ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অপারেশন সিঁদুর: নিহত সেনাদের তালিকা প্রকাশ ভারতের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আলোচনায় পাশে থাকবে চীন শাহজালাল (র.) মাজারের দানের অর্থে স্বচ্ছতা আনতে কমিটি, এক মাসের মধ্যে সুপারিশ সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে এক গ্রাম সোনার আংটি, ব্যতিক্রমী উদ্যোগে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয় হরমুজ প্রণালি থেকে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলার আয় করবে ইরান নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলে হত্যা, ভাইরাল ভিডিওতে তোলপাড় মাদক নির্মূলে ব্যবস্থা না নিলে এমপি পদ ছাড়ব, গোলাবাড়িতে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লংমার্চের হুঁশিয়ারি বিষাক্ত শুঁয়োপোকার আতঙ্কে জার্মানির একাধিক পার্ক বন্ধ স্পেন ম্যাচের আগে কোচের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ উরুগুয়ে শিবিরে জব্দ হেরোইনও কখনো ‘আটা-ময়দা’ হয়ে যায়, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নবী মুজিব, কেবলা ধানমন্ডি-৩২: সালাউদ্দিন আম্মার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:১৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
  • ৭৪ বার পড়া হয়েছে

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও তরুণ অভিনেত্রী কারিনা কায়সার-এর মৃত্যু ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একশ্রেণির মানুষের কুরুচিপূর্ণ প্রতিক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার

শনিবার (১৬ মে) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পোস্টে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও মানবিক অবস্থান নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।

সালাউদ্দিন আম্মার লেখেন, “আওয়ামী লীগের স্পেসিফিক কোনো ধর্ম নেই। দলই তাদের ধর্ম, রাজনৈতিক নবী মুজিব, কেবলা ধানমন্ডি-৩২, আর পবিত্র নগরী গোপালগঞ্জ। এর বাইরে তাদের কোনো মানবতা কাজ করে না।”

তিনি আরও দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরিচিত মুখ কারিনা কায়সারের মৃত্যুতে যেভাবে সামাজিক মাধ্যমে উল্লাস প্রকাশ করা হয়েছে, তা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অসুস্থতার বহিঃপ্রকাশ।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, “জুলাইয়ের পরিচিত মুখ কারিনা কায়সার আপুর মৃত্যুতে যেভাবে উল্লাস প্রকাশ করা হচ্ছে সেটাই তার প্রমাণ। আর এই আওয়ামী লীগ মাশরাফি-সাকিবদেরই আওয়ামী লীগ।”

উল্লেখ্য, লিভারজনিত জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে ভারতের চেন্নাই-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৫ মে) ভেলোরের Christian Medical College Hospital হাসপাতালে মারা যান কারিনা কায়সার।

পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, তিনি যখন লাইফ সাপোর্টে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছিলেন, তখনও সামাজিক মাধ্যমে কিছু মানুষ তার অসুস্থতাকে ‘ঈশ্বরের শাস্তি’ বলে মন্তব্য করেন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে সামাজিক মাধ্যমে সহানুভূতির জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়ছে, যা সামগ্রিক সামাজিক পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অপারেশন সিঁদুর: নিহত সেনাদের তালিকা প্রকাশ ভারতের

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নবী মুজিব, কেবলা ধানমন্ডি-৩২: সালাউদ্দিন আম্মার

আপডেট সময় ০৬:১৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও তরুণ অভিনেত্রী কারিনা কায়সার-এর মৃত্যু ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একশ্রেণির মানুষের কুরুচিপূর্ণ প্রতিক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার

শনিবার (১৬ মে) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পোস্টে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও মানবিক অবস্থান নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।

সালাউদ্দিন আম্মার লেখেন, “আওয়ামী লীগের স্পেসিফিক কোনো ধর্ম নেই। দলই তাদের ধর্ম, রাজনৈতিক নবী মুজিব, কেবলা ধানমন্ডি-৩২, আর পবিত্র নগরী গোপালগঞ্জ। এর বাইরে তাদের কোনো মানবতা কাজ করে না।”

তিনি আরও দাবি করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরিচিত মুখ কারিনা কায়সারের মৃত্যুতে যেভাবে সামাজিক মাধ্যমে উল্লাস প্রকাশ করা হয়েছে, তা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অসুস্থতার বহিঃপ্রকাশ।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, “জুলাইয়ের পরিচিত মুখ কারিনা কায়সার আপুর মৃত্যুতে যেভাবে উল্লাস প্রকাশ করা হচ্ছে সেটাই তার প্রমাণ। আর এই আওয়ামী লীগ মাশরাফি-সাকিবদেরই আওয়ামী লীগ।”

উল্লেখ্য, লিভারজনিত জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে ভারতের চেন্নাই-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৫ মে) ভেলোরের Christian Medical College Hospital হাসপাতালে মারা যান কারিনা কায়সার।

পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, তিনি যখন লাইফ সাপোর্টে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছিলেন, তখনও সামাজিক মাধ্যমে কিছু মানুষ তার অসুস্থতাকে ‘ঈশ্বরের শাস্তি’ বলে মন্তব্য করেন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে সামাজিক মাধ্যমে সহানুভূতির জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়ছে, যা সামগ্রিক সামাজিক পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।