ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামিসা হত্যা মামলার বিচার ঈদের পর শুরু হবে: আইনমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

ঈদের ছুটির পরপরই রামিসা হত্যাকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার (২৩ মে) তিনি এ কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) টেস্টের রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, ‘ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়া চার্জশিট দিলে পরবর্তী সময় বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই পুলিশ চার্জশিট দেবে। সব ঠিক থাকলে ঈদের আগেই চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে।’

উচ্চ আদালতে এ ধরনের মামলার আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হওয়ার পর তা অনুমোদনের জন্য যখন হাইকোর্টে আসে, তখন পেপার বুক (মামলার বৃত্তান্ত) তৈরিতে অনেক সময় লেগে যায়। এর ফলে চূড়ান্ত রায় পেতে বিলম্ব হয়। এই প্রক্রিয়াটি কিভাবে আরো দ্রুত ও সহজ করা যায়, তা নিয়ে সরকার বর্তমানে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রামিসা হত্যা মামলার বিচার ঈদের পর শুরু হবে: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

ঈদের ছুটির পরপরই রামিসা হত্যাকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার (২৩ মে) তিনি এ কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) টেস্টের রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, ‘ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়া চার্জশিট দিলে পরবর্তী সময় বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই পুলিশ চার্জশিট দেবে। সব ঠিক থাকলে ঈদের আগেই চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে।’

উচ্চ আদালতে এ ধরনের মামলার আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হওয়ার পর তা অনুমোদনের জন্য যখন হাইকোর্টে আসে, তখন পেপার বুক (মামলার বৃত্তান্ত) তৈরিতে অনেক সময় লেগে যায়। এর ফলে চূড়ান্ত রায় পেতে বিলম্ব হয়। এই প্রক্রিয়াটি কিভাবে আরো দ্রুত ও সহজ করা যায়, তা নিয়ে সরকার বর্তমানে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।