ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের পর এবার পাল্টা প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছেন তিনি। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ আনেন রুমিন ফারহানা।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গত ১৭ জানুয়ারি সরাইলের ইসলামাবাদ এলাকায় উঠান বৈঠকে তিনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেননি। সেদিন তিনি কাউকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাননি। বরং আশুগঞ্জ বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দেখানো বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর আচরণ প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি ওই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছিলেন। তিনি বলেন, সেদিনের ঘটনায় আমার বিরুদ্ধে তিনবার সাজা দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আমি এমন প্রশাসনের অধীনে কীভাবে নির্বাচন করি, যারা অলরেডি ভায়াস্ট।
শোকজ বিষয়ে রুমিন ফারহানা জানান, তিনি ফেসবুক থেকে এ চিঠি পেয়েছেন। নির্ধারিত সময়ে আইনজীবী গিয়ে জবাব দিয়ে আসবেন। নির্বাচনের প্রচার শুরুর আগে রিটার্নিং অফিসার এমন চিঠি দিতে পারেন না উল্লেখ করে আচরণবিধি সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি এ সময় নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, কোথাও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। এ অবস্থায় ডিসি বা ইউএনওর কাছে কি বিচার পাব? প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শোকসভার নামে সমাবেশ করছে। স্টেজ করে মাইক দিয়ে সমাবেশ করছে। গরু জবাই করে খাওয়াচ্ছে। আমার বিরুদ্ধে অশালীন বক্তব্য রাখছেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।
রুমিন ফারহানা এ সময় আরও বলেন, যেই ইউএনও অফিসের একটা চিঠির গোপনীয়তা রাখতে পারে না, নিরাপত্তা দিতে পারে না, তারা কী করে একটা নির্বাচন পরিচালনা করবেন?

ডেস্ক রিপোর্ট 

























