ঢাকা , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা বাউফলে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই, প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ইরানের হরমুজ নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেল প্রতি গুনতে হবে ১ ডলার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, ফের খুলছে শ্রমবাজার আবু সাঈদের মরদেহে গুলির অস্তিত্ব প্রমাণ হয়নি: আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলিকপ্টারে গিয়ে নয়, নিজ কক্ষে বসেই দেখব কোন স্কুলে কী হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ভোট বর্জন করলেন শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে রাশিয়ান দূতাবাসে মাওলানা মামুনুল হক এই সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচনেই কারচুপি-অনিয়ম ঘটছে: পরওয়ার ‘জঙ্গি এমপি’ অপবাদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্যের বিশেষ অধিকারের নোটিশ

বাংলাদেশ কখনো আফগানিস্তান হবে না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানি প্রশাসনের মুখপাত্র ফাতেমা মোহাজেরানি অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেছেন, বর্তমান সংঘাত ইরান শুরু না করলেও এই যুদ্ধের সমাপ্তি টানার দায়িত্ব তারা নিজেরাই গ্রহণ করবে। আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আধাসরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে তিনি এই মন্তব্য করেন। সরাসরি সম্প্রচারিত ওই বক্তব্যে তিনি পরিষ্কার করে বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ শুরু করিনি, কিন্তু আমরাই এই যুদ্ধ শেষ করার দায়িত্ব নিয়েছি।তার এই মন্তব্য মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইরানের অনড় অবস্থানকেই বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে।

বিবৃতিতে মোহাজেরানি মধ্যস্থতা বা আলোচনার জন্য বিশেষ কিছু শর্তারোপ করেছেন। তার মতে, কোনো ধরনের আলোচনা বা মধ্যস্থতা তখনই সফল হতে পারে যখন কেবল যুদ্ধবিরতি নয়, বরং হামলার পূর্ণাঙ্গ অবসান ঘটবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। তিনি বলেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এটিই ইরানি জনগণের প্রধান দাবি এবং এই নিশ্চয়তা ছাড়া আলোচনার পথে হাঁটা সম্ভব নয়।বিদ্বেষ থেমে গেলে কেবলমাত্র আলোচনার পথ খোলা যাবেউল্লেখ করে তিনি জানান, যুদ্ধ সম্পূর্ণভাবে থামলেই কেবল ইরান আলোচনার টেবিলে বসার কথা বিবেচনা করতে পারে।

ফাতেমা মোহাজেরানি আশা প্রকাশ করেছেন যে চলমান শত্রুতা ও সংঘাত দ্রুতই বন্ধ হবে, তবে যেকোনো ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে ইরান পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। তার বক্তব্যে ফুটে উঠেছে, ইরান বর্তমান এই আঞ্চলিক অস্থিরতাকে দীর্ঘায়িত করতে চায় না, কিন্তু সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এলে তারা এর চূড়ান্ত ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত পিছু হটবে না। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, জনগণের নিরাপত্তা এবং জাতীয় নিশ্চয়তার প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোহাজেরানির এই বক্তব্য মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কঠোর হুমকির পাল্টা প্রতিক্রিয়া। ইরান এই বার্তার মাধ্যমে এটিই বোঝাতে চেয়েছে যে, তারা যুদ্ধের উস্কানিদাতা নয়, তবে আক্রান্ত হলে সেই যুদ্ধকে নিজস্ব শক্তিতে সমাপ্ত করার সক্ষমতা তাদের রয়েছে। বর্তমান এই সংকটময় মুহূর্তে তেহরান যে কেবল সামরিকভাবে নয়, বরং রাজনৈতিকভাবেও সুনির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে, তা এই মুখপাত্রের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা

বাংলাদেশ কখনো আফগানিস্তান হবে না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৩৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

এবার ইরানি প্রশাসনের মুখপাত্র ফাতেমা মোহাজেরানি অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেছেন, বর্তমান সংঘাত ইরান শুরু না করলেও এই যুদ্ধের সমাপ্তি টানার দায়িত্ব তারা নিজেরাই গ্রহণ করবে। আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আধাসরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে তিনি এই মন্তব্য করেন। সরাসরি সম্প্রচারিত ওই বক্তব্যে তিনি পরিষ্কার করে বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ শুরু করিনি, কিন্তু আমরাই এই যুদ্ধ শেষ করার দায়িত্ব নিয়েছি।তার এই মন্তব্য মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইরানের অনড় অবস্থানকেই বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে।

বিবৃতিতে মোহাজেরানি মধ্যস্থতা বা আলোচনার জন্য বিশেষ কিছু শর্তারোপ করেছেন। তার মতে, কোনো ধরনের আলোচনা বা মধ্যস্থতা তখনই সফল হতে পারে যখন কেবল যুদ্ধবিরতি নয়, বরং হামলার পূর্ণাঙ্গ অবসান ঘটবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। তিনি বলেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এটিই ইরানি জনগণের প্রধান দাবি এবং এই নিশ্চয়তা ছাড়া আলোচনার পথে হাঁটা সম্ভব নয়।বিদ্বেষ থেমে গেলে কেবলমাত্র আলোচনার পথ খোলা যাবেউল্লেখ করে তিনি জানান, যুদ্ধ সম্পূর্ণভাবে থামলেই কেবল ইরান আলোচনার টেবিলে বসার কথা বিবেচনা করতে পারে।

ফাতেমা মোহাজেরানি আশা প্রকাশ করেছেন যে চলমান শত্রুতা ও সংঘাত দ্রুতই বন্ধ হবে, তবে যেকোনো ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে ইরান পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। তার বক্তব্যে ফুটে উঠেছে, ইরান বর্তমান এই আঞ্চলিক অস্থিরতাকে দীর্ঘায়িত করতে চায় না, কিন্তু সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এলে তারা এর চূড়ান্ত ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত পিছু হটবে না। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, জনগণের নিরাপত্তা এবং জাতীয় নিশ্চয়তার প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোহাজেরানির এই বক্তব্য মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কঠোর হুমকির পাল্টা প্রতিক্রিয়া। ইরান এই বার্তার মাধ্যমে এটিই বোঝাতে চেয়েছে যে, তারা যুদ্ধের উস্কানিদাতা নয়, তবে আক্রান্ত হলে সেই যুদ্ধকে নিজস্ব শক্তিতে সমাপ্ত করার সক্ষমতা তাদের রয়েছে। বর্তমান এই সংকটময় মুহূর্তে তেহরান যে কেবল সামরিকভাবে নয়, বরং রাজনৈতিকভাবেও সুনির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে, তা এই মুখপাত্রের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা