ঢাকা , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিদেশে অর্থ বিনিয়োগের ধূলিকণারও প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: আসিফ মাহমুদ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন এমকিউ-১ ড্রো’ন ভূ’পা’তি’ত করল ই’রা’ন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে লোডশেডিং, পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুতের জিএম স্ট্যান্ড রিলিজ কার অনুরোধে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে বৈঠক স্থগিত, জানাল ইরান আ.লীগ নেতার গোডাউন থেকে সার জব্দ কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা স্থানীয় নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং বরদাশত করা হবে না চাঁদাবাজি ও দখলবাজির কবর রচনা করবে বিরোধী দল: জামায়াত আমির দলীয়করণ অব্যাহত রেখে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যাবে না: গোলাম পরওয়ার অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম

ইলিশের দেশে বাংলাদেশে ভারতীয় ইলিশ, দুই মাসে আমদানি সাড়ে ৩ লাখ কেজি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

ইলিশের মৌসুম এলেই বাংলাদেশের ইলিশের জন্য অপেক্ষায় থাকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। বিশেষ করে দুর্গাপূজার আগে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানি হবে কি না, তা নিয়ে প্রতিবছরই তৈরি হয় আলোচনা। তবে এবার দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। বাংলাদেশের বাজারের চাহিদা মেটাতে উল্টো ভারত থেকেই ইলিশ ঢুকছে দেশে। চলতি ২০২৬২৭ অর্থবছরের জুলাই ও আগস্টএই দুই মাসে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ। এর মধ্যে জুলাইয়ে আমদানি হয়েছিল ২৯ হাজার ৪৪০ কেজি। পরের মাসে, আগস্টে, এক লাফে আমদানি বেড়ে দাঁড়ায় ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজিতে।

বেনাপোল স্থলবন্দর ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয়ের তথ্য বলছে, দুই মাসে আমদানি করা ইলিশের ঘোষিত মূল্য ৬ কোটি ৯২ লাখ ৯৪ হাজার ৫১০ টাকা। জুলাইয়ে ২৯ হাজার ৪৪০ কেজি ইলিশের আমদানি মূল্য ছিল ৩৫ লাখ ৪৮ হাজার ৭৯৬ টাকা। আগস্টে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজি মাছের ঘোষিত মূল্য দাঁড়ায় ৬ কোটি ৫৭ লাখ ৪৫ হাজার ৭১৪ টাকা। জুলাই ও আগস্টে মোট ২২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে ইলিশ এনেছে। জুলাইয়ে তিনটি প্রতিষ্ঠান এবং আগস্টে ১৯টি প্রতিষ্ঠান এই আমদানি করেছে। বেনাপোল স্থলবন্দর ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয়ের পরিদর্শক আশওয়াদুল আলম বলেন, দুই মাসে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ আমদানি হয়েছে। মাছ পরীক্ষানিরীক্ষার পর আমদানিকারকদের কোয়ারেন্টাইন সনদ দেওয়া হয়েছে।

স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন জানান, কাস্টমসের ছাড়পত্র ও বন্দরের শুল্ক পরিশোধের পর বাংলাদেশি ট্রাকে করে আমদানি করা ইলিশ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা ও হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই মাসে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ গেছে। হাওড়া পাইকারি ফিশ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে ইলিশের ঘাটতি থাকায় এবার হাওড়া থেকেও প্রথমবারের মতো ইলিশ রপ্তানি হয়েছে। সাধারণ সময়ে হাওড়া থেকে বাংলাদেশে রুই, পারসে ও ট্যাংরাসসহ বিভিন্ন ধরনের মাছ পাঠানো হয়।

এবার গুজরাটের ইলিশও জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের বাজারে। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে ইলিশের সরবরাহ ভালো থাকায় তুলনামূলক কম দামে মাছ পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে ডিমওয়ালা ইলিশের চাহিদা থাকায় এসব মাছ বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে। চট্টগ্রাম ও সিলেটের বাজারে আমদানি করা কিছু ইলিশের ডিম আলাদা করে বিক্রি হচ্ছে। আবার কিছু মাছ নোনা ইলিশ হিসেবেও বাজারজাত করা হচ্ছে। ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, বাংলাদেশে আরও ১০০ থেকে ১৫০ টন ইলিশ পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।

এদিকে আমদানি করা মাছের পরিচয় নিয়েও তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। বেনাপোল, যশোরের বড় বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ বাড়া এসব ইলিশকে সরকারি কর্মকর্তারা ভারতীয় বলে জানালেও স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী এগুলো মিয়ানমারের ইলিশ বলে দাবি করছেন। ক্রেতাদের অভিযোগ, বিদেশ থেকে আসা ইলিশকে পদ্মা, চাঁদপুর, বরিশাল বা চট্টগ্রামের ইলিশ পরিচয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। দামের ব্যবধানও বেশ বড়। ব্যবসায়ীদের হিসাবে, ১ কেজি ২০০ থেকে ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের দেশি ইলিশের দাম এখন কেজিতে ৩ হাজার ৩০০ থেকে ৩ হাজার ৪০০ টাকা। একই আকারের আমদানি করা ইলিশ মিলছে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকার মধ্যে।

কম দামে বড় আকারের ইলিশ পাওয়ায় ক্রেতাদের একটি অংশ আমদানি করা মাছের দিকে ঝুঁকছেন। এতে দেশি ইলিশের ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুল মামুন বলেন, আমদানি করা মাছকে দেশি ইলিশ হিসেবে বিক্রির বিষয়টি সরাসরি মৎস্য আইনের আওতায় পড়ে না। তাই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ইলিশ উৎপাদনকারী দেশ। মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে উৎপাদিত মোট ইলিশের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই আসে বাংলাদেশ থেকে। দেশের নদনদী ও বঙ্গোপসাগর ইলিশের গুরুত্বপূর্ণ বিচরণক্ষেত্র হলেও সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বাজারে চাহিদা পূরণে বিদেশি ইলিশের ওপর নির্ভরতার চিত্র সামনে এসেছে।

মৎস্য বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ আশরাফুল আলমের মতে, নদীতে দূষণ ও নাব্য সংকটের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ইলিশের আবাসস্থল ও চলাচলে চাপ তৈরি করছে। দেশে ইলিশের উৎপাদন কমে গিয়ে বাজারের চাহিদা মেটাতে প্রতিবেশী দেশের ওপর নির্ভর করতে হলে তা ইলিশের ভবিষ্যতের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশে অর্থ বিনিয়োগের ধূলিকণারও প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: আসিফ মাহমুদ

ইলিশের দেশে বাংলাদেশে ভারতীয় ইলিশ, দুই মাসে আমদানি সাড়ে ৩ লাখ কেজি

আপডেট সময় ১০:১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইলিশের মৌসুম এলেই বাংলাদেশের ইলিশের জন্য অপেক্ষায় থাকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ। বিশেষ করে দুর্গাপূজার আগে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ রপ্তানি হবে কি না, তা নিয়ে প্রতিবছরই তৈরি হয় আলোচনা। তবে এবার দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। বাংলাদেশের বাজারের চাহিদা মেটাতে উল্টো ভারত থেকেই ইলিশ ঢুকছে দেশে। চলতি ২০২৬২৭ অর্থবছরের জুলাই ও আগস্টএই দুই মাসে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ। এর মধ্যে জুলাইয়ে আমদানি হয়েছিল ২৯ হাজার ৪৪০ কেজি। পরের মাসে, আগস্টে, এক লাফে আমদানি বেড়ে দাঁড়ায় ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজিতে।

বেনাপোল স্থলবন্দর ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয়ের তথ্য বলছে, দুই মাসে আমদানি করা ইলিশের ঘোষিত মূল্য ৬ কোটি ৯২ লাখ ৯৪ হাজার ৫১০ টাকা। জুলাইয়ে ২৯ হাজার ৪৪০ কেজি ইলিশের আমদানি মূল্য ছিল ৩৫ লাখ ৪৮ হাজার ৭৯৬ টাকা। আগস্টে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজি মাছের ঘোষিত মূল্য দাঁড়ায় ৬ কোটি ৫৭ লাখ ৪৫ হাজার ৭১৪ টাকা। জুলাই ও আগস্টে মোট ২২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে ইলিশ এনেছে। জুলাইয়ে তিনটি প্রতিষ্ঠান এবং আগস্টে ১৯টি প্রতিষ্ঠান এই আমদানি করেছে। বেনাপোল স্থলবন্দর ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয়ের পরিদর্শক আশওয়াদুল আলম বলেন, দুই মাসে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৬ কেজি ইলিশ আমদানি হয়েছে। মাছ পরীক্ষানিরীক্ষার পর আমদানিকারকদের কোয়ারেন্টাইন সনদ দেওয়া হয়েছে।

স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুহুল আমিন জানান, কাস্টমসের ছাড়পত্র ও বন্দরের শুল্ক পরিশোধের পর বাংলাদেশি ট্রাকে করে আমদানি করা ইলিশ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা ও হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই মাসে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ গেছে। হাওড়া পাইকারি ফিশ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে ইলিশের ঘাটতি থাকায় এবার হাওড়া থেকেও প্রথমবারের মতো ইলিশ রপ্তানি হয়েছে। সাধারণ সময়ে হাওড়া থেকে বাংলাদেশে রুই, পারসে ও ট্যাংরাসসহ বিভিন্ন ধরনের মাছ পাঠানো হয়।

এবার গুজরাটের ইলিশও জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের বাজারে। ব্যবসায়ীদের দাবি, সেখানে ইলিশের সরবরাহ ভালো থাকায় তুলনামূলক কম দামে মাছ পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে ডিমওয়ালা ইলিশের চাহিদা থাকায় এসব মাছ বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে। চট্টগ্রাম ও সিলেটের বাজারে আমদানি করা কিছু ইলিশের ডিম আলাদা করে বিক্রি হচ্ছে। আবার কিছু মাছ নোনা ইলিশ হিসেবেও বাজারজাত করা হচ্ছে। ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, বাংলাদেশে আরও ১০০ থেকে ১৫০ টন ইলিশ পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।

এদিকে আমদানি করা মাছের পরিচয় নিয়েও তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। বেনাপোল, যশোরের বড় বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ বাড়া এসব ইলিশকে সরকারি কর্মকর্তারা ভারতীয় বলে জানালেও স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী এগুলো মিয়ানমারের ইলিশ বলে দাবি করছেন। ক্রেতাদের অভিযোগ, বিদেশ থেকে আসা ইলিশকে পদ্মা, চাঁদপুর, বরিশাল বা চট্টগ্রামের ইলিশ পরিচয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। দামের ব্যবধানও বেশ বড়। ব্যবসায়ীদের হিসাবে, ১ কেজি ২০০ থেকে ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের দেশি ইলিশের দাম এখন কেজিতে ৩ হাজার ৩০০ থেকে ৩ হাজার ৪০০ টাকা। একই আকারের আমদানি করা ইলিশ মিলছে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকার মধ্যে।

কম দামে বড় আকারের ইলিশ পাওয়ায় ক্রেতাদের একটি অংশ আমদানি করা মাছের দিকে ঝুঁকছেন। এতে দেশি ইলিশের ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুল মামুন বলেন, আমদানি করা মাছকে দেশি ইলিশ হিসেবে বিক্রির বিষয়টি সরাসরি মৎস্য আইনের আওতায় পড়ে না। তাই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ইলিশ উৎপাদনকারী দেশ। মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে উৎপাদিত মোট ইলিশের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশই আসে বাংলাদেশ থেকে। দেশের নদনদী ও বঙ্গোপসাগর ইলিশের গুরুত্বপূর্ণ বিচরণক্ষেত্র হলেও সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বাজারে চাহিদা পূরণে বিদেশি ইলিশের ওপর নির্ভরতার চিত্র সামনে এসেছে।

মৎস্য বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ আশরাফুল আলমের মতে, নদীতে দূষণ ও নাব্য সংকটের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ইলিশের আবাসস্থল ও চলাচলে চাপ তৈরি করছে। দেশে ইলিশের উৎপাদন কমে গিয়ে বাজারের চাহিদা মেটাতে প্রতিবেশী দেশের ওপর নির্ভর করতে হলে তা ইলিশের ভবিষ্যতের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে উঠতে পারে।