ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঢাবি ক্যাম্পাসে চলন্ত শাটলে ছাত্রীর কান থেকে স্বর্ণের দুল ছিনতাই ৪৩ লাখ কৃষক এ বছর কৃষক কার্ড পাবেন: কৃষিমন্ত্রী রাজুতে নিজেকে জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘোষণা বিসিএস পাস করেও ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া জসিমের মেয়েদের সাথে অবাধ বিচরণসহ নানা অভিযোগে সাথী পদ বাতিল হয় আম্মারের এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর পক্ষে ‘আপসনামায়’ কী লিখেছেন দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা কেমনে হাদি হলের নাম মুছে মুজিবের নামে হয় মাথায় আসে না: পিনাকী শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পুনর্বহালের প্রতিবাদ ডাকসুর অক্টোবরে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত সরকারের ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে এসে কুমিল্লায় বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর

আবু সাঈদ হত্যার ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি: হাসিনার আইনজীবীর দাবি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ৯৫৯ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে হাস্যকর দাবি করে আলোচনায় এসেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইনজীবী মো. আমির হোসেন। তিনি আদালতে বলেন, “আবু সাঈদ হত্যার ভিডিও ফুটেজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি।” তার এ বক্তব্যে আদালতে উপস্থিত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের অনেকে হাসিতে ফেটে পড়েন।

বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে জবানবন্দি দেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিনা মুরমু এবং এনটিভির রংপুর প্রতিনিধি সাংবাদিক এ কে এম মঈনুল হক। তারা ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রাজধানীতে অনুষ্ঠিত গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের আগের ও পরের পরিস্থিতির বিস্তারিত তুলে ধরেন।

জেরা পর্বে শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন মঈনুল হককে প্রশ্ন করেন, “আপনার ধারণকৃত ভিডিও কি এআই দিয়ে তৈরি নয়?” জবাবে সাংবাদিক মঈনুল হক পরিষ্কার বলেন, “এই ভিডিও আমি নিজে ধারণ করেছি, এটি সম্পূর্ণ সত্য ও বিকৃতিহীন।”

প্রসঙ্গত, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গত ১০ জুলাই শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আরেকজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৩ আগস্ট দিন ধার্য করে আদালত।

আলোচিত এই মামলায় সাক্ষীদের বক্তব্য ও ভিডিও ফুটেজে প্রকাশ পাওয়া তথ্য ট্রাইব্যুনালে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে ফুটেজের সত্যতা নিয়ে হাস্যকর প্রশ্নে বিচারপ্রক্রিয়ার গুরুত্ব হালকা করতে চেষ্টার অভিযোগ উঠছে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের বিরুদ্ধে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

ঢাবি ক্যাম্পাসে চলন্ত শাটলে ছাত্রীর কান থেকে স্বর্ণের দুল ছিনতাই

আবু সাঈদ হত্যার ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি: হাসিনার আইনজীবীর দাবি

আপডেট সময় ১০:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে হাস্যকর দাবি করে আলোচনায় এসেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইনজীবী মো. আমির হোসেন। তিনি আদালতে বলেন, “আবু সাঈদ হত্যার ভিডিও ফুটেজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি।” তার এ বক্তব্যে আদালতে উপস্থিত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের অনেকে হাসিতে ফেটে পড়েন।

বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে জবানবন্দি দেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিনা মুরমু এবং এনটিভির রংপুর প্রতিনিধি সাংবাদিক এ কে এম মঈনুল হক। তারা ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রাজধানীতে অনুষ্ঠিত গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের আগের ও পরের পরিস্থিতির বিস্তারিত তুলে ধরেন।

জেরা পর্বে শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন মঈনুল হককে প্রশ্ন করেন, “আপনার ধারণকৃত ভিডিও কি এআই দিয়ে তৈরি নয়?” জবাবে সাংবাদিক মঈনুল হক পরিষ্কার বলেন, “এই ভিডিও আমি নিজে ধারণ করেছি, এটি সম্পূর্ণ সত্য ও বিকৃতিহীন।”

প্রসঙ্গত, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গত ১০ জুলাই শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আরেকজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৩ আগস্ট দিন ধার্য করে আদালত।

আলোচিত এই মামলায় সাক্ষীদের বক্তব্য ও ভিডিও ফুটেজে প্রকাশ পাওয়া তথ্য ট্রাইব্যুনালে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে ফুটেজের সত্যতা নিয়ে হাস্যকর প্রশ্নে বিচারপ্রক্রিয়ার গুরুত্ব হালকা করতে চেষ্টার অভিযোগ উঠছে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের বিরুদ্ধে।