এবার চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর বলেছেন, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। নতুন ও তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে সবাইকে সচেতন ও সজাগ থাকতে হবে। এ জন্য মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মাদকবিরোধী র্যালি শেষে হেয়াকো বাজারে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সরোয়ার আলমগীর বলেন, ‘ইসলামের নাম দিয়ে জামায়াত প্রতিনিয়ত শিরক করছে। ফটিকছড়ির মানুষ জামায়াতকে প্রত্যাখ্যান করায় তারা জনগণের হক নষ্ট করেছে। ছয় মাস আমার শপথ আটকে রেখে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করেছিল।’ ফটিকছড়ির উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম–নাজিরহাট রেললাইন সম্প্রসারণ করে ফটিকছড়ি উপজেলা ও ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা হয়ে রামগড় পর্যন্ত নেওয়া প্রয়োজন। এ দাবি তিনি সংসদেও তুলেছেন বলে জানান।
আগামী প্রজন্মকে সন্ত্রাস ও মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে ফটিকছড়ির প্রতিটি গ্রামে ধারাবাহিকভাবে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। বলেন, ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার প্রতিটি গ্রাম, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও অলিগলিতে সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হবে। বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সরোয়ার আলমগীর বলেন, ‘সরকারের শুরু করা মাদকবিরোধী কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম–২ নির্বাচনী এলাকার ফটিকছড়ি ও ফটিকছড়ি উত্তর–এই দুই উপজেলায় সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী প্রচারণা চালানো হবে। প্রতিটি গ্রাম, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও অলিগলিতে এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।’
হেয়াকো বাজারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে, বিএনপি নেতা জহির আজম চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা বজল আহমদ, নাজিম উদ্দিন শাহীন, একরামুল হক বাবুল, আবুল খায়ের, মিল্টন খন্দকার, মোজাম্মেল হায়দার বাবু, একরামুল হক একরাম, মো. হানজালা, মো. মহিউদ্দিন, আবু মেম্বার, মো. বোরহান উদ্দিন, শফিউল আজম, কামাল শিকদার, জসিম উদ্দিন ও নুরুল আমিনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা–কর্মচারী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক–শিক্ষার্থী এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ডেস্ক রিপোর্ট 





















