায়াতের ফেসবুক পেজে বিজয়ী ৩৮ প্রার্থীর নাম ৫০ কেন্দ্রে জামায়াত প্রার্থী ডা. তাহের বড় ব্যবধানে এগিয়ে ঢাকা-১০ আসনে ৪ কেন্দ্রের ফলে এগিয়ে বিএনপি যশোর-২ চৌগাছা ৬০ কেন্দ্রে জামায়াত এগিয়ে, ধানের শীষ পেছনে কুষ্টিয়া-৩ আসনে ৪৫ কেন্দ্রে এগিয়ে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মুফতি আমির হামজা নিজ কেন্দ্রে ৫ ভোটে পরাজিত জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান, জয়ী ধানের শীষের শফিকুল ইসলাম খান ধানের শীষে বিজয়ী নাসির উদ্দিন চৌধুরী, শুভেচ্ছা জানালেন জামায়াত প্রার্থী শিশির মনির ঝিনাইদহ-১ আসনে ধানের শীষে জয়ী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ঢাকা-১৫ আসনে ৩০ কেন্দ্রে এগিয়ে ডা. শফিকুর রহমান, দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ ভোটগ্রহণ ঢাকা-৬ আসনে তিন কেন্দ্রে এগিয়ে ইশরাক হোসেন, ধানের শীষে ২৮০০ ভোট

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় পার্টির জানাজা ও দাফন হবে: হাসনাত 

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর মৃত জাতীয় পার্টির জানাজা ও দাফন করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেছেন, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় ভারতের রাজনৈতিক দলের বাংলাদেশ শাখা জাতীয় পার্টি ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এই জাতীয় পার্টিকে ১২ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিক দাফন সম্পন্ন করতে হবে। তারা অলরেডি মৃত। ১২ তারিখ ভোটের মধ্য দিয়ে তাদের আনুষ্ঠানিক জানাজা হবে।

গতকাল রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে রংপুরের কাউনিয়া মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে রংপুর-৪ আসনের ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী আখতার হোসেনের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বিএনপি ওপেনে গণভোটে হ্যাঁ-এর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। কিন্তু গোপনে তারা ‘না’ এর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এই ওপেন-গোপনের খেলা বন্ধ করে জনতার কাতারে নেমে এসে গণভোটে মুখে যা বলেছেন, সেই হ্যাঁ-কে জিতিয়ে আগামী সংসদে ক্ষমতা কাঠামোর ইতিবাচক পরিবর্তন করতে হবে।

এনসিপির মুখ্য সংগঠক বলেন, আমরা দেখেছি তারেক জিয়া, নাহিদ ইসলাম, ডাক্তার শফিকুর রহমান ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। পরিতাপের বিষয় হলো, ভারতের রাজনৈতিক দলের বাংলাদেশ শাখা জাতীয় পার্টি ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, যারা ভোটের আগের দিন মুড়ি নিয়ে আসবে, শাড়ি নিয়ে আসবে। অ্যাডভান্স অর্থ নিয়ে আসবে তাদেরকে ১২ তারিখ প্রত্যাখান করতে হবে। ১২ তারিখ যদি আপনারা কারো কাছ থেকে কোনো অর্থ সংগ্রহ করেন, যদি ভোটের দিন তাদের সিএনজির জন্য অপেক্ষা করেন। এই একদিনের ভুলেই আপনাদের আগামী ৫ বছর ভোগাবে। আমরা অর্থ নিয়ে আসতে পারবো না, আমরা লুঙ্গি শাড়ি নিয়ে আসতে পারব না। আমরা বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগ নিয়ে আসতে পারব না। আপনি আমার জন্য ১০ দিন খাটেন, আগামী পাঁচ বছর আপনার জন্য গোলাম হয়ে থাকবো।

জনসভায় এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ বলেন, যাদের কারণে দেশের মানুষেরা অত্যাচারের শিকার, বঞ্চিত হয়েছে, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ফ্যাসিস্টরা দিল্লির গ্রিন সিগন্যাল নিয়ে দেশের ক্ষমতায় আহরণের চেষ্টা করছে। তাদেরকে দেশের জনগণ লালকার্ড দেখানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে বসে রয়েছে। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য আমাদের সবাইকে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। ভোটাধিকার হরণের জন্য মাস্তানি, হোন্ডা নিয়ে গুন্ডামি করতে চাইলে, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরও বলেন, এনসিপি ক্ষমতায় আসলে শাপলা চত্বর গণহত্যা, বিডিআর গণহত্যা, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সব শহীদ ও সর্বশেষ শহীদ ওসমান হাদী ভাইয়ের হত্যার বিচার করা হবে। দেশের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে দুঃশাসনের শিকার হয়ে আসছে। স্বাধীনতার পর বাকশাল থেকে শুরু করে স্বৈরাচারী শাসন ও সর্বশেষ গণতন্ত্রের নামে ৫৪ বছর আওয়ামী লিগ ও বিএনপি লুটপাটের শাসন করেছে। আমরা ১১ দলীয় জোট সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকার করছি। জনগণের নির্দেশে আমরা কাজ করতে চাই।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের ফেসবুক পেজে বিজয়ী ৩৮ প্রার্থীর নাম

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় পার্টির জানাজা ও দাফন হবে: হাসনাত 

আপডেট সময় ১১:০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর মৃত জাতীয় পার্টির জানাজা ও দাফন করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেছেন, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় ভারতের রাজনৈতিক দলের বাংলাদেশ শাখা জাতীয় পার্টি ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এই জাতীয় পার্টিকে ১২ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিক দাফন সম্পন্ন করতে হবে। তারা অলরেডি মৃত। ১২ তারিখ ভোটের মধ্য দিয়ে তাদের আনুষ্ঠানিক জানাজা হবে।

গতকাল রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে রংপুরের কাউনিয়া মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে রংপুর-৪ আসনের ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী আখতার হোসেনের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বিএনপি ওপেনে গণভোটে হ্যাঁ-এর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। কিন্তু গোপনে তারা ‘না’ এর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এই ওপেন-গোপনের খেলা বন্ধ করে জনতার কাতারে নেমে এসে গণভোটে মুখে যা বলেছেন, সেই হ্যাঁ-কে জিতিয়ে আগামী সংসদে ক্ষমতা কাঠামোর ইতিবাচক পরিবর্তন করতে হবে।

এনসিপির মুখ্য সংগঠক বলেন, আমরা দেখেছি তারেক জিয়া, নাহিদ ইসলাম, ডাক্তার শফিকুর রহমান ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। পরিতাপের বিষয় হলো, ভারতের রাজনৈতিক দলের বাংলাদেশ শাখা জাতীয় পার্টি ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, যারা ভোটের আগের দিন মুড়ি নিয়ে আসবে, শাড়ি নিয়ে আসবে। অ্যাডভান্স অর্থ নিয়ে আসবে তাদেরকে ১২ তারিখ প্রত্যাখান করতে হবে। ১২ তারিখ যদি আপনারা কারো কাছ থেকে কোনো অর্থ সংগ্রহ করেন, যদি ভোটের দিন তাদের সিএনজির জন্য অপেক্ষা করেন। এই একদিনের ভুলেই আপনাদের আগামী ৫ বছর ভোগাবে। আমরা অর্থ নিয়ে আসতে পারবো না, আমরা লুঙ্গি শাড়ি নিয়ে আসতে পারব না। আমরা বাচ্চাদের স্কুল ব্যাগ নিয়ে আসতে পারব না। আপনি আমার জন্য ১০ দিন খাটেন, আগামী পাঁচ বছর আপনার জন্য গোলাম হয়ে থাকবো।

জনসভায় এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ বলেন, যাদের কারণে দেশের মানুষেরা অত্যাচারের শিকার, বঞ্চিত হয়েছে, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ফ্যাসিস্টরা দিল্লির গ্রিন সিগন্যাল নিয়ে দেশের ক্ষমতায় আহরণের চেষ্টা করছে। তাদেরকে দেশের জনগণ লালকার্ড দেখানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে বসে রয়েছে। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য আমাদের সবাইকে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। ভোটাধিকার হরণের জন্য মাস্তানি, হোন্ডা নিয়ে গুন্ডামি করতে চাইলে, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরও বলেন, এনসিপি ক্ষমতায় আসলে শাপলা চত্বর গণহত্যা, বিডিআর গণহত্যা, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সব শহীদ ও সর্বশেষ শহীদ ওসমান হাদী ভাইয়ের হত্যার বিচার করা হবে। দেশের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে দুঃশাসনের শিকার হয়ে আসছে। স্বাধীনতার পর বাকশাল থেকে শুরু করে স্বৈরাচারী শাসন ও সর্বশেষ গণতন্ত্রের নামে ৫৪ বছর আওয়ামী লিগ ও বিএনপি লুটপাটের শাসন করেছে। আমরা ১১ দলীয় জোট সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকার করছি। জনগণের নির্দেশে আমরা কাজ করতে চাই।