ঢাকা , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যে ৩ শ্রেণির মানুষের ঠিকানা হবে জাহান্নাম ওমরাহ ভিসা নিয়ে সৌদিতে ভিক্ষাবৃত্তি, দেশে ফিরতেই ৩ নারীসহ আটক ৪  কিলোমিটার প্রতি ৪ টাকা ৫ পয়সা ভাড়া চান বাস মালিকরা সাত ডাকাতের সঙ্গে একই লড়লেন গৃহকর্তা, এক ডাকাত নিহত জনরোষের মুখে পদত্যাগ করলেন শ্রীলঙ্কার জ্বালানি মন্ত্রী ইরানকে পারমাণবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ট্রাম্প কে?: ইরানি প্রেসিডেন্ট জনগণের কষ্টের কথা ভেবে তেলের দাম খুব সামান্য বাড়িয়েছে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রী এনসিপিতে যোগ দিলেন জুনায়েদ-রাফে-রিফাতরাসহ ৩০ জন, বিকেলে দায়িত্ব বণ্টন দেশীয় কোম্পানির ট্যাংকারে পেট্রোল-অকটেন উপচে পড়ছে, নিচ্ছে না সরকার এস আলমের কাছে ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ফেরাতে চাকরিচ্যুতদের অবস্থান

সোহরাওয়ার্দীতে জামায়াতের সমাবেশে মানুষের ঢল নামবে: রেজাউল করিম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:২৭:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • ৪২৪ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর সেক্রেটারি ড. মো. রেজাউল করিম বলেছেন, ইনসাফভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ১৯ জুলাই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য জামায়াতের জাতীয় সমাবেশ একটি জনস্রোতে পরিণত হবে। সমাবেশকে ঘিরে সারাদেশে ব্যাপক সাড়া পড়েছে এবং এটি এক বিশাল জনসমাগমে রূপ নেবে ইনশাআল্লাহ।

আজ বুধবার (১৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর কারওয়ানবাজার এলাকায় হাতিরঝিল অঞ্চলের উদ্যোগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ শেষে এক পথসভায় তিনি একথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, এই জনসমাবেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো অবিলম্বে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন নিশ্চিত করা। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি এবং রাজনৈতিক মাঠে সমান সুযোগ তৈরির জন্য এই কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের নামে যারা হাজার হাজার মানুষকে খুন, গুম ও পঙ্গু করেছে—তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। শেখ হাসিনাসহ সব ফ্যাসিস্টের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে সব গণহত্যার আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বিচার করতে হবে এবং জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে। তিনি প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দাবিও জানান।

ড. রেজাউল করিম বলেন, একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ, দুর্নীতিমুক্ত ও স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে এই দেশ পেয়েছি। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে বাংলাদেশ গড়ে উঠেছিল, সেখানে আর হত্যাকাণ্ড, গুম, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির স্থান নেই। তাই আগামী বাংলাদেশ হবে ইনসাফের বাংলাদেশ, ইসলামের বাংলাদেশ, কোরআনের বাংলাদেশ, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো মানুষের বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত, একটি আদর্শ রাষ্ট্রব্যবস্থা। ১৯ জুলাইয়ের এই সমাবেশ সেই রূপান্তর ও নবনির্মাণের সূচনার দিন হবে ইনশাআল্লাহ। তিনি সবাইকে এই সমাবেশে অংশগ্রহণ এবং শান্তিপূর্ণভাবে সফল করার আহ্বান জানান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যে ৩ শ্রেণির মানুষের ঠিকানা হবে জাহান্নাম

সোহরাওয়ার্দীতে জামায়াতের সমাবেশে মানুষের ঢল নামবে: রেজাউল করিম

আপডেট সময় ০২:২৭:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

এবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর সেক্রেটারি ড. মো. রেজাউল করিম বলেছেন, ইনসাফভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ১৯ জুলাই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য জামায়াতের জাতীয় সমাবেশ একটি জনস্রোতে পরিণত হবে। সমাবেশকে ঘিরে সারাদেশে ব্যাপক সাড়া পড়েছে এবং এটি এক বিশাল জনসমাগমে রূপ নেবে ইনশাআল্লাহ।

আজ বুধবার (১৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর কারওয়ানবাজার এলাকায় হাতিরঝিল অঞ্চলের উদ্যোগে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ শেষে এক পথসভায় তিনি একথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, এই জনসমাবেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো অবিলম্বে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন নিশ্চিত করা। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি এবং রাজনৈতিক মাঠে সমান সুযোগ তৈরির জন্য এই কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের নামে যারা হাজার হাজার মানুষকে খুন, গুম ও পঙ্গু করেছে—তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। শেখ হাসিনাসহ সব ফ্যাসিস্টের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে সব গণহত্যার আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বিচার করতে হবে এবং জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নও নিশ্চিত করতে হবে। তিনি প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দাবিও জানান।

ড. রেজাউল করিম বলেন, একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ, দুর্নীতিমুক্ত ও স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে এই দেশ পেয়েছি। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে বাংলাদেশ গড়ে উঠেছিল, সেখানে আর হত্যাকাণ্ড, গুম, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির স্থান নেই। তাই আগামী বাংলাদেশ হবে ইনসাফের বাংলাদেশ, ইসলামের বাংলাদেশ, কোরআনের বাংলাদেশ, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো মানুষের বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত, একটি আদর্শ রাষ্ট্রব্যবস্থা। ১৯ জুলাইয়ের এই সমাবেশ সেই রূপান্তর ও নবনির্মাণের সূচনার দিন হবে ইনশাআল্লাহ। তিনি সবাইকে এই সমাবেশে অংশগ্রহণ এবং শান্তিপূর্ণভাবে সফল করার আহ্বান জানান।