এবার ভারত সফরে গিয়ে দেশটিতে প্রবেশ না করে বাংলাদেশে ফিরে আসার বিষয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (১৬ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সেই ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ হিসেবেই ভারত থেকে ফিরে এসেছি। তবে, বিমানবন্দরে আটকে রাখার খবর সঠিক নয়। তিনি বলেন, এ ঘটনা দুই দেশের সম্পর্কে কোনও প্রভাব ফেলবে না। ভারতের সঙ্গে যৌক্তিক সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ। তবে, দেশের আত্মসম্মান বিকিয়ে কোনও সম্পর্ক সরকার করবে না।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তি হিসেবে নয়, প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা হিসেবে রাষ্ট্র বা সরকারের পক্ষ থেকে একটি সিগনেচার থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেছি। পাল্টাপাল্টি কোনো নেগেটিভ পরিস্থিতি তৈরি হোক আমার এই উদ্দেশ্য নেই। তবে, একটি মেসেজ সবার কাছে যাওয়া দরকার— এটি শেখ হাসিনার সরকার না, এটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত সরকার। ভারতসহ যেকোনো দেশের সঙ্গে এনগেজমেন্টের ক্ষেত্রে আমাদের সুস্পষ্ট নীতি আছে। কোনোভাবেই চাই না, কোনো দেশের সঙ্গে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হোক।
এর আগে গত রোববার ভারতের ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তবে, দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের বাধার মুখে পড়েন তিনি। কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখার পর শেষ পর্যন্ত দিল্লিতে প্রবেশ না করেই তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এই ঘটনা নিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এ ঘটনায় পরদিন সোমবার ঢাকায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন বাঢ়াকে তলব করা হয়। দিল্লি বিমানবন্দরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তার কাছে তীব্র অসন্তোষ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















