সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার পেছনে মূল কারিগর হিসেবে কাজ করেছে ইসরায়েল। ইরানের ওপর এই হামলার দোষ চাপিয়ে আমিরাত ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধ বাঁধাতে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে দেশটি। ইরানের একটি সামরিক সূত্রের বরাতে মঙ্গলবার (১৯ মে) এই তথ্য জানিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদ মাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি।

গত ১৭ মে আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দাবি করে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তিনটি ড্রোন প্রতিহত করেছে। এই ড্রোনগুলো পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে আমিরাতের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল।

আমিরাতের মন্ত্রণালয় আরও জানায়, দুটি ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। তবে তৃতীয় ড্রোনটি আল ধাফরা অঞ্চলের বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ সীমানার বাইরে একটি জেনারেটরে আঘাত হানে।

এই ঘটনার পর শুরুতে আমিরাতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করে, ড্রোনগুলো ইরান থেকে তাদের দেশে প্রবেশ করেছিল। তবে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।

বরং একটি সামরিক সূত্র তাসনিম নিউজকে জানিয়েছে, আমিরাতে ড্রোন হামলাটি চালিয়েছে ইসরায়েলিরা। সূত্রটি আরও জানায়, আমিরাতকে ইরান এবং অন্যান্য ইসলামিক দেশগুলোর বিরুদ্ধে এই অঞ্চলে আরও বেশি নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করছে।

সূত্রটি উল্লেখ করেছে, গত তিন মাসে আরব আমিরাত বিভিন্ন ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল। আমিরাতের বিরুদ্ধে যখনই কোনও অভিযান চালিয়েছে ইরান, তা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে ইরান।

সূত্রটি জোর দিয়ে বলেছে, শিশু হত্যাকারী ইসরায়েলি শাসনগোষ্ঠীর সঙ্গে বন্ধুত্ব কোনও নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে না, এ বিষয়টি আমিরাতের বুঝা উচিত। উল্টো এটি তাদের নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং সুখ্যাতির মারাত্মক ক্ষতি করবে। তাই আমিরাতের উচিত তাদের নীতিগুলো পুনর্বিবেচনা করা।