জাতীয় নাগরিক পার্টির আহবায়ক ও জুলাই আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য প্রদানের সময় জুলাই অভ্যুত্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধের ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। তিনি বলেন, শুধু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নয়, পুলিশ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগসহ যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের সকলকে শাস্তির আওতায় আনা উচিত। এছাড়া গুমের ঘটনায় যারা দায়িত্বশীল ছিলেন তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
সাক্ষ্য দিতে গিয়ে নাহিদ ২০১৮ সালের কোটাবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৪ জুলাই শেখ হাসিনার রাজাকারের নাতিপুতি মন্তব্য, ১৫ জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আন্দোলন বন্ধে ডিজিএফআইয়ের চাপ, পুলিশের ভূমিকা, ১৬ জুলাই আবু সাঈদের হত্যাকাণ্ড এবং ১৯ জুলাই পুরো কমপ্লিট শাটডাউনসহ আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনা।
নাহিদ বলেন, ১৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং ডিজিএফআই আন্দোলন বন্ধের জন্য চাপ দেয়, যা তারা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই রাজধানীর বাড্ডা, রামপুরাসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বিচারে গুলি চালিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়েছিল।
সাক্ষ্যগ্রহণ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 





















