ঢাকা , রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অপরাধী গ্রেপ্তার না হলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা জাকসুর সিলেট সীমান্তে কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করলো বিজিবি রাঙামাটিতে গাড়ির কিউআর কোড স্ক্যান করলেই মিলবে চালকের সব তথ্য অন্যায় দেখলে ইস্পাতের মতো কঠিন হবো: জামায়াত আমীর হবিগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের সাতটি পাসপোর্টসহ সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি আটক পশ্চিমবঙ্গে যারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছে তাদের ছাড়া হবে না: শুভেন্দু ‘গুপ্ত গুপ্ত’ স্লোগান ব্যঙ্গ করে প্রচারণায় শিবির, সেলফিতে মাতলেন নবীন শিক্ষার্থীরা আমরা শুধু আছি ভারতকে নিয়ে আর ভারত আছে আমাদের নিয়ে: ফজলুর রহমান ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা নিয়ে অসন্তোষ ডেপুটি স্পিকার

সাঈদী সাহেব ভালো মানুষ ছিলেন, তাই তার জানাজায় গিয়েছিলাম: সুখরঞ্জন বালি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪১০ বার পড়া হয়েছে

‘দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ভালো মানুষ ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে আমার নাম দেখে আদালতে হাজির হতে যাই। কিন্তু সে সময় আদালতের গেইট থেকেই আমাদের অপহরণ করা হয়। পরে গুম করে চলে অমানুষিক নির্যাতন।’ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় শেখ হাসিনার বিচার চেয়ে অভিযোগ দায়েরের পর এমন অভিযোগ করেন সাঈদীর মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী সুখরঞ্জন বালি।

তিনি আরও বলেন, পাক হানাদার বাহিনীরা আমার ভাইকে যখন হত্যা করে তখন আমি এবং আমার মা বাথরুমে লুকিয়ে সব দেখি। খুব কষ্ট পাচ্ছিলো আমার ভাই। বাড়ি-ঘরে আগুন দিলে পাক-বাহিনী চলে যাওয়ার পরে দৌড়ে যে বুকে জরিয়ে ধরি ভাইকে, আমার কোলেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে সে। তবে এ ঘটনার সময় কোথাও দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ছিলেন না। তাকে তো আমি তখন চিনতামও না।

সুখরঞ্জন বালি বলেন, এ ঘটনার অনেক পরে তিনি যখন আমাদের এলাকার এমপি হয়ে আসেন তখন আমি তাকে চিনেছি। অনেক ভালো লোক ছিলেন তিনি। আমি জানতামও না আমাকে তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বলা হয়েছে। তার মত একটা ভালো মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়ে আমাকে তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বলা হয়। তখন তার ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমি আদালতে হাজির হয়ে সত্য সামনে আনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আদালতের গেইট থেকেই সাদা পোশাকধারী একদল পুলিশ মারধর করে নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, পরে আমার চোখ বেধে কোথায় নিয়ে যায় আমি জানি না। পরে বুঝতে পারি তারা আমাকে বিএসএফের হাতে তুলে দিচ্ছে। ওরা আমাকে অনেক নির্যাতন করে। এক মামলায় আমাকে আসামি করে দীর্ঘদিন কারাগারে রাখা হয়। নির্যাতনের জন্যে আমার এখন কিছু মনে থাকে না, হার্টে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অপরাধী গ্রেপ্তার না হলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা জাকসুর

সাঈদী সাহেব ভালো মানুষ ছিলেন, তাই তার জানাজায় গিয়েছিলাম: সুখরঞ্জন বালি

আপডেট সময় ০১:৪১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

‘দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ভালো মানুষ ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে আমার নাম দেখে আদালতে হাজির হতে যাই। কিন্তু সে সময় আদালতের গেইট থেকেই আমাদের অপহরণ করা হয়। পরে গুম করে চলে অমানুষিক নির্যাতন।’ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় শেখ হাসিনার বিচার চেয়ে অভিযোগ দায়েরের পর এমন অভিযোগ করেন সাঈদীর মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী সুখরঞ্জন বালি।

তিনি আরও বলেন, পাক হানাদার বাহিনীরা আমার ভাইকে যখন হত্যা করে তখন আমি এবং আমার মা বাথরুমে লুকিয়ে সব দেখি। খুব কষ্ট পাচ্ছিলো আমার ভাই। বাড়ি-ঘরে আগুন দিলে পাক-বাহিনী চলে যাওয়ার পরে দৌড়ে যে বুকে জরিয়ে ধরি ভাইকে, আমার কোলেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে সে। তবে এ ঘটনার সময় কোথাও দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ছিলেন না। তাকে তো আমি তখন চিনতামও না।

সুখরঞ্জন বালি বলেন, এ ঘটনার অনেক পরে তিনি যখন আমাদের এলাকার এমপি হয়ে আসেন তখন আমি তাকে চিনেছি। অনেক ভালো লোক ছিলেন তিনি। আমি জানতামও না আমাকে তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বলা হয়েছে। তার মত একটা ভালো মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়ে আমাকে তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে বলা হয়। তখন তার ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমি আদালতে হাজির হয়ে সত্য সামনে আনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আদালতের গেইট থেকেই সাদা পোশাকধারী একদল পুলিশ মারধর করে নিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, পরে আমার চোখ বেধে কোথায় নিয়ে যায় আমি জানি না। পরে বুঝতে পারি তারা আমাকে বিএসএফের হাতে তুলে দিচ্ছে। ওরা আমাকে অনেক নির্যাতন করে। এক মামলায় আমাকে আসামি করে দীর্ঘদিন কারাগারে রাখা হয়। নির্যাতনের জন্যে আমার এখন কিছু মনে থাকে না, হার্টে সমস্যা দেখা দিয়েছে।