ঢাকা , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তেল আবিবের রাস্তায় নেমে এল হাজার হাজার মানুষ ২ মাসের মধ্যে তেল শোধন ক্ষমতা ৮০ শতাংশে ফেরাতে চায় ইরান জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজির মাধ্যমে সংসদে যাত্রা শুরু করেছে বিএনপি: জামায়াতে আমির এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শনে এমপিরা যেতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে কোনো দলের ব্যানারে দেখতে চাই না: সারজিস আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়লো ইরানি প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসঘাতকতা ও বিদ্বেষের কথা আমরা ভুলব না: ইরান সরকারের সিদ্ধান্তেই ইন্টারনেট বন্ধ হয়: জয়-পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন আইএসপিএবি সভাপতি ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

মানিকগঞ্জে ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ ঘিরে বিএনপি নেতাকে গাছে বেঁধে রাখলো এলাকাবাসী, বিয়ের সিদ্ধান্তে সমঝোতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • ৭৩৭ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার ধামশ্বর ইউনিয়নে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে ‘অনৈতিক সম্পর্কের’ অভিযোগে বিএনপির এক ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকে রাতভর গাছে বেঁধে রাখার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে চর দেশগ্রামে স্থানীয়দের হাতে আটক হন ধামশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মুনজেল (৪৫)।

প্রবাসীর ঘরে অনধিকার প্রবেশের পরই এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়েন তিনি। রাতভর গাছে বাঁধা অবস্থায় রাখার পর শনিবার সকাল পর্যন্ত এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। আটক হওয়া নারীর স্বামী বিদেশে থাকলেও সম্প্রতি তাদের ‘সম্পর্ক’ নিয়ে গ্রামজুড়ে গুঞ্জন চলছিল বলে স্থানীয়রা জানান।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর এম আল-মামুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ধামশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিস জানান, উভয় পক্ষ বিয়েতে রাজি হওয়ায় এবং প্রবাসী স্বামী স্ত্রীকে আর গ্রহণ করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় গ্রামের গণ্যমান্যদের উপস্থিতিতে সামাজিক মীমাংসার পথে অগ্রসর হচ্ছে ঘটনা। এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

ধামশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান পিন্টু বলেন, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। উভয়েই অনৈতিক সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে মনজেলের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গ্রামের সাধারণ মানুষ এমন ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বলছেন, রাজনীতি বা দলীয় পরিচয় থাকলেই কেউ দায় এড়াতে পারে না। নেতাদের ব্যক্তিজীবনেও জবাবদিহিতা থাকা উচিত। সামাজিক মূল্যবোধের জায়গা থেকেই এলাকাবাসী এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন বলেও অনেকে মন্তব্য করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম

মানিকগঞ্জে ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ ঘিরে বিএনপি নেতাকে গাছে বেঁধে রাখলো এলাকাবাসী, বিয়ের সিদ্ধান্তে সমঝোতা

আপডেট সময় ১২:০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার ধামশ্বর ইউনিয়নে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে ‘অনৈতিক সম্পর্কের’ অভিযোগে বিএনপির এক ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকে রাতভর গাছে বেঁধে রাখার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে চর দেশগ্রামে স্থানীয়দের হাতে আটক হন ধামশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মুনজেল (৪৫)।

প্রবাসীর ঘরে অনধিকার প্রবেশের পরই এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়েন তিনি। রাতভর গাছে বাঁধা অবস্থায় রাখার পর শনিবার সকাল পর্যন্ত এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। আটক হওয়া নারীর স্বামী বিদেশে থাকলেও সম্প্রতি তাদের ‘সম্পর্ক’ নিয়ে গ্রামজুড়ে গুঞ্জন চলছিল বলে স্থানীয়রা জানান।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর এম আল-মামুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ধামশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিস জানান, উভয় পক্ষ বিয়েতে রাজি হওয়ায় এবং প্রবাসী স্বামী স্ত্রীকে আর গ্রহণ করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় গ্রামের গণ্যমান্যদের উপস্থিতিতে সামাজিক মীমাংসার পথে অগ্রসর হচ্ছে ঘটনা। এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

ধামশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান পিন্টু বলেন, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। উভয়েই অনৈতিক সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে মনজেলের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গ্রামের সাধারণ মানুষ এমন ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বলছেন, রাজনীতি বা দলীয় পরিচয় থাকলেই কেউ দায় এড়াতে পারে না। নেতাদের ব্যক্তিজীবনেও জবাবদিহিতা থাকা উচিত। সামাজিক মূল্যবোধের জায়গা থেকেই এলাকাবাসী এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন বলেও অনেকে মন্তব্য করেন।