ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কঙ্গোতে নতুন করে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব, ৬৫ জনের প্রাণহানি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:০৪:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

কঙ্গোতে নতুন করে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব, ৬৫ জনের প্রাণহানি

আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে নতুন করে ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (আফ্রিকা সিডিসি) এই তথ্য জানায়।

 

সংস্থাটি শুক্রবার জানায়, ইতোমধ্যে ২৪৬টি সংক্রমণের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই স্বর্ণখনি অধ্যুষিত মংগওয়ালু ও রামপারা শহরের বাসিন্দা।

 

 

পরিস্থিতি মোকাবিলায় ডিআর কঙ্গো, প্রতিবেশী উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানসহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছে আফ্রিকা সিডিসি। বৈঠকে রোগ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ও সীমান্ত নজরদারি জোরদারের বিষয় গুরুত্ব পাবে বলে জানানো হয়েছে।

 

১৯৭৬ সালে কঙ্গোতেই প্রথম ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হয়। ধারণা করা হয়, বাদুড় থেকে এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়ায়। দেশটিতে এটি ইবোলার ১৭তম প্রাদুর্ভাব।

 

ইবোলা আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল পদার্থ বা ক্ষতস্থানের সংস্পর্শে এলে সংক্রমণ ছড়ায়। এ রোগে তীব্র রক্তক্ষরণ ও অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

 

প্রাথমিক লক্ষণের মধ্যে রয়েছে জ্বর, পেশিতে ব্যথা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও গলাব্যথা। পরে বমি, ডায়রিয়া, চামড়ায় ফুসকুড়ি ও রক্তক্ষরণ দেখা দিতে পারে।

 

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, ইবোলার নির্দিষ্ট কোনো কার্যকর চিকিৎসা এখনো নেই এবং এ রোগে মৃত্যুহার গড়ে প্রায় ৫০ শতাংশ।

 

সূত্র: আলজাজিরা

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কঙ্গোতে নতুন করে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব, ৬৫ জনের প্রাণহানি

আপডেট সময় ০৯:০৪:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

কঙ্গোতে নতুন করে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব, ৬৫ জনের প্রাণহানি

আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে নতুন করে ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (আফ্রিকা সিডিসি) এই তথ্য জানায়।

 

সংস্থাটি শুক্রবার জানায়, ইতোমধ্যে ২৪৬টি সংক্রমণের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের বেশিরভাগই স্বর্ণখনি অধ্যুষিত মংগওয়ালু ও রামপারা শহরের বাসিন্দা।

 

 

পরিস্থিতি মোকাবিলায় ডিআর কঙ্গো, প্রতিবেশী উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানসহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছে আফ্রিকা সিডিসি। বৈঠকে রোগ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ও সীমান্ত নজরদারি জোরদারের বিষয় গুরুত্ব পাবে বলে জানানো হয়েছে।

 

১৯৭৬ সালে কঙ্গোতেই প্রথম ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হয়। ধারণা করা হয়, বাদুড় থেকে এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়ায়। দেশটিতে এটি ইবোলার ১৭তম প্রাদুর্ভাব।

 

ইবোলা আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরল পদার্থ বা ক্ষতস্থানের সংস্পর্শে এলে সংক্রমণ ছড়ায়। এ রোগে তীব্র রক্তক্ষরণ ও অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

 

প্রাথমিক লক্ষণের মধ্যে রয়েছে জ্বর, পেশিতে ব্যথা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও গলাব্যথা। পরে বমি, ডায়রিয়া, চামড়ায় ফুসকুড়ি ও রক্তক্ষরণ দেখা দিতে পারে।

 

 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, ইবোলার নির্দিষ্ট কোনো কার্যকর চিকিৎসা এখনো নেই এবং এ রোগে মৃত্যুহার গড়ে প্রায় ৫০ শতাংশ।

 

সূত্র: আলজাজিরা