ঢাকা , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
একটি হয়েছে ১৫ বছরের দুর্নীতি আর ১৮ মাস ভুল নীতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মেয়ের বিয়ের পাত্র নিয়ে পালালেন মা যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব, বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০ ইরান বিশ্বকাপে অংশ নেবে কি না, জানালেন ফিফা সভাপতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে সাদিক কায়েমকে প্রার্থী ঘোষণা একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার টুঙ্গিপাড়ায় পঙ্গু স্বামী ও শিশুকন্যাকে রেখে স্ত্রীর পলায়ন ব্যারাক থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ কলাবাগান থানার এসআই রাকিবুল সরকার-বিরোধী দলের যে কেউ ব্যর্থ হলে পুরো সংসদ ব্যর্থ হবে: প্রধানমন্ত্রী

মার্কিন মিত্রতা নিয়ে নতুন করে ভাবছে আরব দেশগুলো

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

ইরানের সঙ্গে চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব নতুন করে মূল্যায়নের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন হুসেইন ইবিশ

Arab Gulf States Institute–এর জ্যেষ্ঠ আবাসিক স্কলার ইবিশ মনে করেন, মার্কিন সামরিক উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও উপসাগরীয় দেশগুলো ধারাবাহিক হামলার মুখে পড়ায় এই জোটের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য একটি “গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ”। তাঁর মতে, এই সংকটের সূত্রপাত অন্তত বারাক ওবামা প্রশাসনের সময় থেকে, যখন সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত ‘রেড লাইন’ কার্যকরভাবে প্রয়োগ করতে পারেনি।

ইবিশ বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি থাকা এবং ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা অংশীদার হওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, বাস্তবে তা দেশগুলোকে অস্থিতিশীলতা থেকে রক্ষা করতে পারছে না।

তিনি উদাহরণ হিসেবে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলা এবং পরবর্তী সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের আক্রমণের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এসব ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামো প্রত্যাশিত সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

ইবিশ আরও বলেন, হামাস–ইসরাইল আলোচনার সময়ও ইসরাইলি হামলার ঝুঁকি থেকে কাতার নিরাপদ ছিল না। তাঁর মতে, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)ভুক্ত ছয়টি দেশের সবারই ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও তারা বিভিন্ন সময়ে ইরান-সম্পর্কিত নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে, কিন্তু তেহরানের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কঠোর পরিণতি দেখা যায়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

একটি হয়েছে ১৫ বছরের দুর্নীতি আর ১৮ মাস ভুল নীতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

মার্কিন মিত্রতা নিয়ে নতুন করে ভাবছে আরব দেশগুলো

আপডেট সময় ০৮:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব নতুন করে মূল্যায়নের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন হুসেইন ইবিশ

Arab Gulf States Institute–এর জ্যেষ্ঠ আবাসিক স্কলার ইবিশ মনে করেন, মার্কিন সামরিক উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও উপসাগরীয় দেশগুলো ধারাবাহিক হামলার মুখে পড়ায় এই জোটের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য একটি “গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ”। তাঁর মতে, এই সংকটের সূত্রপাত অন্তত বারাক ওবামা প্রশাসনের সময় থেকে, যখন সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত ‘রেড লাইন’ কার্যকরভাবে প্রয়োগ করতে পারেনি।

ইবিশ বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি থাকা এবং ওয়াশিংটনের নিরাপত্তা অংশীদার হওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, বাস্তবে তা দেশগুলোকে অস্থিতিশীলতা থেকে রক্ষা করতে পারছে না।

তিনি উদাহরণ হিসেবে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলা এবং পরবর্তী সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের আক্রমণের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এসব ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামো প্রত্যাশিত সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

ইবিশ আরও বলেন, হামাস–ইসরাইল আলোচনার সময়ও ইসরাইলি হামলার ঝুঁকি থেকে কাতার নিরাপদ ছিল না। তাঁর মতে, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)ভুক্ত ছয়টি দেশের সবারই ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও তারা বিভিন্ন সময়ে ইরান-সম্পর্কিত নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে, কিন্তু তেহরানের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো কঠোর পরিণতি দেখা যায়নি।