ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইর জবাবের অপেক্ষায় বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিকাশ দোকানে ডাকাতি: প্রধান আসামি মামুন গ্রেফতার মেসির প্রশংসায় বিনয়ী মেদিনা, বললেন—‘অধিনায়কের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত’ অপারেশন সিঁদুর: নিহত সেনাদের তালিকা প্রকাশ ভারতের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার আলোচনায় পাশে থাকবে চীন শাহজালাল (র.) মাজারের দানের অর্থে স্বচ্ছতা আনতে কমিটি, এক মাসের মধ্যে সুপারিশ সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দিলেই মিলবে এক গ্রাম সোনার আংটি, ব্যতিক্রমী উদ্যোগে আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয় হরমুজ প্রণালি থেকে বছরে ৪০ বিলিয়ন ডলার আয় করবে ইরান নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে ফেলে হত্যা, ভাইরাল ভিডিওতে তোলপাড় মাদক নির্মূলে ব্যবস্থা না নিলে এমপি পদ ছাড়ব, গোলাবাড়িতে ১০ হাজার মানুষ নিয়ে লংমার্চের হুঁশিয়ারি

কন্যাশিশুর বিদায় পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে: আজহারি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ৯৪ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা আক্তারের নির্মম বিদায় পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার মিজানুর রহমান আজহারি।

 

বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারি লিখেছেন, ‘কিছু অপরাধ শুধু আইন ভঙ্গ করে না, মানবতাকেও নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। একটি কন্যাশিশুর নির্মম বিদায় আজ পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে! যার বিচার শুধু আইনের নয়, গোটা মানবতার দাবি।’

 

ভবিষ্যতের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই নির্মমতার দ্রুত বিচার ও কঠোরতম শাস্তি এখন সময়েরও দাবি, জানান তিনি।

 

তার মতে, কেবলমাত্র আল্লাহর আইনই পারে এসব বর্বরতা নির্মূল করতে।

 

এর আগে আজ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অপরাধীদের বিচার চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘সাত বছরের মেয়েও যাদের কাছে নিরাপদ না, মানুষ নয় তারা নরপিশাচ। এইসব নৃশংসতার মাত্রা কমিয়ে আনার একমাত্র সমাধান শরিয়া আইন।’

 

গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসায় খাটের নিচ থেকে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

 

পুলিশের ধারণা, বিকৃত যৌনলালসার শিকার হয়েছিল শিশুটি। নির্যাতন বা রক্তক্ষরণের বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়েই তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে শিশুটির মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছিল। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইর জবাবের অপেক্ষায় বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কন্যাশিশুর বিদায় পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে: আজহারি

আপডেট সময় ১১:৩৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা আক্তারের নির্মম বিদায় পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার মিজানুর রহমান আজহারি।

 

বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারি লিখেছেন, ‘কিছু অপরাধ শুধু আইন ভঙ্গ করে না, মানবতাকেও নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। একটি কন্যাশিশুর নির্মম বিদায় আজ পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছে! যার বিচার শুধু আইনের নয়, গোটা মানবতার দাবি।’

 

ভবিষ্যতের শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই নির্মমতার দ্রুত বিচার ও কঠোরতম শাস্তি এখন সময়েরও দাবি, জানান তিনি।

 

তার মতে, কেবলমাত্র আল্লাহর আইনই পারে এসব বর্বরতা নির্মূল করতে।

 

এর আগে আজ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অপরাধীদের বিচার চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘সাত বছরের মেয়েও যাদের কাছে নিরাপদ না, মানুষ নয় তারা নরপিশাচ। এইসব নৃশংসতার মাত্রা কমিয়ে আনার একমাত্র সমাধান শরিয়া আইন।’

 

গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসায় খাটের নিচ থেকে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

 

পুলিশের ধারণা, বিকৃত যৌনলালসার শিকার হয়েছিল শিশুটি। নির্যাতন বা রক্তক্ষরণের বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়েই তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে শিশুটির মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয়েছিল। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।