ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অপারেশন সিঁদুর: নিহত সেনাদের তালিকা প্রকাশ ভারতের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আলোচনায় পাশে থাকবে চীন শাহজালাল (র.) মাজারের দানের অর্থে স্বচ্ছতা আনতে কমিটি, এক মাসের মধ্যে সুপারিশ সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে এক গ্রাম সোনার আংটি, ব্যতিক্রমী উদ্যোগে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয় হরমুজ প্রণালি থেকে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলার আয় করবে ইরান নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলে হত্যা, ভাইরাল ভিডিওতে তোলপাড় মাদক নির্মূলে ব্যবস্থা না নিলে এমপি পদ ছাড়ব, গোলাবাড়িতে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লংমার্চের হুঁশিয়ারি বিষাক্ত শুঁয়োপোকার আতঙ্কে জার্মানির একাধিক পার্ক বন্ধ স্পেন ম্যাচের আগে কোচের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ উরুগুয়ে শিবিরে জব্দ হেরোইনও কখনো ‘আটা-ময়দা’ হয়ে যায়, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে ২০০৮ সালেই আন্দোলনে নেমেছিলেন ওসমান বিন হাদি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কিছু বিভাগে একসময় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তি হওয়ার সুযোগ ছিল না। এর প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন ও কর্মসূচি পালন করতেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। এমনই এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) তার বোন মাসুমা হাদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সেই সময়ের একটি ছবি শেয়ার করলে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ছবিটি ২০০৮ কিংবা ২০০৯ সালের।
সে সময় দাখিল ও আলিম পর্যায়ে ২০০ নম্বর করে বাংলা ও ইংরেজি না থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সারির কয়েকটি বিভাগ—বিশেষ করে বাংলা, ইংরেজি ও আইন—এ ভর্তি হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতেন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা। এ বৈষম্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন গড়ে ওঠে।
মাসুমা হাদি ফেসবুকে লিখেছেন, ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদ্রাসায় আলিম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় ওসমান বিন হাদি সহপাঠীদের নিয়ে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে স্মারকলিপিও দেন।
পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও সমালোচনার মুখে ২০১৩ সালে দাখিল ও আলিম সিলেবাসে ২০০ নম্বর করে বাংলা ও ইংরেজি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগে ভর্তির সুযোগ পান মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা।
ওসমান বিন হাদি ২০০৭ সালে দাখিল এবং ২০০৯ সালে আলিম পাস করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১০–১১ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়ে সেখান থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অপারেশন সিঁদুর: নিহত সেনাদের তালিকা প্রকাশ ভারতের

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে ২০০৮ সালেই আন্দোলনে নেমেছিলেন ওসমান বিন হাদি

আপডেট সময় ০৪:৪৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কিছু বিভাগে একসময় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তি হওয়ার সুযোগ ছিল না। এর প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন ও কর্মসূচি পালন করতেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। এমনই এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) তার বোন মাসুমা হাদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সেই সময়ের একটি ছবি শেয়ার করলে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া ছবিটি ২০০৮ কিংবা ২০০৯ সালের।
সে সময় দাখিল ও আলিম পর্যায়ে ২০০ নম্বর করে বাংলা ও ইংরেজি না থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সারির কয়েকটি বিভাগ—বিশেষ করে বাংলা, ইংরেজি ও আইন—এ ভর্তি হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতেন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা। এ বৈষম্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন গড়ে ওঠে।
মাসুমা হাদি ফেসবুকে লিখেছেন, ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদ্রাসায় আলিম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় ওসমান বিন হাদি সহপাঠীদের নিয়ে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে স্মারকলিপিও দেন।
পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও সমালোচনার মুখে ২০১৩ সালে দাখিল ও আলিম সিলেবাসে ২০০ নম্বর করে বাংলা ও ইংরেজি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগে ভর্তির সুযোগ পান মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা।
ওসমান বিন হাদি ২০০৭ সালে দাখিল এবং ২০০৯ সালে আলিম পাস করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১০–১১ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়ে সেখান থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।