ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জকসুর ক্রীড়া সম্পাদককে চড়, ফেসবুকে ফের শাসালেন ছাত্রদল নেত্রী আর ভদ্রতা নয়, অস্ত্র হাতে ছবি দিয়ে ইরানকে ট্রাম্পের হুমকি নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের ৫ নেতাকে শোকজ প্যারোলে মুক্তি মেলেনি, জেলগেটে নেওয়া হলো ছাত্রলীগ নেতার বাবার লাশ নিজ হাতে জিপ গাড়ি বানিয়ে তাক লাগালেন রূপগঞ্জের সোহেল মিয়া পদ্মায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু তেল পাচারের অভিযোগে দুইজন আটক ৪০ ঘণ্টা হৃদস্পন্দন বন্ধ থাকার পরও বেঁচে ফিরলেন রোগী অসুস্থ মায়ের জন্য দোয়া চেয়ে দানবাক্সে চিঠি, সঙ্গে নগদ টাকা ও একজোড়া স্বর্ণের দুল সংরক্ষিত নারী আসনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪৯ প্রার্থী নির্বাচিত, গেজেট কাল

আমার হাঁস আমার চাষ করা ধানই খাবে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৭:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৪ বার পড়া হয়েছে

ভোটকেন্দ্রে জাল ভোট রোধে কর্মী-সমর্থকদের সতর্ক ও সক্রিয় থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়গরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

পথসভায় রুমিন ফারহানা বলেন, “আপনারা ভোটকেন্দ্র পাহারায় থাকবেন। একটা জাল ভোট যেন দিতে না পারে। আমার একটা হাঁসও যেন কোনো শিয়াল চুরি না করে। গুনে গুনে হাঁস আপনারা খোঁয়ারে তুলবেন।” তিনি নিজের রাজনৈতিক সংগ্রামের উপমা টেনে বলেন, “১৫ বছর হালচাষ করলাম, বীজ দিলাম, ধান লাগালাম। ফসল কাটার সময় যদি মরুভূমি আসে, তাহলে কেমন লাগে? আমার হাঁস আমার চাষ করা ধানই খাবে।”

বিএনপির সাবেক এই নেত্রী বলেন, এবারের নির্বাচন সাধারণ মানুষের নির্বাচন। “হাঁস কোনো দলের প্রতীক নয়, কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর প্রতীকও নয়। হাঁস হলো সাধারণ মানুষের প্রতীক। হাঁস মার্কা উন্নয়নের মার্কা, গণতন্ত্রের মার্কা, সাহস ও সততার মার্কা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মার্কা। সংসদের ৩০০ এমপির বিরুদ্ধে একা লড়াই করার মার্কা,”—বলেন তিনি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ভোটের দিন (১২ তারিখ) সকাল থেকে ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। “আপনারাই আমার ভোটের হেফাজতকারী। আপনারা একটা দিন আমার জন্য কষ্ট করেন। আগামী পাঁচ বছর আমি এই দুই উপজেলাকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলব,”—প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

পথসভায় তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস প্রসঙ্গও তোলেন। রুমিন ফারহানা বলেন, “আমার মা-বোনেরা আমাকে গ্যাসের কথা বলেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাজার নেতা এসেছেন, হাজার নেতা গেছেন। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ আগে পাবে—তারপর বাংলাদেশের অন্য এলাকায় যাবে। এই কথা আমি প্রথম বলেছি।” এ বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো ‘হাইকমান্ডের’ নেতা নয়, বরং এলাকার মানুষের দাবিই তাঁর দাবি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জকসুর ক্রীড়া সম্পাদককে চড়, ফেসবুকে ফের শাসালেন ছাত্রদল নেত্রী

আমার হাঁস আমার চাষ করা ধানই খাবে

আপডেট সময় ১০:৩৭:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

ভোটকেন্দ্রে জাল ভোট রোধে কর্মী-সমর্থকদের সতর্ক ও সক্রিয় থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়গরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

পথসভায় রুমিন ফারহানা বলেন, “আপনারা ভোটকেন্দ্র পাহারায় থাকবেন। একটা জাল ভোট যেন দিতে না পারে। আমার একটা হাঁসও যেন কোনো শিয়াল চুরি না করে। গুনে গুনে হাঁস আপনারা খোঁয়ারে তুলবেন।” তিনি নিজের রাজনৈতিক সংগ্রামের উপমা টেনে বলেন, “১৫ বছর হালচাষ করলাম, বীজ দিলাম, ধান লাগালাম। ফসল কাটার সময় যদি মরুভূমি আসে, তাহলে কেমন লাগে? আমার হাঁস আমার চাষ করা ধানই খাবে।”

বিএনপির সাবেক এই নেত্রী বলেন, এবারের নির্বাচন সাধারণ মানুষের নির্বাচন। “হাঁস কোনো দলের প্রতীক নয়, কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর প্রতীকও নয়। হাঁস হলো সাধারণ মানুষের প্রতীক। হাঁস মার্কা উন্নয়নের মার্কা, গণতন্ত্রের মার্কা, সাহস ও সততার মার্কা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মার্কা। সংসদের ৩০০ এমপির বিরুদ্ধে একা লড়াই করার মার্কা,”—বলেন তিনি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ভোটের দিন (১২ তারিখ) সকাল থেকে ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। “আপনারাই আমার ভোটের হেফাজতকারী। আপনারা একটা দিন আমার জন্য কষ্ট করেন। আগামী পাঁচ বছর আমি এই দুই উপজেলাকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলব,”—প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

পথসভায় তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস প্রসঙ্গও তোলেন। রুমিন ফারহানা বলেন, “আমার মা-বোনেরা আমাকে গ্যাসের কথা বলেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাজার নেতা এসেছেন, হাজার নেতা গেছেন। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ আগে পাবে—তারপর বাংলাদেশের অন্য এলাকায় যাবে। এই কথা আমি প্রথম বলেছি।” এ বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো ‘হাইকমান্ডের’ নেতা নয়, বরং এলাকার মানুষের দাবিই তাঁর দাবি।