ঢাকা , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিদেশে অর্থ বিনিয়োগের ধূলিকণারও প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: আসিফ মাহমুদ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন এমকিউ-১ ড্রো’ন ভূ’পা’তি’ত করল ই’রা’ন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে লোডশেডিং, পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুতের জিএম স্ট্যান্ড রিলিজ কার অনুরোধে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে বৈঠক স্থগিত, জানাল ইরান আ.লীগ নেতার গোডাউন থেকে সার জব্দ কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা স্থানীয় নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং বরদাশত করা হবে না চাঁদাবাজি ও দখলবাজির কবর রচনা করবে বিরোধী দল: জামায়াত আমির দলীয়করণ অব্যাহত রেখে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যাবে না: গোলাম পরওয়ার অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন এমকিউ-১ ড্রো’ন ভূ’পা’তি’ত করল ই’রা’ন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

হরমুজ প্রণালির আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উন্নত এমকিউ-১ ড্রোন শনাক্ত করে ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। খবর প্রেস টিভির।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তর জানায়, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের পরিচালিত একটি উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটি শনাক্ত করে এবং সেটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণে অভিযানটি পরিচালিত হয় বলেও জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালির আকাশে উন্নত এমকিউ-১ ড্রোনটি শনাক্ত করার পর ভূপাতিত করা হয়েছে।

এর আগে গত সপ্তাহেও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির আকাশে একটি মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছিল ইরানের সেনাবাহিনী। দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, দক্ষিণ-পূর্ব ইরানে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ড্রোনটি শনাক্ত, অনুসরণ ও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার পর ধ্বংস করে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের মধ্যে হরমুজ প্রণালি ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সংঘাতের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রণালি ও এর আশপাশের সামুদ্রিক তৎপরতার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করার চেষ্টা করছে তেহরান।

গত এক দশকে মার্কিন বেশ কয়েকটি উচ্চমূল্যের সামরিক সম্পদ ভূপাতিত বা জব্দ করার দাবি করেছে ইরান। এর মধ্যে রয়েছে আরকিউ-১৭০ সেন্টিনেল স্টেলথ ড্রোন, এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং পারস্য উপসাগরে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের পানির নিচের গ্লাইডার ও পৃষ্ঠযান।

জব্দ করা এসব প্রযুক্তির বিপরীত প্রকৌশল বিশ্লেষণ ইরানের নিজস্ব ড্রোন ও চালকবিহীন নৌযান কর্মসূচি দ্রুত এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর ইরান দুই ডজনের বেশি এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস করেছে। এটি যুদ্ধ শুরুর আগে পেন্টাগনের হাতে থাকা এমকিউ-৯ বহরের প্রায় ২০ শতাংশের সমান বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিটি এমকিউ-৯ ড্রোনের মূল্য প্রায় ৩ কোটি ডলার ধরে এতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি ডলার হতে পারে।

ব্লুমবার্গ ও ‘দ্য ওয়ার জোন’-এর প্রতিবেদনে মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া সাক্ষ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কার্যকর এমকিউ-৯ রিপার বহর এখন প্রায় ১৩৫টিতে নেমে এসেছে। অথচ মার্কিন বিমানবাহিনীর নিজস্ব ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সংখ্যা ১৮৯টি।

এদিকে এমকিউ-৯-এর নির্মাতা জেনারেল অ্যাটমিকস জানিয়েছে, নতুন করে কেনার জন্য ১০টিরও কম ড্রোনের এয়ারফ্রেম অবশিষ্ট রয়েছে। এমকিউ-৯এ রিপারের উৎপাদন লাইনও বন্ধ হয়ে গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র : প্রেস টিভি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশে অর্থ বিনিয়োগের ধূলিকণারও প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: আসিফ মাহমুদ

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন এমকিউ-১ ড্রো’ন ভূ’পা’তি’ত করল ই’রা’ন

আপডেট সময় ১১:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হরমুজ প্রণালির আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উন্নত এমকিউ-১ ড্রোন শনাক্ত করে ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। খবর প্রেস টিভির।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তর জানায়, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের পরিচালিত একটি উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনটি শনাক্ত করে এবং সেটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণে অভিযানটি পরিচালিত হয় বলেও জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালির আকাশে উন্নত এমকিউ-১ ড্রোনটি শনাক্ত করার পর ভূপাতিত করা হয়েছে।

এর আগে গত সপ্তাহেও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির আকাশে একটি মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছিল ইরানের সেনাবাহিনী। দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, দক্ষিণ-পূর্ব ইরানে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ড্রোনটি শনাক্ত, অনুসরণ ও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার পর ধ্বংস করে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের মধ্যে হরমুজ প্রণালি ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সংঘাতের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রণালি ও এর আশপাশের সামুদ্রিক তৎপরতার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করার চেষ্টা করছে তেহরান।

গত এক দশকে মার্কিন বেশ কয়েকটি উচ্চমূল্যের সামরিক সম্পদ ভূপাতিত বা জব্দ করার দাবি করেছে ইরান। এর মধ্যে রয়েছে আরকিউ-১৭০ সেন্টিনেল স্টেলথ ড্রোন, এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং পারস্য উপসাগরে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের পানির নিচের গ্লাইডার ও পৃষ্ঠযান।

জব্দ করা এসব প্রযুক্তির বিপরীত প্রকৌশল বিশ্লেষণ ইরানের নিজস্ব ড্রোন ও চালকবিহীন নৌযান কর্মসূচি দ্রুত এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর ইরান দুই ডজনের বেশি এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস করেছে। এটি যুদ্ধ শুরুর আগে পেন্টাগনের হাতে থাকা এমকিউ-৯ বহরের প্রায় ২০ শতাংশের সমান বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিটি এমকিউ-৯ ড্রোনের মূল্য প্রায় ৩ কোটি ডলার ধরে এতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি ডলার হতে পারে।

ব্লুমবার্গ ও ‘দ্য ওয়ার জোন’-এর প্রতিবেদনে মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া সাক্ষ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কার্যকর এমকিউ-৯ রিপার বহর এখন প্রায় ১৩৫টিতে নেমে এসেছে। অথচ মার্কিন বিমানবাহিনীর নিজস্ব ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সংখ্যা ১৮৯টি।

এদিকে এমকিউ-৯-এর নির্মাতা জেনারেল অ্যাটমিকস জানিয়েছে, নতুন করে কেনার জন্য ১০টিরও কম ড্রোনের এয়ারফ্রেম অবশিষ্ট রয়েছে। এমকিউ-৯এ রিপারের উৎপাদন লাইনও বন্ধ হয়ে গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র : প্রেস টিভি