ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরান যুদ্ধ ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় ভুল: ওমান সৌদি আরব যুদ্ধে জড়ালে ব্যবহার হবে পাকিস্তানের পরমাণু! ইরানে আগ্রাসনের প্রভাবে ১০ বছরের মধ্যে ধ্বংস হতে পারে মার্কিন অর্থনীতি বিবেকবান মার্কিনিরা এই ‘অবৈধ’ যুদ্ধ প্রত্যাখ্যান করবেন, বিশ্বাস ইরানের জুলাই সনদ বাস্তবায়নে টালবাহানা মেনে নেবে না জনগণ: ঈদ শুভেচ্ছা বার্তায় জামায়াত আমির চীনের উপহারকে যৌথ উদ্যোগ বলে বিতরণ, জামায়াতের বক্তব্যে চীনা দূতাবাসের উদ্বেগ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে শরীয়তপুরের ৫০ গ্রামে ঈদ উদযাপন কাল ইরান আমাদের যুদ্ধ নয়, ট্রাম্পকে জানালো ইউরোপ বাড়তি ভাড়া নিয়ে যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন সঠিক নয়: দাবি সড়ক প্রতিমন্ত্রীর আজ চাঁদপুরের এক গ্রামে পালিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে ২০০৮ সালেই আন্দোলনে নেমেছিলেন ওসমান বিন হাদি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কিছু বিভাগে একসময় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তি হওয়ার সুযোগ ছিল না। এর প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন ও কর্মসূচি পালন করতেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। এমনই এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) তার বোন মাসুমা হাদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সেই সময়ের একটি ছবি শেয়ার করলে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ছবিটি ২০০৮ কিংবা ২০০৯ সালের।
সে সময় দাখিল ও আলিম পর্যায়ে ২০০ নম্বর করে বাংলা ও ইংরেজি না থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সারির কয়েকটি বিভাগ—বিশেষ করে বাংলা, ইংরেজি ও আইন—এ ভর্তি হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতেন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা। এ বৈষম্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন গড়ে ওঠে।
মাসুমা হাদি ফেসবুকে লিখেছেন, ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদ্রাসায় আলিম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় ওসমান বিন হাদি সহপাঠীদের নিয়ে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে স্মারকলিপিও দেন।
পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও সমালোচনার মুখে ২০১৩ সালে দাখিল ও আলিম সিলেবাসে ২০০ নম্বর করে বাংলা ও ইংরেজি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগে ভর্তির সুযোগ পান মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা।
ওসমান বিন হাদি ২০০৭ সালে দাখিল এবং ২০০৯ সালে আলিম পাস করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১০–১১ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়ে সেখান থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধ ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় ভুল: ওমান

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে ২০০৮ সালেই আন্দোলনে নেমেছিলেন ওসমান বিন হাদি

আপডেট সময় ০৪:৪৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কিছু বিভাগে একসময় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তি হওয়ার সুযোগ ছিল না। এর প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন ও কর্মসূচি পালন করতেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। এমনই এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) তার বোন মাসুমা হাদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সেই সময়ের একটি ছবি শেয়ার করলে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ছবিটি ২০০৮ কিংবা ২০০৯ সালের।
সে সময় দাখিল ও আলিম পর্যায়ে ২০০ নম্বর করে বাংলা ও ইংরেজি না থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সারির কয়েকটি বিভাগ—বিশেষ করে বাংলা, ইংরেজি ও আইন—এ ভর্তি হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতেন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা। এ বৈষম্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন গড়ে ওঠে।
মাসুমা হাদি ফেসবুকে লিখেছেন, ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদ্রাসায় আলিম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় ওসমান বিন হাদি সহপাঠীদের নিয়ে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে স্মারকলিপিও দেন।
পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও সমালোচনার মুখে ২০১৩ সালে দাখিল ও আলিম সিলেবাসে ২০০ নম্বর করে বাংলা ও ইংরেজি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগে ভর্তির সুযোগ পান মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা।
ওসমান বিন হাদি ২০০৭ সালে দাখিল এবং ২০০৯ সালে আলিম পাস করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১০–১১ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়ে সেখান থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।