ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আ. লীগ জাতির কাছে ক্ষমা চাইবে কিনা-প্রশ্নে আ স ম ফিরোজ বললেন, ‘আমি মনে করি না’ ফাঁসির আতঙ্কে আ.লীগের পলাতক নেতারা, হাসিনার সিদ্ধান্তে চরম ক্ষোভ ও হতাশা সৌদি আরবে হামলায় ক্ষুব্ধ পাকিস্তান, মক্কা চুক্তি সক্রিয় করার হুঁশিয়ারি আলোচনা না করে ভাইভায় নম্বর বাড়ালে কঠোর আন্দোলন: হুঁশিয়ারি নাহিদ ইসলামের সরকার বলছে সারের সংকট নেই, কৃষক সার পাচ্ছে না কেন—বিরোধী দলের প্রশ্ন আড়াই বছরের মেয়েকে রেখে চিরবিদায় সেনাসদস্য রিফাতের, গ্রামজুড়ে শোকের মাতম ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান টুকুর ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধে সরকার ও বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান টুকুর জোর করে ধর্ম পালনে বাধ্য করা যাবে না: স্পিকার ইবি শিবির নেতাকে থাপ্পড়ের জেরে সংঘর্ষ, অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মী হলের অবৈধ শিক্ষার্থী

আ. লীগ জাতির কাছে ক্ষমা চাইবে কিনা-প্রশ্নে আ স ম ফিরোজ বললেন, ‘আমি মনে করি না’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪৯:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে শিক্ষার্থী নাইম হাওলাদার হত্যা ও তারেক চৌকিদারকে হত্যাচেষ্টা মামলায় পটুয়াখালী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজকে ফের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আজ বুধবার তদন্ত কর্মকর্তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালত তাকে দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। এ সময় কারাগার থেকে ফিরোজকে আদালতে হাজির করা হয়।

আদালতে নেওয়ার পথে সাংবাদিকদের আ স ম ফিরোজ বলেন, ‘এক মামলায় দুই বছরের সাজা খাটলাম। জামিন হয়েছে। আবার অ্যারেস্ট দেখাল। একটা মামলায় জামিন পেলে আরেকটা মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট। এটা কি আইন।’

আওয়ামী লীগ জাতির কাছে ক্ষমা চাইবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি ক্ষমা চাইলে তো হবে না। যে ক্ষমা চাওয়ার যোগ্য, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে। আমি মনে করি না এ মুহূর্তে ক্ষমা চাওয়ার (জাতির কাছে) প্রয়োজন আছে।’

পরে তাকে এজলাসে নেওয়া হলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন-অর-রশীদ গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। আ স ম ফিরোজের পক্ষে আইনজীবী কামাল হোসেন বিশ্বাস ও শফিকুল ইসলাম স্বপন গ্রেপ্তার না দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন।

এরপর আদালতের অনুমতি নিয়ে আ স ম ফিরোজ বলেন, ‘আমার বয়স ৭৮ বছর। দুই বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে আছি। আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। দেশের জন্য যুদ্ধ করেছি। আটবারের সংসদ সদস্য। আমি কোনো অন্যায়-অবিচার করিনি। কোনো অপরাধ করিনি। আমি অসুস্থ, আমাকে চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এক মামলায় জামিন পেলে, নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়।’

শুনানি শেষে আদালত তাকে দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে তার চিকিৎসার জন্য আবেদন করা হলে আদালত কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

আ স ম ফিরোজের আরেক আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন বলেন, ‘চার মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান তিনি। তিনি যখন কারামুক্ত হবেন, তখনই তাকে এ দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো। তিনি যেন কারামুক্ত হতে না পারেন, এজন্য তাকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো।’

২০২৪ সালের ২৩ আগস্ট রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে আ স ম ফিরোজকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আ. লীগ জাতির কাছে ক্ষমা চাইবে কিনা-প্রশ্নে আ স ম ফিরোজ বললেন, ‘আমি মনে করি না’

আ. লীগ জাতির কাছে ক্ষমা চাইবে কিনা-প্রশ্নে আ স ম ফিরোজ বললেন, ‘আমি মনে করি না’

আপডেট সময় ০১:৪৯:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে শিক্ষার্থী নাইম হাওলাদার হত্যা ও তারেক চৌকিদারকে হত্যাচেষ্টা মামলায় পটুয়াখালী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজকে ফের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আজ বুধবার তদন্ত কর্মকর্তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালত তাকে দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। এ সময় কারাগার থেকে ফিরোজকে আদালতে হাজির করা হয়।

আদালতে নেওয়ার পথে সাংবাদিকদের আ স ম ফিরোজ বলেন, ‘এক মামলায় দুই বছরের সাজা খাটলাম। জামিন হয়েছে। আবার অ্যারেস্ট দেখাল। একটা মামলায় জামিন পেলে আরেকটা মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট। এটা কি আইন।’

আওয়ামী লীগ জাতির কাছে ক্ষমা চাইবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি ক্ষমা চাইলে তো হবে না। যে ক্ষমা চাওয়ার যোগ্য, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে। আমি মনে করি না এ মুহূর্তে ক্ষমা চাওয়ার (জাতির কাছে) প্রয়োজন আছে।’

পরে তাকে এজলাসে নেওয়া হলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন-অর-রশীদ গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। আ স ম ফিরোজের পক্ষে আইনজীবী কামাল হোসেন বিশ্বাস ও শফিকুল ইসলাম স্বপন গ্রেপ্তার না দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন।

এরপর আদালতের অনুমতি নিয়ে আ স ম ফিরোজ বলেন, ‘আমার বয়স ৭৮ বছর। দুই বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে আছি। আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। দেশের জন্য যুদ্ধ করেছি। আটবারের সংসদ সদস্য। আমি কোনো অন্যায়-অবিচার করিনি। কোনো অপরাধ করিনি। আমি অসুস্থ, আমাকে চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এক মামলায় জামিন পেলে, নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়।’

শুনানি শেষে আদালত তাকে দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে তার চিকিৎসার জন্য আবেদন করা হলে আদালত কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

আ স ম ফিরোজের আরেক আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন বলেন, ‘চার মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান তিনি। তিনি যখন কারামুক্ত হবেন, তখনই তাকে এ দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো। তিনি যেন কারামুক্ত হতে না পারেন, এজন্য তাকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো।’

২০২৪ সালের ২৩ আগস্ট রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে আ স ম ফিরোজকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।