ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাজুতে নিজেকে জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘোষণা বিসিএস পাস করেও ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া জসিমের মেয়েদের সাথে অবাধ বিচরণসহ নানা অভিযোগে সাথী পদ বাতিল হয় আম্মারের এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর পক্ষে ‘আপসনামায়’ কী লিখেছেন দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা কেমনে হাদি হলের নাম মুছে মুজিবের নামে হয় মাথায় আসে না: পিনাকী শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পুনর্বহালের প্রতিবাদ ডাকসুর অক্টোবরে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত সরকারের ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে এসে কুমিল্লায় বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর ব্যাংক হিসাব তলবের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ সালমান মুক্তাদিরের, ‘যা করবেন করেন’ মেধা তালিকায় প্রথম, তবুও গেজেটে নাম নেই সোহেল-মামুনের

ক্ষমতাচ্যুতির দুই বছরে প্রথমবার প্রকাশ্যে আসছেন শেখ হাসিনা, জানাবেন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

গত ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে যাওয়ার প্রায় দুই বছর পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে গণমাধ্যমের সামনে আসছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া (এফসিসি সাউথ এশিয়া) আয়োজিত এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে তিনি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা ও বাংলাদেশে ফেরার প্রস্তাবিত পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলবেন। ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৫ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ভারতের নয়াদিল্লির মথুরা রোডে অবস্থিত স্যার মার্ক টালি অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে এফসিসি সাউথ এশিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোতে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে শেখ হাসিনার টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ গণআন্দোলনে রূপ নেয়। ওই আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান। এর মধ্য দিয়ে তার প্রায় ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। ভারতে যাওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা প্রকাশ্য কোনো অনুষ্ঠান বা আনুষ্ঠানিক গণমাধ্যমে অংশ নেননি। ফলে আসন্ন এই বক্তব্য ক্ষমতা ছাড়ার পর তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ্য উপস্থিতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র অনুযায়ী, শেখ হাসিনার পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক ও জনপরিচিত ব্যক্তিত্ব এতে অংশ নেবেন।

অংশগ্রহণকারীদের তালিকায় রয়েছেন শেখ হাসিনার ছেলে ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, বাংলাদেশের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মহাসচিব মাহাম্মদ আলী সিদ্দিক। এ ছাড়া প্যানেলে থাকবেন বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, সাবেক কূটনীতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক আমিনুল হক পলাশ, রাজনৈতিক ও সন্ত্রাসবিরোধী বিশ্লেষক আবু ওবাইদাহ আরিন এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ইউএসএর পরিচালক শাহ মো. বখতিয়ার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন এফসিসি সাউথ এশিয়া এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব প্রেস ক্লাবসের (আইএপিসি) সভাপতি ড. ওয়ায়েল আউয়াদ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী প্রশাসনের দায়িত্ব ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করে। নতুন সরকার সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে চলমান আদালতের কার্যক্রম নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

রাজুতে নিজেকে জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘোষণা বিসিএস পাস করেও ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া জসিমের

ক্ষমতাচ্যুতির দুই বছরে প্রথমবার প্রকাশ্যে আসছেন শেখ হাসিনা, জানাবেন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

আপডেট সময় ১০:১৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

গত ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে যাওয়ার প্রায় দুই বছর পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে গণমাধ্যমের সামনে আসছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া (এফসিসি সাউথ এশিয়া) আয়োজিত এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে তিনি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা ও বাংলাদেশে ফেরার প্রস্তাবিত পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলবেন। ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৫ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ভারতের নয়াদিল্লির মথুরা রোডে অবস্থিত স্যার মার্ক টালি অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে এফসিসি সাউথ এশিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোতে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে শেখ হাসিনার টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ গণআন্দোলনে রূপ নেয়। ওই আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান। এর মধ্য দিয়ে তার প্রায় ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। ভারতে যাওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা প্রকাশ্য কোনো অনুষ্ঠান বা আনুষ্ঠানিক গণমাধ্যমে অংশ নেননি। ফলে আসন্ন এই বক্তব্য ক্ষমতা ছাড়ার পর তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ্য উপস্থিতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র অনুযায়ী, শেখ হাসিনার পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক ও জনপরিচিত ব্যক্তিত্ব এতে অংশ নেবেন।

অংশগ্রহণকারীদের তালিকায় রয়েছেন শেখ হাসিনার ছেলে ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, বাংলাদেশের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মহাসচিব মাহাম্মদ আলী সিদ্দিক। এ ছাড়া প্যানেলে থাকবেন বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, সাবেক কূটনীতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক আমিনুল হক পলাশ, রাজনৈতিক ও সন্ত্রাসবিরোধী বিশ্লেষক আবু ওবাইদাহ আরিন এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ইউএসএর পরিচালক শাহ মো. বখতিয়ার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন এফসিসি সাউথ এশিয়া এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব প্রেস ক্লাবসের (আইএপিসি) সভাপতি ড. ওয়ায়েল আউয়াদ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী প্রশাসনের দায়িত্ব ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করে। নতুন সরকার সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে চলমান আদালতের কার্যক্রম নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।