ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০ আগে বলত ‘রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী’, এখন বলছে ‘গুপ্ত’: জাহিদুল ইসলাম মন্ত্রীর কাছ থেকে শুনি, তার লম্বা এ কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়: ডেপুটি স্পিকার অনিয়ম-দুর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতা দেশটাকে খেয়ে ফেলছে: এটিএম আজহার সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে ছাত্রশিবিরের তীব্র প্রতিবাদ নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট নয়, উপসাগরীয় দেশগুলোকে স্বনির্ভর হতে বলল কাতার বিরোধীদলীয় নেতার জন্য হায়াতে তাইয়্যেবার দোয়া করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলীয় নেতাকে দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিরলে ফাঁসির কাষ্ঠে নিতে জুলাই শহীদদের পরিবারই যথেষ্ট: সারজিস কানে শোনে না, কথাও বলতে পারে না তবুও রঙের ভাষায় স্বপ্ন আঁকে সাবা

পাকিস্তান থেকে মন্ত্রী এলে যারা বড় জ্যাঠা মনে করে, আমি তাদের বিরুদ্ধে: ফজলুর রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৩০ বার পড়া হয়েছে

এখন পাকিস্তান থেকে মন্ত্রী এলেই যারা ‘বড় জ্যাঠা’ ভাবেন, তাদের বিরুদ্ধেই অবস্থান- এমন কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ইটনা উপজেলার রায়টুটী ইউনিয়নের রাজী ঈদগাহ মাঠে ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফজলুর রহমান বলেন, তার রাজনৈতিক আদর্শ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে এসেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি সেক্টর ও ব্রিগেড কমান্ডার ছিলেন, রাষ্ট্রপতি ছিলেন; সেই শহীদ জিয়াই বিএনপি গড়েছেন। আমি মুক্তিযোদ্ধার দলে আছি। নিজেকে ধর্মবিরোধী বলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমি মুসলমান ঘরে জন্মেছি, পাঁচ বছর বয়সে মসজিদ-মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছি। ধর্মের বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে যারা কথা বলে, তারা মিথ্যাবাদী, বেইমান, রাজাকার, স্বাধীনতাবিরোধী।’

জামায়াতে ইসলামী তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে দাবি করে ফজলুর রহমান বলেন, ৫ আগস্টের পর দলটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। যারা বলে ৭১-এ যুদ্ধ হয়নি, পাকিস্তান থেকে কেউ এলে বড় জ্যাঠা এসেছে- আমি তাদের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশই থাকবে, এটাই আমার লড়াই।’

মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘৩০ লাখ শহীদের রক্ত, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম, নির্বাসনে যাওয়া এক কোটি মানুষ- এসব ইতিহাস মুছে ফেলা যাবে না।’ কর্মী সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপনসহ স্থানীয় নেতারা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০

পাকিস্তান থেকে মন্ত্রী এলে যারা বড় জ্যাঠা মনে করে, আমি তাদের বিরুদ্ধে: ফজলুর রহমান

আপডেট সময় ১১:৪৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

এখন পাকিস্তান থেকে মন্ত্রী এলেই যারা ‘বড় জ্যাঠা’ ভাবেন, তাদের বিরুদ্ধেই অবস্থান- এমন কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ইটনা উপজেলার রায়টুটী ইউনিয়নের রাজী ঈদগাহ মাঠে ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ফজলুর রহমান বলেন, তার রাজনৈতিক আদর্শ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে এসেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি সেক্টর ও ব্রিগেড কমান্ডার ছিলেন, রাষ্ট্রপতি ছিলেন; সেই শহীদ জিয়াই বিএনপি গড়েছেন। আমি মুক্তিযোদ্ধার দলে আছি। নিজেকে ধর্মবিরোধী বলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমি মুসলমান ঘরে জন্মেছি, পাঁচ বছর বয়সে মসজিদ-মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছি। ধর্মের বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে যারা কথা বলে, তারা মিথ্যাবাদী, বেইমান, রাজাকার, স্বাধীনতাবিরোধী।’

জামায়াতে ইসলামী তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে দাবি করে ফজলুর রহমান বলেন, ৫ আগস্টের পর দলটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। যারা বলে ৭১-এ যুদ্ধ হয়নি, পাকিস্তান থেকে কেউ এলে বড় জ্যাঠা এসেছে- আমি তাদের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশই থাকবে, এটাই আমার লড়াই।’

মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘৩০ লাখ শহীদের রক্ত, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম, নির্বাসনে যাওয়া এক কোটি মানুষ- এসব ইতিহাস মুছে ফেলা যাবে না।’ কর্মী সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপনসহ স্থানীয় নেতারা।