ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা সরকার খতিয়ে দেখছে: তথ্য উপদেষ্টা যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ছোট্ট দ্বীপদেশ কেপ ভার্দেতে ইসলামের নীরব পদচারণা ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য ২০টি রেলকোচ প্রস্তুত করেছে ভারত মানবতাবিরোধী অপরাধে ১০ বছরের কারাদণ্ড হাসানুল হক ইনুর পলাতক হাসিনার কোনো খবর প্রকাশ করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায়ে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা ‘হাত ধরবেন না’, এজলাসে তোলার সময় পুলিশকে ইনু ১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্র হয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী

মোদির হুমকির পর পাকিস্তানের পাল্টা হুঁশিয়ারি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:০৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • ৭৫২ বার পড়া হয়েছে

এবার পেহেলগাম ইস্যুতে টানা দুই সপ্তাহের বেশি উত্তেজনা ও সংঘাতের পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে এখন যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে সোমবার জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে পাকিস্তানকে আবারও হুমকি দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে আবারও পাকিস্তানের সীমানায় হামলা চালাবে ভারত।

এদিকে মোদির এমন হুমকির পর পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে পাকিস্তানও। মঙ্গলবার (১৩ মে) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পাকিস্তানের ওপর ভবিষ্যতের যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে। আঘাত যত শক্ত হবে, প্রতিঘাত তত কঠিন হবে।

সোমবার মোদি তার ভাষণে পাকিস্তানকে সতর্ক করে বলেন, যদি ভারতের ওপর আবার কোনো সন্ত্রাসী হামলা হয় তাহলে সীমান্তে ‘সন্ত্রাসীদের আস্তানায়’ আবারও হামলা চালাবে ভারত। এ ক্ষেত্রে পারমাণবিক হামলার ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না। মোদির এই মন্তব্যের পর মঙ্গলবার এর প্রতিবাদ জানায় ইসলামাবাদ।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মোদির ভাষণের সমালোচনা করে বলেছে, মোদির বক্তব্য উসকানিমূলক। যখন এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা চলছে, তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য উত্তেজনা বৃদ্ধিকেই নির্দেশ করে। পাকিস্তান বর্তমান যুদ্ধবিরতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে, উত্তেজনা নিরসন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার দিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। কিন্তু ভবিষ্যতের যে কোনো ধরনের আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে। আঘাত যত শক্ত হবে- প্রতিঘাত তত কঠিন হবে।

এদিকে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ভারতকে খোচা দিয়ে বলেছেন, পাইলটদের সাহস না থাকলে রাফাল যুদ্ধবিমান দিয়েও কিছু হবে না। ভারত আঞ্চলিক আধিপত্য দেখাতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই মুহূর্তে পাকিস্তান অঞ্চলিক কৌশলগত সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে। পাকিস্তানি সাহসী সেনারা জানে কীভাবে দেশের সম্মান রক্ষা করতে হয়।

উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শুরু থেকেই পাকিস্তানকে দোষারোপ করছে ভারত। তবে, হামলায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার এবং একটি বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ তদন্তে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে আসছে ইসলামাবাদ। তারপরেও পাকিস্তানকে দায়ী করে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। পাল্টা ব্যবস্থা নেয় পাকিস্তানও।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা সরকার খতিয়ে দেখছে: তথ্য উপদেষ্টা

মোদির হুমকির পর পাকিস্তানের পাল্টা হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ০৭:০৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

এবার পেহেলগাম ইস্যুতে টানা দুই সপ্তাহের বেশি উত্তেজনা ও সংঘাতের পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে এখন যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে সোমবার জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে পাকিস্তানকে আবারও হুমকি দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে আবারও পাকিস্তানের সীমানায় হামলা চালাবে ভারত।

এদিকে মোদির এমন হুমকির পর পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে পাকিস্তানও। মঙ্গলবার (১৩ মে) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পাকিস্তানের ওপর ভবিষ্যতের যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে। আঘাত যত শক্ত হবে, প্রতিঘাত তত কঠিন হবে।

সোমবার মোদি তার ভাষণে পাকিস্তানকে সতর্ক করে বলেন, যদি ভারতের ওপর আবার কোনো সন্ত্রাসী হামলা হয় তাহলে সীমান্তে ‘সন্ত্রাসীদের আস্তানায়’ আবারও হামলা চালাবে ভারত। এ ক্ষেত্রে পারমাণবিক হামলার ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না। মোদির এই মন্তব্যের পর মঙ্গলবার এর প্রতিবাদ জানায় ইসলামাবাদ।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মোদির ভাষণের সমালোচনা করে বলেছে, মোদির বক্তব্য উসকানিমূলক। যখন এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা চলছে, তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য উত্তেজনা বৃদ্ধিকেই নির্দেশ করে। পাকিস্তান বর্তমান যুদ্ধবিরতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে, উত্তেজনা নিরসন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার দিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। কিন্তু ভবিষ্যতের যে কোনো ধরনের আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে। আঘাত যত শক্ত হবে- প্রতিঘাত তত কঠিন হবে।

এদিকে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ভারতকে খোচা দিয়ে বলেছেন, পাইলটদের সাহস না থাকলে রাফাল যুদ্ধবিমান দিয়েও কিছু হবে না। ভারত আঞ্চলিক আধিপত্য দেখাতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই মুহূর্তে পাকিস্তান অঞ্চলিক কৌশলগত সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে। পাকিস্তানি সাহসী সেনারা জানে কীভাবে দেশের সম্মান রক্ষা করতে হয়।

উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শুরু থেকেই পাকিস্তানকে দোষারোপ করছে ভারত। তবে, হামলায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার এবং একটি বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ তদন্তে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে আসছে ইসলামাবাদ। তারপরেও পাকিস্তানকে দায়ী করে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। পাল্টা ব্যবস্থা নেয় পাকিস্তানও।