ঢাকা , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জার্মানি, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনাকে হারানোর মানসিকতা ছড়িয়ে দিতে চান বাংলাদেশের কোচ স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর গলায় ফাঁস, প্রাণ গেল নারী ইউপি সদস্যের জমি লিখে না দেওয়ায় প্রতিবন্ধী মা-র সঙ্গে ছেলে ইসলামী আন্দোলনের নেতার অমানবিক আচরণ সময় থাকতে কার্যকর পদক্ষেপ নিন: জামায়াত আমির ধর্মেন্দ্রের পদত্যাগের পর ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী যিনি গ্রাম পুলিশের স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের, বড় সংঘাতের হুঁশিয়ারি ৫০টির বেশি ড্রোন অচল করতে সক্ষম ‘মরফিয়াস এক্স-রোটর’ উন্মোচন লকহিড মার্টিনের ফ্যাসিবাদ কায়েম করলে জনগণ আপনাদেরও তাড়াবে: সরকারকে বিরোধীদলীয় নেতা ৩ নেতা একসাথে হলে এক সপ্তাহের মধ্যে এই সরকারের পতন: কর্নেল অলি আহমদ

পাকিস্তান থেকে মন্ত্রী এলে যারা বড় জ্যাঠা মনে করে, আমি তাদের বিরুদ্ধে: ফজলুর রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • ২০৭ বার পড়া হয়েছে

এখন পাকিস্তান থেকে মন্ত্রী এলেই যারা ‘বড় জ্যাঠা’ ভাবেন, তাদের বিরুদ্ধেই অবস্থান- এমন কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ইটনা উপজেলার রায়টুটী ইউনিয়নের রাজী ঈদগাহ মাঠে ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফজলুর রহমান বলেন, তার রাজনৈতিক আদর্শ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে এসেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি সেক্টর ও ব্রিগেড কমান্ডার ছিলেন, রাষ্ট্রপতি ছিলেন; সেই শহীদ জিয়াই বিএনপি গড়েছেন। আমি মুক্তিযোদ্ধার দলে আছি। নিজেকে ধর্মবিরোধী বলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমি মুসলমান ঘরে জন্মেছি, পাঁচ বছর বয়সে মসজিদ-মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছি। ধর্মের বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে যারা কথা বলে, তারা মিথ্যাবাদী, বেইমান, রাজাকার, স্বাধীনতাবিরোধী।’

জামায়াতে ইসলামী তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে দাবি করে ফজলুর রহমান বলেন, ৫ আগস্টের পর দলটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। যারা বলে ৭১-এ যুদ্ধ হয়নি, পাকিস্তান থেকে কেউ এলে বড় জ্যাঠা এসেছে- আমি তাদের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশই থাকবে, এটাই আমার লড়াই।’

মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘৩০ লাখ শহীদের রক্ত, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম, নির্বাসনে যাওয়া এক কোটি মানুষ- এসব ইতিহাস মুছে ফেলা যাবে না।’ কর্মী সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপনসহ স্থানীয় নেতারা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জার্মানি, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনাকে হারানোর মানসিকতা ছড়িয়ে দিতে চান বাংলাদেশের কোচ

পাকিস্তান থেকে মন্ত্রী এলে যারা বড় জ্যাঠা মনে করে, আমি তাদের বিরুদ্ধে: ফজলুর রহমান

আপডেট সময় ১১:৪৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

এখন পাকিস্তান থেকে মন্ত্রী এলেই যারা ‘বড় জ্যাঠা’ ভাবেন, তাদের বিরুদ্ধেই অবস্থান- এমন কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ইটনা উপজেলার রায়টুটী ইউনিয়নের রাজী ঈদগাহ মাঠে ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফজলুর রহমান বলেন, তার রাজনৈতিক আদর্শ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে এসেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি সেক্টর ও ব্রিগেড কমান্ডার ছিলেন, রাষ্ট্রপতি ছিলেন; সেই শহীদ জিয়াই বিএনপি গড়েছেন। আমি মুক্তিযোদ্ধার দলে আছি। নিজেকে ধর্মবিরোধী বলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমি মুসলমান ঘরে জন্মেছি, পাঁচ বছর বয়সে মসজিদ-মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছি। ধর্মের বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে যারা কথা বলে, তারা মিথ্যাবাদী, বেইমান, রাজাকার, স্বাধীনতাবিরোধী।’

জামায়াতে ইসলামী তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে দাবি করে ফজলুর রহমান বলেন, ৫ আগস্টের পর দলটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। যারা বলে ৭১-এ যুদ্ধ হয়নি, পাকিস্তান থেকে কেউ এলে বড় জ্যাঠা এসেছে- আমি তাদের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশই থাকবে, এটাই আমার লড়াই।’

মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘৩০ লাখ শহীদের রক্ত, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম, নির্বাসনে যাওয়া এক কোটি মানুষ- এসব ইতিহাস মুছে ফেলা যাবে না।’ কর্মী সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপনসহ স্থানীয় নেতারা।