ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আওয়ামী লীগ দেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছিলো: রাশেদ খাঁন পাগলা মসজিদে ৩ ঘণ্টায় মিলল ১০ কোটি টাকা, এখনো চলছে গণনা বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা ট্যাক্স! আয়োজকরা চায় আমরা বাদ পড়ি: ইরানের অধিনায়ক নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে বাচ্চা রেখে চলে গেল ‘কাশ্মিরি’ পরিবার ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা বাজেট নিয়ে এবার ‘মানি না, মানবো না’ স্লোগান ওঠেনি : জয়নুল আবদীন চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয়: ডা. শফিকুর রহমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে: মির্জা ফখরুল

জাতীয় সমাবেশে যাওয়ার অপরাধে ভোলায় জামায়াত কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার গঙ্গাপুর ইউনিয়নে সন্ত্রাসীদের হামলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের এক কর্মী ও তার ছেলে গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ ওঠেছে।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের তালুকদার বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী মোঃ সাদেক খান (৫০) ও তার ছেলে মোহাম্মদ কাউসার হোসেনকে (১৪) স্থানীয় সন্ত্রাসী মুন্না, পলিন, হেলালসহ চার-পাঁচজন মিলে মারধর করে রক্তাক্ত করে।

অভিযোগ করা হয়, গত ১৯ জুন জামায়াতের জাতীয় সমাবেশে অংশ নেওয়ার কারণেই তাদের ওপর এ হামলা চালানো হয়।

আহত সাদেক খান অভিযোগ করে বলেন, “আমি জামায়াত করি বলে আগে থেকেই আমাকে মারার চেষ্টা করা হয়েছে। আজকে তারা এসএস ফাইভ দিয়ে আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে রক্তাক্ত করে। নাক ফেটে যায় এবং আমার বাড়িঘরে হামলার হুমকি দেয়। এমনকি চরের গরু নিয়ে যাওয়ারও হুমকি দিয়েছে।”

আহতের ছেলে মোহাম্মদ কাউসার গঙ্গাপুর গোলাম রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। হামলার ভয়ে দীর্ঘ দুই মাস ধরে স্কুলে যেতে পারেনি। বর্তমানে তারা বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোঃ ইমরান হোসেন জানান, “শক্ত লাঠির আঘাতে সাদেক খানের নাকের হাড় ভেঙে গেছে এবং বুকের পাজরে গুরুতর আঘাত পেয়েছে।”

এ ঘটনায় উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মোঃ মাকসুদুর রহমান বলেন, ‘গঙ্গাপুর ইউনিয়নের শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কর্মী সাদেক খানের ওপর সন্ত্রাসী মুন্না ও তার সহযোগীদের এ হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগ দেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছিলো: রাশেদ খাঁন

জাতীয় সমাবেশে যাওয়ার অপরাধে ভোলায় জামায়াত কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:১৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার গঙ্গাপুর ইউনিয়নে সন্ত্রাসীদের হামলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের এক কর্মী ও তার ছেলে গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ ওঠেছে।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের তালুকদার বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী মোঃ সাদেক খান (৫০) ও তার ছেলে মোহাম্মদ কাউসার হোসেনকে (১৪) স্থানীয় সন্ত্রাসী মুন্না, পলিন, হেলালসহ চার-পাঁচজন মিলে মারধর করে রক্তাক্ত করে।

অভিযোগ করা হয়, গত ১৯ জুন জামায়াতের জাতীয় সমাবেশে অংশ নেওয়ার কারণেই তাদের ওপর এ হামলা চালানো হয়।

আহত সাদেক খান অভিযোগ করে বলেন, “আমি জামায়াত করি বলে আগে থেকেই আমাকে মারার চেষ্টা করা হয়েছে। আজকে তারা এসএস ফাইভ দিয়ে আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে রক্তাক্ত করে। নাক ফেটে যায় এবং আমার বাড়িঘরে হামলার হুমকি দেয়। এমনকি চরের গরু নিয়ে যাওয়ারও হুমকি দিয়েছে।”

আহতের ছেলে মোহাম্মদ কাউসার গঙ্গাপুর গোলাম রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। হামলার ভয়ে দীর্ঘ দুই মাস ধরে স্কুলে যেতে পারেনি। বর্তমানে তারা বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোঃ ইমরান হোসেন জানান, “শক্ত লাঠির আঘাতে সাদেক খানের নাকের হাড় ভেঙে গেছে এবং বুকের পাজরে গুরুতর আঘাত পেয়েছে।”

এ ঘটনায় উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মোঃ মাকসুদুর রহমান বলেন, ‘গঙ্গাপুর ইউনিয়নের শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কর্মী সাদেক খানের ওপর সন্ত্রাসী মুন্না ও তার সহযোগীদের এ হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’