ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের দীর্ঘতম নামের অধিকারী নিউজিল্যান্ডের লরেন্স ওয়াটকিন্স

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৬৩ বার পড়া হয়েছে

 

নিউজিল্যান্ডের বাসিন্দা লরেন্স ওয়াটকিন্স ব্যক্তিগত দীর্ঘতম নামের জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের খেতাব অর্জন করেছেন। তার নামের মধ্যে রয়েছে মোট ২,২৫৩টি অনন্য শব্দ, যা হাজার বছরের নামাঙ্কন ঐতিহ্যকেও ছাড়িয়ে গেছে।

১৯৯০ সালের মার্চে লরেন্স আইনত নিজের নাম পরিবর্তন করে ২,০০০-এরও বেশি মধ্যনাম যুক্ত করেন। এই অসাধারণ উদ্যোগের মাধ্যমেই তিনি বিশ্বের দীর্ঘতম ব্যক্তিগত নামের রেকর্ড গড়েন।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসকে তিনি বলেন, “আমি সব সময়ই এমন অদ্ভুত রেকর্ডগুলোর প্রতি আকৃষ্ট ছিলাম। একদিন ভাবলাম, আমি নিজেও এমন একটি রেকর্ড করতে পারি। তাই বইয়ে চোখ বুলিয়ে দেখলাম কোথায় সুযোগ আছে, আর পেয়ে গেলাম নামের দৈর্ঘ্যে।”

সেই সময় সীমিত প্রযুক্তির কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। নিজের নামের সম্পূর্ণ তালিকা টাইপ করতে তাকে কয়েকশো ডলার খরচ করতে হয়। প্রাথমিকভাবে জেলা আদালত আবেদন অনুমোদন করলেও পরে রেজিস্ট্রার জেনারেল তা প্রত্যাখ্যান করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কেপ ভার্দেতে বাস খাদে পড়ে নিহত ২৫, বেশিরভাগই শিশু-স্কুলশিক্ষার্থী

বিশ্বের দীর্ঘতম নামের অধিকারী নিউজিল্যান্ডের লরেন্স ওয়াটকিন্স

আপডেট সময় ১০:১২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

 

নিউজিল্যান্ডের বাসিন্দা লরেন্স ওয়াটকিন্স ব্যক্তিগত দীর্ঘতম নামের জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের খেতাব অর্জন করেছেন। তার নামের মধ্যে রয়েছে মোট ২,২৫৩টি অনন্য শব্দ, যা হাজার বছরের নামাঙ্কন ঐতিহ্যকেও ছাড়িয়ে গেছে।

১৯৯০ সালের মার্চে লরেন্স আইনত নিজের নাম পরিবর্তন করে ২,০০০-এরও বেশি মধ্যনাম যুক্ত করেন। এই অসাধারণ উদ্যোগের মাধ্যমেই তিনি বিশ্বের দীর্ঘতম ব্যক্তিগত নামের রেকর্ড গড়েন।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসকে তিনি বলেন, “আমি সব সময়ই এমন অদ্ভুত রেকর্ডগুলোর প্রতি আকৃষ্ট ছিলাম। একদিন ভাবলাম, আমি নিজেও এমন একটি রেকর্ড করতে পারি। তাই বইয়ে চোখ বুলিয়ে দেখলাম কোথায় সুযোগ আছে, আর পেয়ে গেলাম নামের দৈর্ঘ্যে।”

সেই সময় সীমিত প্রযুক্তির কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। নিজের নামের সম্পূর্ণ তালিকা টাইপ করতে তাকে কয়েকশো ডলার খরচ করতে হয়। প্রাথমিকভাবে জেলা আদালত আবেদন অনুমোদন করলেও পরে রেজিস্ট্রার জেনারেল তা প্রত্যাখ্যান করেন।