ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিশ্বকাপে আমরাই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত দল: ইরান কোচ ফুটবল বিশ্বকাপে কোন দলকে সমর্থন করেন প্রধানমন্ত্রী, জানালেন নিজেই টিকটক করায় স্ত্রীকে হত্যা, অভিযুক্ত স্বামী আটক ইরানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে ইসরাইলে ক্ষোভের বিস্ফোরণ, যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা “দিল্লি থেকে ফেরা পরপরই প্রতিবাদ, কী বললেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা?” পদত্যাগ করে স্ত্রী জামালুন্নেসার ওপর দায়িত্ব দিলেন আদ-দ্বীনের শেখ মহিউদ্দিন বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা নয়, বরং জনকল্যাণে বিরোধিতা করে বিরোধীদল: জামায়াত আমির আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র কখনো একসঙ্গে যায়নি: মির্জা ফখরুল বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া হলো না ইরানি খেলোয়াড়দের, ম্যাচ শেষেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ ‘এটি হাসিনার সরকার না, দেশের আত্মসম্মান বিকিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নয়’

জামায়াত জোটের ভোটপ্রাপ্তির পরিসংখ্যান শক্তিশালী বার্তা বহন করে: ডা. শফিকুর রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫০:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৯৮ বার পড়া হয়েছে

এবার জামায়াত জোটের পক্ষে ৩৮ দশমিক ৫০ শতাংশ ভোটকে বিশাল ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ জনরায় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ নিয়ে হতাশা বা বিভ্রান্ত না হতে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে জামায়াত আমির এই মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি বলেন, প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে গণমাধ্যমের খণ্ডিত উপস্থাপনায় আপনারা হতাশ বা বিভ্রান্ত হবেন না। সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতি হওয়ার পরও জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের ভোট প্রাপ্তির পরিসংখ্যান অনেক শক্তিশালী বার্তা বহন করে। প্রদত্ত প্রায় ৭ কোটি ভোটের মধ্যে জামায়াতনেতৃত্বাধীন জোট ৩৮ দশমিক ৫০ শতাংশ ভোট পেয়েছে। প্রায় ২ কোটি ৮৮ লাখ নাগরিক এই জোটের ওপর তাদের আস্থা স্থাপন করেছেন। এটি একটি বিশাল ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ জনরায়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অতীতের অনেক রেকর্ড ভঙ্গ করে আজ দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ২০০৮ সালে মাত্র ২টি আসন থেকে আজ কোটি কোটি মানুষের সমর্থন আমাদের প্রতি জনআস্থার বহিঃপ্রকাশ। ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রার শুরু। দেশের প্রায় অর্ধেক ভোটার সংস্কার, জবাবদিহি এবং নীতিভিত্তিক রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

তিনি বলেন, এখন আমাদের সময় এসেছে শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক পরিপক্বতা প্রদর্শনের। আসুন, সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে আমরা গঠনমূলক ভূমিকা পালন করি। পরবর্তী নির্বাচনে জনগণের আরো ব্যাপক ভিত্তিক আস্থা অর্জনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করি। আমরা আমাদের সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করব, দলীয় ঐক্যকে সুদৃঢ় করব এবং সুস্পষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে সামনে এগিয়ে যাব। আমাদের এই পথচলা অব্যাহত থাকবে। ত্যাগ ও পরিশ্রমের কারণে সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। আল্লাহ নিশ্চয়ই আমাদের পরিপূর্ণ বিজয় দান করবেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে আমরাই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত দল: ইরান কোচ

জামায়াত জোটের ভোটপ্রাপ্তির পরিসংখ্যান শক্তিশালী বার্তা বহন করে: ডা. শফিকুর রহমান

আপডেট সময় ১১:৫০:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার জামায়াত জোটের পক্ষে ৩৮ দশমিক ৫০ শতাংশ ভোটকে বিশাল ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ জনরায় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ নিয়ে হতাশা বা বিভ্রান্ত না হতে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে জামায়াত আমির এই মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি বলেন, প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে গণমাধ্যমের খণ্ডিত উপস্থাপনায় আপনারা হতাশ বা বিভ্রান্ত হবেন না। সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতি হওয়ার পরও জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের ভোট প্রাপ্তির পরিসংখ্যান অনেক শক্তিশালী বার্তা বহন করে। প্রদত্ত প্রায় ৭ কোটি ভোটের মধ্যে জামায়াতনেতৃত্বাধীন জোট ৩৮ দশমিক ৫০ শতাংশ ভোট পেয়েছে। প্রায় ২ কোটি ৮৮ লাখ নাগরিক এই জোটের ওপর তাদের আস্থা স্থাপন করেছেন। এটি একটি বিশাল ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ জনরায়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অতীতের অনেক রেকর্ড ভঙ্গ করে আজ দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ২০০৮ সালে মাত্র ২টি আসন থেকে আজ কোটি কোটি মানুষের সমর্থন আমাদের প্রতি জনআস্থার বহিঃপ্রকাশ। ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রার শুরু। দেশের প্রায় অর্ধেক ভোটার সংস্কার, জবাবদিহি এবং নীতিভিত্তিক রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

তিনি বলেন, এখন আমাদের সময় এসেছে শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক পরিপক্বতা প্রদর্শনের। আসুন, সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে আমরা গঠনমূলক ভূমিকা পালন করি। পরবর্তী নির্বাচনে জনগণের আরো ব্যাপক ভিত্তিক আস্থা অর্জনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করি। আমরা আমাদের সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করব, দলীয় ঐক্যকে সুদৃঢ় করব এবং সুস্পষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে সামনে এগিয়ে যাব। আমাদের এই পথচলা অব্যাহত থাকবে। ত্যাগ ও পরিশ্রমের কারণে সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। আল্লাহ নিশ্চয়ই আমাদের পরিপূর্ণ বিজয় দান করবেন।