ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মোদির মন্তব্যে উত্তাল বাংলাদেশ, কুশপুত্তলিকা দাহ ও বিক্ষোভের ডাক ২৫ মার্চের আগে মুজিব বাহিনী গণহত্যা চালিয়েছিল: চট্টগ্রাম জামায়াত আমির নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর বিজয় দিবসের রাতে বীর মুক্তিযোদ্ধার কবর পোড়াল দুর্বৃত্তরা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রচিত ইতিহাসের ৯০ শতাংশই কল্পকাহিনী: আমির হামজা বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ ছাত্রদল নেতা আটক একাত্তর ও চব্বিশের দালালদের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি: নাহিদ চাকসু ভিপিকে মারতে তেড়ে আসলেন ছাত্রদল সভাপতি ফয়সাল আমার কাছে অনেক রাতে আসতেন, সকালে চলে যেতেন: রিমান্ডে স্ত্রী সামিয়া চব্বিশের আন্দোলনকারীরাও মুক্তিযোদ্ধা: উপদেষ্টা শারমীন

জাতীয় রাজনীতিতে এক্সপেরিমেন্ট করা উচিত সাদিক কায়েমকে: ফরিদ উদ্দিন রনি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:১৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৩৪ বার পড়া হয়েছে

লেখক ও সাংবাদিক ফরিদ উদ্দিন রনি বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) ও ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা সম্পাদক আবু সাদিক কায়েমকে এখনই জাতীয় রাজনীতিতে এক্সপেরিমেন্ট করা উচিত। তিনি ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে তৎকালীন ডাকসু ভিপি আমানউল্লাহ আমানের উদাহরণ টেনে একই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে ফরিদ উদ্দিন রনি লিখেছেন,
“১৯৯১ সালে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে বেগম জিয়া ডাকসুর ভিপি আমানউল্লাহ আমানকে ডাকেন এবং তাকে প্রার্থী হতে বলেন। যদিও তখন তার মেয়াদ শেষ হতে ছয় মাস বাকি ছিল, কিন্তু তরুণ নেতৃত্বের সাহসিকতা ও গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনা করে বেগম জিয়া তাকে মনোনয়ন দেন। আওয়ামী লীগের শক্তিশালী প্রার্থী মোস্তফা মহসিন মন্টুর বিপক্ষে দাঁড়িয়ে বিপুল ভোটে জয় পান আমানউল্লাহ আমান, যা তার জাতীয় রাজনীতিতে উত্থানের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।”

রনি বলেন, “বর্তমান প্রেক্ষাপটে ৯১ সালের আমানউল্লাহর সঙ্গে সাদিক কায়েমের তুলনা টানা যায়। সাদিক ক্লিন ইমেজের ছাত্রনেতা, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম ফেইস এবং এখনো পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো বড় অভিযোগ নেই। ছাত্রদের আস্থা অর্জন এবং শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রমের মাধ্যমে সে ইতোমধ্যেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জামায়াত এখনই সাদিককে জাতীয় রাজনীতিতে আনতে পারে। সময় যত যাবে, তার জনপ্রিয়তা ধরে রাখা কঠিন হয়ে যাবে। তাই এই নির্বাচনে তাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়ে জামায়াত যদি পরোক্ষ সমর্থন দেয়, সেটি হতে পারে একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।”

সবশেষে ফরিদ উদ্দিন রনি মন্তব্য করেন, “জামায়াতের সিনিয়র নেতারা হয়তো ঝুঁকি নিতে চাইবেন না, কিন্তু সাদিক যদি সাহস করে দাঁড়ায়—এটাই হবে তার জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত। অন্য তরুণ নেতাদের আগে সে জাতীয় রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সর্বোচ্চ সম্ভাবনাময় মুখ।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মোদির মন্তব্যে উত্তাল বাংলাদেশ, কুশপুত্তলিকা দাহ ও বিক্ষোভের ডাক

জাতীয় রাজনীতিতে এক্সপেরিমেন্ট করা উচিত সাদিক কায়েমকে: ফরিদ উদ্দিন রনি

আপডেট সময় ০৮:১৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

লেখক ও সাংবাদিক ফরিদ উদ্দিন রনি বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) ও ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা সম্পাদক আবু সাদিক কায়েমকে এখনই জাতীয় রাজনীতিতে এক্সপেরিমেন্ট করা উচিত। তিনি ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে তৎকালীন ডাকসু ভিপি আমানউল্লাহ আমানের উদাহরণ টেনে একই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে ফরিদ উদ্দিন রনি লিখেছেন,
“১৯৯১ সালে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে বেগম জিয়া ডাকসুর ভিপি আমানউল্লাহ আমানকে ডাকেন এবং তাকে প্রার্থী হতে বলেন। যদিও তখন তার মেয়াদ শেষ হতে ছয় মাস বাকি ছিল, কিন্তু তরুণ নেতৃত্বের সাহসিকতা ও গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনা করে বেগম জিয়া তাকে মনোনয়ন দেন। আওয়ামী লীগের শক্তিশালী প্রার্থী মোস্তফা মহসিন মন্টুর বিপক্ষে দাঁড়িয়ে বিপুল ভোটে জয় পান আমানউল্লাহ আমান, যা তার জাতীয় রাজনীতিতে উত্থানের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।”

রনি বলেন, “বর্তমান প্রেক্ষাপটে ৯১ সালের আমানউল্লাহর সঙ্গে সাদিক কায়েমের তুলনা টানা যায়। সাদিক ক্লিন ইমেজের ছাত্রনেতা, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম ফেইস এবং এখনো পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো বড় অভিযোগ নেই। ছাত্রদের আস্থা অর্জন এবং শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রমের মাধ্যমে সে ইতোমধ্যেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জামায়াত এখনই সাদিককে জাতীয় রাজনীতিতে আনতে পারে। সময় যত যাবে, তার জনপ্রিয়তা ধরে রাখা কঠিন হয়ে যাবে। তাই এই নির্বাচনে তাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়ে জামায়াত যদি পরোক্ষ সমর্থন দেয়, সেটি হতে পারে একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত।”

সবশেষে ফরিদ উদ্দিন রনি মন্তব্য করেন, “জামায়াতের সিনিয়র নেতারা হয়তো ঝুঁকি নিতে চাইবেন না, কিন্তু সাদিক যদি সাহস করে দাঁড়ায়—এটাই হবে তার জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত। অন্য তরুণ নেতাদের আগে সে জাতীয় রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সর্বোচ্চ সম্ভাবনাময় মুখ।”