ঢাকা , বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হাদির দ্রুত ফেরার সম্ভাবনা নেই, লম্বা সময় থাকতে হতে পারে আইসিইউতে: ডা. রাফি ব্রেনের ফোলা কমেনি, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ওসমান হাদি: চিকিৎসক হাদির অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন, অপারেশনের অপেক্ষায় ডাক্তাররা বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ ছাত্রদল নেতা আটক ফয়াসলই আমাকে হাদির কাছে নিয়ে গিয়েছিল: ফয়সালের সহযোগী জামায়াত যুদ্ধের বিরুদ্ধে ছিল না, ছিল ভারতের বিরুদ্ধে : আমির হামজা মুক্তিযুদ্ধ ও ইসলামের নামে দেশকে বিভাজন করা যাবে না ফিরছেন তারেক রহমান, বাসভবন-অফিস প্রস্তুত বিজয় দিবসের সরকারি অনুষ্ঠানে বিএনপির দলীয় স্লোগান, ইউএনওর বাধা ওসমান হাদিকে গুলি করা ফয়সালের সহযোগী কবির ৭ দিনের রিমান্ডে

“গুলি খেতে না চাইলে এনসিপিতে আসুন” — দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:২৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে

রাঙামাটি, ৬ নভেম্বর:
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, “গুলি খেতে না চাইলে এবং অনিয়ম, ঘুষ, দুর্নীতি থেকে বাঁচতে চাইলে এনসিপিতে চলে আসুন। আমরা আপনাদের সম্মান দেব।”

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে রাঙামাটি শহরের প্রফেসর কুমার সুমিত রায় জিমনেসিয়ামে তিন পার্বত্য জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এর সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন,

“বাংলাদেশে এখন সময় এসেছে আওয়ামী লীগকে না বলার। এনসিপি যে অবস্থান নেয়, বিএনপি ও জামায়াত সেখানে আসতে বাধ্য হয়। এনসিপির জন্ম রাজপথে—তাই ভবিষ্যতের পরিবর্তনও আসবে রাজপথ থেকেই। আগামী দশ বছরে এনসিপি সরকার গঠন করবে।”

তিনি আরও বলেন,

“যারা ব্যালটের প্রস্তুতি না নিয়ে বুলেটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জবাব দেবে জনগণ। আগামীর ভোট হবে মাফিয়া, চাঁদাবাজ ও বুলেট রাজনীতির বিরুদ্ধে।”

দেশ পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়ে এনসিপি নেতা বলেন,

“সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও জুলাই সনদের বিপক্ষে যারা গিয়েছে, তাদের সঙ্গে আমরা জোট করবো না। এনসিপি জোটে নয়, রাষ্ট্র পুনর্গঠনে বিশ্বাসী। টাকা, গুন্ডা বা পেশিশক্তি ছাড়াই যদি পাঁচশ’ ভোটও পাই, সেটাই আমাদের গর্বের অর্জন। আমরা খেলতে আসিনি—খেলার নিয়মই পরিবর্তন করতে এসেছি।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপি রাঙামাটি জেলার প্রধান সমন্বয়কারী বিপিন জ্যোতি চাকমা
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সমন্বয়কারী জুবাইরুল হাসান, বিভাগীয় সমন্বয়কারী এ এস এম সুজাউদ্দিন, পার্বত্য অঞ্চল তত্ত্বাধায়ক ইমন ছৈয়দ, শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-আহ্বায়ক কলিন চাকমা, বান্দরবানের প্রধান সমন্বয়কারী শহিদুর রহমান সোহেল এবং খাগড়াছড়ির প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা প্রমুখ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদির দ্রুত ফেরার সম্ভাবনা নেই, লম্বা সময় থাকতে হতে পারে আইসিইউতে: ডা. রাফি

“গুলি খেতে না চাইলে এনসিপিতে আসুন” — দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ

আপডেট সময় ০৭:২৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

রাঙামাটি, ৬ নভেম্বর:
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, “গুলি খেতে না চাইলে এবং অনিয়ম, ঘুষ, দুর্নীতি থেকে বাঁচতে চাইলে এনসিপিতে চলে আসুন। আমরা আপনাদের সম্মান দেব।”

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে রাঙামাটি শহরের প্রফেসর কুমার সুমিত রায় জিমনেসিয়ামে তিন পার্বত্য জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এর সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন,

“বাংলাদেশে এখন সময় এসেছে আওয়ামী লীগকে না বলার। এনসিপি যে অবস্থান নেয়, বিএনপি ও জামায়াত সেখানে আসতে বাধ্য হয়। এনসিপির জন্ম রাজপথে—তাই ভবিষ্যতের পরিবর্তনও আসবে রাজপথ থেকেই। আগামী দশ বছরে এনসিপি সরকার গঠন করবে।”

তিনি আরও বলেন,

“যারা ব্যালটের প্রস্তুতি না নিয়ে বুলেটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জবাব দেবে জনগণ। আগামীর ভোট হবে মাফিয়া, চাঁদাবাজ ও বুলেট রাজনীতির বিরুদ্ধে।”

দেশ পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়ে এনসিপি নেতা বলেন,

“সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও জুলাই সনদের বিপক্ষে যারা গিয়েছে, তাদের সঙ্গে আমরা জোট করবো না। এনসিপি জোটে নয়, রাষ্ট্র পুনর্গঠনে বিশ্বাসী। টাকা, গুন্ডা বা পেশিশক্তি ছাড়াই যদি পাঁচশ’ ভোটও পাই, সেটাই আমাদের গর্বের অর্জন। আমরা খেলতে আসিনি—খেলার নিয়মই পরিবর্তন করতে এসেছি।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপি রাঙামাটি জেলার প্রধান সমন্বয়কারী বিপিন জ্যোতি চাকমা
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সমন্বয়কারী জুবাইরুল হাসান, বিভাগীয় সমন্বয়কারী এ এস এম সুজাউদ্দিন, পার্বত্য অঞ্চল তত্ত্বাধায়ক ইমন ছৈয়দ, শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-আহ্বায়ক কলিন চাকমা, বান্দরবানের প্রধান সমন্বয়কারী শহিদুর রহমান সোহেল এবং খাগড়াছড়ির প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা প্রমুখ।