টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত ও জুমার নামাজের পর আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেন, আজকে শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ না দিলে নয়, কারণ তিনি ইউনূসকে কাদের সিদ্দিকীর আগে চিনতে পেরেছেন।
তিনি অতীতের একটি প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “শেখ হাসিনা বলতো—আপনি (ইউনূস) সুদখোর, আর আমি ভাবতাম ইউনূস ভালো মানুষ। পরে বুঝেছি, শেখ হাসিনা তাকে আমার আগে চিনেছে।”
কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ থেকে তাকে এবং তার ভাই আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে বহিষ্কার করা আল্লাহর রহমত ছিল। “তা না হলে এই বয়সে আমাকে কারাগারে যেতে হতো,” যোগ করেন তিনি।
স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে তিনি বলেন, যারা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলে তাদের গ্রেপ্তার করার আগে আমাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
জুলাই-আগস্টের রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “শেখ হাসিনাকে যারা পতন ঘটিয়েছে, তাদের প্রথমে ধন্যবাদ দিয়েছিলাম। তবে পরে তাদের কার্যক্রমের কোনো কাজই ভালো লাগেনি। আজও ‘জুলাইকে’ সমর্থন করি, কিন্তু সেই সময় যা ঘটেছে সবকিছু সমর্থন করি না।”
মতবিনিময় সভায় তাঁর পাশে থাকা সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, “যতদিন বেঁচে আছি, কোনো দলে যোগদান করব না। আমার ভাই বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তমের নেতৃত্বেই চলবো। জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত জনগণের ভালোবাসা ও ভাইয়ের প্রতি আস্থাকে শক্তি হিসেবে নিয়েই এগোতে চাই।”
এর আগে নাগবাড়ী ইউনিয়নের ছাতিহাটিতে নিজের গ্রামে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন কাদের সিদ্দিকী ও তার ভাই। দীর্ঘদিন পর গ্রামে ফেরায় দুই নেতাকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























