ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০ আগে বলত ‘রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী’, এখন বলছে ‘গুপ্ত’: জাহিদুল ইসলাম মন্ত্রীর কাছ থেকে শুনি, তার লম্বা এ কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়: ডেপুটি স্পিকার অনিয়ম-দুর্নীতি এবং স্বেচ্ছাচারিতা দেশটাকে খেয়ে ফেলছে: এটিএম আজহার সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে ছাত্রশিবিরের তীব্র প্রতিবাদ নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট নয়, উপসাগরীয় দেশগুলোকে স্বনির্ভর হতে বলল কাতার বিরোধীদলীয় নেতার জন্য হায়াতে তাইয়্যেবার দোয়া করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলীয় নেতাকে দেড়শ টাকার খাবারের দাওয়াত দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিরলে ফাঁসির কাষ্ঠে নিতে জুলাই শহীদদের পরিবারই যথেষ্ট: সারজিস কানে শোনে না, কথাও বলতে পারে না তবুও রঙের ভাষায় স্বপ্ন আঁকে সাবা

ঝিনাইদহে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৬৩ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়নের হারানঘাট গ্রামে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় পুলিশের একটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয় এবং হামলায় এক পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন।

 

রবিবার (২৩ নভেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এলাকাটিতে বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চলমান রয়েছে।

 

 

পরবর্তীতে আহত মিঠু বিশ্বাস (৪২), গোলাম ফারুক (৬০) ও রকিবুল ইসলাম (৪৫)-কে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকি আহত ব্যক্তিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে আহত পুলিশ সদস্যের নাম পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলাম এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজ বিশ্বাসের মধ্যে এলাকায় রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল। রোববার বিকেলে কল্যাণপুর বাজারে নজরুল ইসলামের সমর্থক মিঠু বিশ্বাসকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে প্রতিপক্ষের সমর্থকরা। পরে জেলা শহরে বিএনপির মিটিং শেষ করে বিকাল ৫টার দিকে সিরাজ বিশ্বাসের সমর্থক গোলাম ফারুক ও রকিবুল ইসলাম বাড়ি ফিরছিলেন।

 

পথিমধ্যে হারানঘাট গ্রামে পৌঁছালে নজরুল ইসলামের সমর্থকরা তাদের ধাওয়া করেন। তারা একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে নারিকেলবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পে সাহায্য চান। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে গাড়িতে তুললে নজরুল ইসলামের সমর্থকরা পুলিশের গাড়িতে হামলা চালান। এ সময় তারা গাড়ির ভিতরে ও বাইরে নামিয়ে গোলাম ফারুক ও রকিবুল ইসলামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন এবং পুলিশের পিকআপ ভাঙচুর করেন। হামলায় পুলিশের এক সদস্য সামান্য আহত হন। পরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়। ভাঙচুর করা গাড়িটি বর্তমানে পুলিশ লাইনে রাখা হয়েছে।

 

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ ছোঁয়া ইসরাইল জানান, হাসপাতালে আসা আহত তিনজনেরই শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। এর মধ্যে গোলাম ফারুকের অবস্থা সবচেয়ে গুরুতর। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।

 

সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “খবর পেয়ে ঝিনাইদহ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। জড়িতদের ধরতে আমরা অভিযান চালাচ্ছি।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০

ঝিনাইদহে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর

আপডেট সময় ১২:৩২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়নের হারানঘাট গ্রামে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় পুলিশের একটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয় এবং হামলায় এক পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন।

 

রবিবার (২৩ নভেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এলাকাটিতে বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চলমান রয়েছে।

 

 

পরবর্তীতে আহত মিঠু বিশ্বাস (৪২), গোলাম ফারুক (৬০) ও রকিবুল ইসলাম (৪৫)-কে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকি আহত ব্যক্তিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে আহত পুলিশ সদস্যের নাম পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার দোগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলাম এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজ বিশ্বাসের মধ্যে এলাকায় রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল। রোববার বিকেলে কল্যাণপুর বাজারে নজরুল ইসলামের সমর্থক মিঠু বিশ্বাসকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে প্রতিপক্ষের সমর্থকরা। পরে জেলা শহরে বিএনপির মিটিং শেষ করে বিকাল ৫টার দিকে সিরাজ বিশ্বাসের সমর্থক গোলাম ফারুক ও রকিবুল ইসলাম বাড়ি ফিরছিলেন।

 

পথিমধ্যে হারানঘাট গ্রামে পৌঁছালে নজরুল ইসলামের সমর্থকরা তাদের ধাওয়া করেন। তারা একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে নারিকেলবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পে সাহায্য চান। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে গাড়িতে তুললে নজরুল ইসলামের সমর্থকরা পুলিশের গাড়িতে হামলা চালান। এ সময় তারা গাড়ির ভিতরে ও বাইরে নামিয়ে গোলাম ফারুক ও রকিবুল ইসলামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন এবং পুলিশের পিকআপ ভাঙচুর করেন। হামলায় পুলিশের এক সদস্য সামান্য আহত হন। পরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়। ভাঙচুর করা গাড়িটি বর্তমানে পুলিশ লাইনে রাখা হয়েছে।

 

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ ছোঁয়া ইসরাইল জানান, হাসপাতালে আসা আহত তিনজনেরই শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। এর মধ্যে গোলাম ফারুকের অবস্থা সবচেয়ে গুরুতর। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।

 

সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “খবর পেয়ে ঝিনাইদহ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। জড়িতদের ধরতে আমরা অভিযান চালাচ্ছি।”