অতীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারের সঙ্গে কাজ করলেও দেশের নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় ভারতের কোনো ধরনের ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এ সম্পৃক্ততা ছিল না বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব Vikram Misri।
তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে দেশটির জনগণের বিষয় এবং তারাই নিজেদের নেতৃত্ব নির্বাচন করবে—এটাই ভারতের প্রত্যাশা। নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় ভারতের ভূমিকা ছিল—এ ধরনের অভিযোগ তিনি সরাসরি নাকচ করেন।
সোমবার (৬ মে) নয়াদিল্লিতে সফররত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনায় তিস্তা পানিবণ্টন, গঙ্গা চুক্তি নবায়ন, ভিসা ব্যবস্থা, জ্বালানি সহযোগিতা, আঞ্চলিক রাজনীতি এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যু উঠে আসে।
বিক্রম মিশ্রি বলেন, বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের ভিত্তি হবে পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থের ভারসাম্য। দুই দেশের জনগণের কল্যাণেই এই সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় দুই দেশের যোগাযোগ কিছুটা শ্লথ হলেও ভারত সংলাপ বজায় রাখার চেষ্টা করেছে। ২০২৪ সালে তার ঢাকা সফর এবং ২০২৫ সালে ব্যাংককে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা Muhammad Yunus ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi–এর বৈঠকের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব জানান, বর্তমানে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ পুনরায় শুরু হয়েছে এবং বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক প্ল্যাটফর্ম সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বাণিজ্য বৃদ্ধি, ভিসা সহজীকরণ এবং সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও দুই পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে তিনি জানান।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























