ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড কারাগারেই মায়ের আদ্যশ্রাদ্ধ করতে চান চিন্ময় কৃষ্ণ দাস চট্টগ্রামে শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, আর্থিক সহায়তা ‘মওদুদী নাকি জিন্নাহ, জামায়াত শিবিরকে সিদ্ধান্ত নিয়ে যে কোন একজনকে রাজনৈতিক পিতা মানা উচিত’ ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা ইসির, মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: প্রতিমন্ত্রী এই ন্যারেটিভ দিয়ে সামনে সিটি নির্বাচনে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হবে: আসিফ তুরস্কে ঘুরতে এসে ইসলাম গ্রহণ করলেন দক্ষিণ কোরীয় নারী মদিনায় ১১ কোটি টন দুর্লভ খনিজ-ইউরেনিয়ামের সন্ধান পেল সৌদি আরব মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রথমবার স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র দুর্গাপূজায় টানা দুই দিনের ছুটি

‘মওদুদী নাকি জিন্নাহ, জামায়াত শিবিরকে সিদ্ধান্ত নিয়ে যে কোন একজনকে রাজনৈতিক পিতা মানা উচিত’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৭:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

এবার প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাসে মওদুদী নাকি জিন্নাহজামায়াতশিবিরের রাজনৈতিক আদর্শের মূল জায়গায় কে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি লেখেন, ‘জামায়াত শিবিরকে সিদ্ধান্ত নিয়ে যে কোন একজনকে তাদের রাজনৈতিক পিতা মানা উচিত। জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মওদুদী জামায়াতশিবিরের রাজনৈতিক পিতা। আর মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের জাতির পিতা। কিন্তু দুজন পরস্পরবিরোধী চিন্তা ও আদর্শের অধিকারী।

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর আদর্শ অনুসরণ করলে মওদুদীর আদর্শ অনুসরণ করা যায় না। কারণ মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ছিলেন মধ্যপন্থী ও পশ্চিমা ভাবধারার জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী মানুষ। আর মওদুদী ছিলেন ইসলামিক ভাবধারায় বিশ্বাসী মানুষ, যেখানে ভৌগোলিক জাতীয়তাবাদ গুরুত্বপূর্ণ নয়। অর্থাৎ দ্বিজাতিতত্ত্বের বিরোধী চিন্তার মানুষ ছিলেন জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মওদুদী।
তিনি আরও লেখেন, ‘কিন্তু বর্তমান জামায়াত পরস্পরবিরোধী দুজনকেই তাদের রাজনৈতিক পিতা বা আদর্শ হিসেবে মানতে চায়। কিন্তু যারা প্রকৃতপক্ষে মুওদুদীবাদী, তারা জিন্নাহবাদী হওয়ার চেষ্টা করা মানে মওদুদীবাদী আদর্শ বিচ্যুত হওয়া নয় কি? তাহলে কি বর্তমান জামায়াত মূলধারা থেকে আদর্শচ্যুত?’

অর্থাৎ ইসলামিক বা শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার চিন্তা থেকে দূরে সরে গিয়ে পাকিস্তানের জাতির পিতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহকেই তাদের আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়? এ বিষয়ে জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার থাকা জরুরি।রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘অন্যথায় জামায়াতের বর্তমান নেতাকর্মীরা আধা ইসলামিক, আধা মধ্যপন্থী আদর্শ অনুসরণ করতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলে বেপরোয়া ও হঠকারী হয়ে উঠছে। এটা নেতাকর্মীদের সমস্যা না। এটা নীতি নির্ধারকদের সমস্যা। ক্ষমতার মোহে জামায়াতের নীতিনির্ধারকরা তাদের নেতাকর্মীদের সঠিক আদর্শের দীক্ষা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।

আর তাই বর্তমান জামায়াতের এই অধঃপতন। যা নিয়ে জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের সন্তান ব্রিগেডিয়ার আমান আযমী আফসোস করে বলেছে, আমার বাবা যে জামায়াত করেছে, আর বর্তমান এই জামায়াত এক নয়!’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড

‘মওদুদী নাকি জিন্নাহ, জামায়াত শিবিরকে সিদ্ধান্ত নিয়ে যে কোন একজনকে রাজনৈতিক পিতা মানা উচিত’

আপডেট সময় ১১:৫৭:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাসে মওদুদী নাকি জিন্নাহজামায়াতশিবিরের রাজনৈতিক আদর্শের মূল জায়গায় কে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি লেখেন, ‘জামায়াত শিবিরকে সিদ্ধান্ত নিয়ে যে কোন একজনকে তাদের রাজনৈতিক পিতা মানা উচিত। জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মওদুদী জামায়াতশিবিরের রাজনৈতিক পিতা। আর মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের জাতির পিতা। কিন্তু দুজন পরস্পরবিরোধী চিন্তা ও আদর্শের অধিকারী।

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর আদর্শ অনুসরণ করলে মওদুদীর আদর্শ অনুসরণ করা যায় না। কারণ মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ছিলেন মধ্যপন্থী ও পশ্চিমা ভাবধারার জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী মানুষ। আর মওদুদী ছিলেন ইসলামিক ভাবধারায় বিশ্বাসী মানুষ, যেখানে ভৌগোলিক জাতীয়তাবাদ গুরুত্বপূর্ণ নয়। অর্থাৎ দ্বিজাতিতত্ত্বের বিরোধী চিন্তার মানুষ ছিলেন জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা মওদুদী।
তিনি আরও লেখেন, ‘কিন্তু বর্তমান জামায়াত পরস্পরবিরোধী দুজনকেই তাদের রাজনৈতিক পিতা বা আদর্শ হিসেবে মানতে চায়। কিন্তু যারা প্রকৃতপক্ষে মুওদুদীবাদী, তারা জিন্নাহবাদী হওয়ার চেষ্টা করা মানে মওদুদীবাদী আদর্শ বিচ্যুত হওয়া নয় কি? তাহলে কি বর্তমান জামায়াত মূলধারা থেকে আদর্শচ্যুত?’

অর্থাৎ ইসলামিক বা শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার চিন্তা থেকে দূরে সরে গিয়ে পাকিস্তানের জাতির পিতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহকেই তাদের আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়? এ বিষয়ে জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার থাকা জরুরি।রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘অন্যথায় জামায়াতের বর্তমান নেতাকর্মীরা আধা ইসলামিক, আধা মধ্যপন্থী আদর্শ অনুসরণ করতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলে বেপরোয়া ও হঠকারী হয়ে উঠছে। এটা নেতাকর্মীদের সমস্যা না। এটা নীতি নির্ধারকদের সমস্যা। ক্ষমতার মোহে জামায়াতের নীতিনির্ধারকরা তাদের নেতাকর্মীদের সঠিক আদর্শের দীক্ষা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।

আর তাই বর্তমান জামায়াতের এই অধঃপতন। যা নিয়ে জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের সন্তান ব্রিগেডিয়ার আমান আযমী আফসোস করে বলেছে, আমার বাবা যে জামায়াত করেছে, আর বর্তমান এই জামায়াত এক নয়!’