ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

“বাবা যাও, তোমার সঙ্গে বেহেশতে দেখা হবে।”

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৩১:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ১০১১ বার পড়া হয়েছে

গত শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সংঘটিত ভূমিকপে পুরান ঢাকার বংশালের কসাইটুলিতে মাথায় ইট পড়ে সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলাম রাফি (২৩) নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন তার মা নুসরাত জাহান নিপা।

শনিবার (২২ নভেম্বর) বাদ জোহর শহরের সুত্রাপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠে রাফির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বাদ আসর তাকে বগুড়া শহরের নামাজগড় আঞ্জুমান-ই গোরস্থানে দাদা ও চাচার কবরের পাশে দাফন করা হয়।

দাফনের সময় রাফির মা নিপা চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছেলের কফিনের পাশে বসেছিলেন। ছেলের মৃত্যুর খবর জানার পর তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং আহাজারি করতে থাকেন। উপস্থিতরা তাকে শান্ত করার পর কিছুটা সহনশীল হন। দাফনের সময় নিপা ছেলের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন এবং কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “বাবা যাও, তোমার সঙ্গে বেহেশতে দেখা হবে।” এ সময় কেবল আত্মীয়-স্বজন নয়, উপস্থিত সবাই কান্নায় ভেঙে পড়েন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আমার এলাকায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে পুলিশ লাগবে না: ফজলুর রহমান

“বাবা যাও, তোমার সঙ্গে বেহেশতে দেখা হবে।”

আপডেট সময় ০৮:৩১:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

গত শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সংঘটিত ভূমিকপে পুরান ঢাকার বংশালের কসাইটুলিতে মাথায় ইট পড়ে সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলাম রাফি (২৩) নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন তার মা নুসরাত জাহান নিপা।

শনিবার (২২ নভেম্বর) বাদ জোহর শহরের সুত্রাপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠে রাফির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বাদ আসর তাকে বগুড়া শহরের নামাজগড় আঞ্জুমান-ই গোরস্থানে দাদা ও চাচার কবরের পাশে দাফন করা হয়।

দাফনের সময় রাফির মা নিপা চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছেলের কফিনের পাশে বসেছিলেন। ছেলের মৃত্যুর খবর জানার পর তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং আহাজারি করতে থাকেন। উপস্থিতরা তাকে শান্ত করার পর কিছুটা সহনশীল হন। দাফনের সময় নিপা ছেলের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন এবং কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “বাবা যাও, তোমার সঙ্গে বেহেশতে দেখা হবে।” এ সময় কেবল আত্মীয়-স্বজন নয়, উপস্থিত সবাই কান্নায় ভেঙে পড়েন।