মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের মামলায় বিচার করতে ২০১০ সালে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে এখন বড় প্রশ্ন হলো—এই রায় আওয়ামী লীগের ওপর কী প্রভাব ফেলবে এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলের রাজনৈতিক ভবিষ্যত কী হবে।
মাসের পর মাস ধরে বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর দাবি জানাচ্ছে। আদালত অবমাননার মামলায় সাজা হওয়ার পরও ফের প্রত্যর্পণের অনুরোধ করা হয়, কিন্তু ভারত এখনও জবাব দেনি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে নির্বাচিত সরকার যদি শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে জোর দেয় বা ভারতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সীমিত করতে চাপ সৃষ্টি করে, তবে ভারতের পক্ষে উপেক্ষা করা আরও কঠিন হয়ে যাবে।
রায় ঘোষণার আগে আদালত গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য প্রকাশে বিধিনিষেধ আরোপ করেন। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করেছে। দলের শীর্ষ নেতাদের অনেকেই গ্রেপ্তার বা নির্বাসনে রয়েছেন।
এই পরিস্থিতিতে যদি শেখ হাসিনার বক্তব্য বা দলের কার্যক্রমের ওপর আরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, তবে আওয়ামী লীগ আরও চাপের মুখে পড়বে। দল বলছে, নেতৃত্ব নিয়ে কোনো অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নেই। তবে আইনি সীমাবদ্ধতা ও প্রত্যর্পণের কূটনৈতিক চাপের কারণে আগামী দিনগুলোতে দল নতুন কৌশল গ্রহণ করতে বাধ্য হতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























