ঢাকা , সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভেঙ্গে পড়লো সেতু, ভোগান্তিতে ১৫ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:১৭:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫
  • ১১০৫ বার পড়া হয়েছে

জাহিদ শিকদার, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর মহিপুরে হঠাৎ বিকট শব্দে সেতু ভেঙ্গে খালের মধ্যে পড়ে গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে লতাচাপলী ইউনিয়নের আজিমপুর-তাহেরপুর গ্রামের লক্ষীর খালের উপর নির্মিত সেতুটি ভেঙ্গে পড়ে। এতে হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি।

তবে সেতু ভেঙ্গে যাওয়ায় যাতায়াত ভোগান্তিতে পড়েছে ১৫ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষসহ কুয়াকাটায় আগত পর্যটকরা। ২০০৪ সালে এ সেতুটি নির্মান করে এলজিইডি। প্রায় ৫ বছর আগে চলাচলের অনুযোগী হলেও সেতুটি নির্মানে কোন উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। সাধারন মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটি নির্মানের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ শুনি বিকট শব্দ।ছুটে যেয়ে দেখি ব্রিজটি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে। এতে আমরা খুবই দূর্ভোগে পড়বো।এখানে দ্রুত একটি নতুন ব্রিজ নির্মান না করলে ১৫ গ্রামবাসী ও শিক্ষার্থীদের দূর্ভোগের শেষ থাকবে না।

এদিকে কলাপাড়া উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সাদেকুর রহমান সাদীক বলেন, ভেঙ্গে যাওয়া এ সেতু সহ উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ ৫ টি সেতু নির্মানে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেঙ্গে পড়লো সেতু, ভোগান্তিতে ১৫ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ

আপডেট সময় ০৩:১৭:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

জাহিদ শিকদার, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর মহিপুরে হঠাৎ বিকট শব্দে সেতু ভেঙ্গে খালের মধ্যে পড়ে গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে লতাচাপলী ইউনিয়নের আজিমপুর-তাহেরপুর গ্রামের লক্ষীর খালের উপর নির্মিত সেতুটি ভেঙ্গে পড়ে। এতে হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি।

তবে সেতু ভেঙ্গে যাওয়ায় যাতায়াত ভোগান্তিতে পড়েছে ১৫ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষসহ কুয়াকাটায় আগত পর্যটকরা। ২০০৪ সালে এ সেতুটি নির্মান করে এলজিইডি। প্রায় ৫ বছর আগে চলাচলের অনুযোগী হলেও সেতুটি নির্মানে কোন উদ্যোগ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। সাধারন মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটি নির্মানের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ শুনি বিকট শব্দ।ছুটে যেয়ে দেখি ব্রিজটি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে। এতে আমরা খুবই দূর্ভোগে পড়বো।এখানে দ্রুত একটি নতুন ব্রিজ নির্মান না করলে ১৫ গ্রামবাসী ও শিক্ষার্থীদের দূর্ভোগের শেষ থাকবে না।

এদিকে কলাপাড়া উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সাদেকুর রহমান সাদীক বলেন, ভেঙ্গে যাওয়া এ সেতু সহ উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ ৫ টি সেতু নির্মানে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।