এবার শিবিরের যারা ছাত্রলীগের সঙ্গে মিশে ছাত্রলীগের অপকর্মের সহযোগী ছিল, শিক্ষার্থীদেরকে অমানবিক নির্যাতন নিপীড়নের সঙ্গে জড়িত ছিল, সেসবের জন্য কি শিবির ক্ষমা চাইবে না?-এমন প্রশ্ন তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদের।
তিনি বলেছেন, ‘আপনারা জানেন, আবরার ফাহাদের ওপর প্রথম নির্যাতনটা শুরু করে মেহেদী হাসান রবিন, যার পুরো পরিবার জামায়াত শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, দাদা ছিলেন স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী! খোঁজ নিলে হয়তো জানা যাবে, জামায়াত পরিবারের এই রবিনও শিবিরের সাথী পর্যায়ের কেউ ছিলেন।’
বুধবার দিনগত রাত ১২টায় তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। ‘আবার দেখেন, সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে শিবির গুপ্ত রাজনীতি করার কৌশল অবলম্বন করেছিল। এতে শিবির লাভবান হইছে; কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত হইছে শিক্ষার্থীরা।’
আব্দুল কাদের বলেন, ‘শিবিরের প্রকাশ্য কমিটি না থাকায় ছাত্রলীগ ভিন্নমতাবলম্বী যারে-তারে শিবির ট্যাগ দিয়ে নির্যাতন নিপীড়ন করতো। শিবিরের এই গুপ্ত রাজনীতির বলি হয়েছিল স্বয়ং আবরার ফাহাদ, জীবনটাই চলে গেল! আরও কত নিরপরাধ শিক্ষার্থী যে শিবির ট্যাগ খেয়ে নির্যাতন-নিপীড়ন আর বঞ্চনার শিকার হয়েছিল, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। ‘এতোকিছুর পরও শিবির তাদের স্বার্থে এখনো গুপ্ত রাজনীতিই করে যাচ্ছে। অভ্যুত্থান পরবর্তীতে যেটা নতুন ধারার রাজনীতি বিনির্মাণে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে।’

ডেস্ক রিপোর্ট 





















