ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইমরান খানের সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে, তা বর্বরতা- বললেন তাঁর বাংলাদেশি বন্ধু সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপি-গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের মারামারি গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মমতা নেপালকে বড় অর্থ সহায়তা দিলো বাংলাদেশ ট্রাস্টের নামে অর্থ আত্মসাৎ: হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ইসলামে অনুমতি নেই’ দাবি করে আফগানিস্তানে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল সরকার র‌্যাব বিলুপ্তিতে একমত: নতুন বাহিনী নিয়ে সংসদে ‘বাহাস’ র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে উত্থাপন গ্যাসের অভাবে শিল্পোৎপাদন ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ কমেছে: সংসদে জামায়াত এমপি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দ্রুত বিল আনা হবে, সংসদে ওয়াদা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ট্রাস্টের নামে অর্থ আত্মসাৎ: হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলার তৃতীয় আসামি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার। তিনি বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস্-এর (বিএবি) সাবেক সভাপতি এবং এক্সিম ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান।

 

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সংস্থাটির সচিব সাইদুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

 

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ দায়ের করা মামলাটি দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় করা হয়েছে।

 

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ গঠন করা হয়।

 

দলিল অনুযায়ী, শেখ হাসিনা ট্রাস্টটির আজীবন সভাপতি এবং তার অনুপস্থিতিতে শেখ রেহানা সভাপতির দায়িত্ব পালন করার কথা উল্লেখ রয়েছে।

 

দুদকের অভিযোগ, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও দেশের ৪১টি তফসিলি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টটির নামে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়।

 

অনুসন্ধানে আরও অভিযোগ করা হয়, তৎকালীন বিএবি সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার নির্বাহী কমিটির সভার নির্ধারিত আলোচ্যসূচিতে বিষয়টি না থাকা সত্ত্বেও তা ‘বিবিধ’ আলোচনায় উপস্থাপন করেন। পরে বিভিন্ন নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টের অনুকূলে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

ওই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি দেওয়া হয় এবং ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টের অনুকূলে অর্থ সংগ্রহ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

 

দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টের নামে অর্থ সংগ্রহ করেন। এর মাধ্যমে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

 

সূত্র: বাসস

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইমরান খানের সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে, তা বর্বরতা- বললেন তাঁর বাংলাদেশি বন্ধু

ট্রাস্টের নামে অর্থ আত্মসাৎ: হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আপডেট সময় ১১:২৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলার তৃতীয় আসামি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার। তিনি বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস্-এর (বিএবি) সাবেক সভাপতি এবং এক্সিম ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান।

 

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সংস্থাটির সচিব সাইদুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

 

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ দায়ের করা মামলাটি দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় করা হয়েছে।

 

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ গঠন করা হয়।

 

দলিল অনুযায়ী, শেখ হাসিনা ট্রাস্টটির আজীবন সভাপতি এবং তার অনুপস্থিতিতে শেখ রেহানা সভাপতির দায়িত্ব পালন করার কথা উল্লেখ রয়েছে।

 

দুদকের অভিযোগ, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও দেশের ৪১টি তফসিলি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টটির নামে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়।

 

অনুসন্ধানে আরও অভিযোগ করা হয়, তৎকালীন বিএবি সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার নির্বাহী কমিটির সভার নির্ধারিত আলোচ্যসূচিতে বিষয়টি না থাকা সত্ত্বেও তা ‘বিবিধ’ আলোচনায় উপস্থাপন করেন। পরে বিভিন্ন নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টের অনুকূলে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

ওই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি দেওয়া হয় এবং ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টের অনুকূলে অর্থ সংগ্রহ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

 

দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টের নামে অর্থ সংগ্রহ করেন। এর মাধ্যমে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ করে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

 

সূত্র: বাসস