ঢাকা , সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
৭ মাসে বিএনপি নেতাদের দখলবাজিতে সরকার মারাত্মক ব্যর্থ: গোলাম পরওয়ার বিএনপি নেতাকর্মীদের জন্য হাসনাতের ডাকে ‘গণভিক্ষা’ কর্মসূচি সাবেক এমপির বাসায় অভিযান, ছাত্রলীগের ১৫ নেতা-কর্মী আটক ‘যে হামলায় জামায়াত ও আ.লীগের সম্পৃক্ততা আছে, সেখানে বিএনপিকে ট্যাগিং করেছেন সালমান মুক্তাদির’ লটারির পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষা চালুর দাবিতে শিশুদের দিয়ে কোচিং পরিচালকদের মানববন্ধন বিনা দোষে ২২ বছর কারাবাস: ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকোর্টের রুল ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ রাড্ডা ক্লিনিক পুনর্নির্মাণে ৫০ লাখ টাকা অনুদান দেবে জামায়াতে ইসলামী: ডা. শফিকুর রহমান শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন মাশরাফি, ‘শুভ জন্মদিন বঙ্গবন্ধু কন্যা’ প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজ ঘরেই আগুন দেয়ার অভিযোগ

‘যে হামলায় জামায়াত ও আ.লীগের সম্পৃক্ততা আছে, সেখানে বিএনপিকে ট্যাগিং করেছেন সালমান মুক্তাদির’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:২৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান আবিদ। তার অভিযোগ, যে হামলায় জামায়াত ও আওয়ামী লীগের নেতাদের সরাসরি সম্পৃক্ততা ও অভ্যন্তরীণ বিরোধের বিষয় উঠে এসেছে, সেখানে সালমান মুক্তাদির ভিত্তিহীনভাবে বিএনপিকে জড়িয়ে ‘চাঁদাবাজির’ ট্যাগ লাগানোর চেষ্টা করেছেন।

 

নিজের ফেসবুকে দেওয়া ভিডিও বার্তায় আবিদুল ইসলাম খান আবিদ সালমান মুক্তাদিরকে ‘মিথ্যাবাদী রাখাল বালক’-এর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এর আগেও দুটি সংবেদনশীল ঘটনায় তিনি ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে জনগণের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং পরে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এবারও তিনি তৃতীয়বারের মতো নিজের ‘সেলফ প্রমোশন’ ও মানুষের আবেগকে কাজে লাগাতে একই পথ বেছে নিয়েছেন।

 

ঘটনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, ইসিবি চত্বরের ওই ঘটনার পেছনে মূলত জমি ও দখল নিয়ে জামায়াত এবং আওয়ামী লীগের মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব দায়ী। এক পক্ষে ছিলেন জামায়াতের রোকন ও নেতা নাজিমুদ্দিন, যিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্যান্টনমেন্ট থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের সঙ্গে আঁতাত করে নানা সুবিধা ভোগ করেছেন। অপর পক্ষে ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মহিউদ্দিন আহমেদ, যিনি আওয়ামী লীগের যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রেখে চলতেন এবং বর্তমানে জামায়াত নেতা হিসেবে পরিচিত। গত ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে তাদের মধ্যে যে প্রভাব বিস্তারের কোন্দল তৈরি হয়, তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটে ওই রাতের সশস্ত্র হামলায়।

 

তিনি আরো বলেন, এই সংঘর্ষের শিকার হয়ে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশের তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষ এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়েছিল। এমনকি ওই হামলায় যাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে, সে-ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। অথচ প্রকৃত হামলাকারীদের নাম মুখে না এনে, যাদের ন্যূনতম কোনো সম্পৃক্ততা নেই, সেই বিএনপিকে ট্যাগ করে সালমান মুক্তাদির বিভ্রান্তি ছড়িয়েছেন। তিনি এখনো থানায় কোনো মামলা বা এজাহার পর্যন্ত দায়ের করেননি।

 

আবিদ আরো হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জুলাই আন্দোলনের কারণে দেশের মানুষ সালমান মুক্তাদিরকে যে সম্মান ও গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছিল, বারবার এমন অসত্য বক্তব্য ও মিথ্যা প্রচারের মাধ্যমে তিনি তার অনুসারীদের কাছে সেই আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। ভবিষ্যতে যেকোনো বিষয়ে কথা বলার আগে তাকে আরো সতর্ক ও সত্যনিষ্ঠ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

৭ মাসে বিএনপি নেতাদের দখলবাজিতে সরকার মারাত্মক ব্যর্থ: গোলাম পরওয়ার

‘যে হামলায় জামায়াত ও আ.লীগের সম্পৃক্ততা আছে, সেখানে বিএনপিকে ট্যাগিং করেছেন সালমান মুক্তাদির’

আপডেট সময় ০৯:২৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান আবিদ। তার অভিযোগ, যে হামলায় জামায়াত ও আওয়ামী লীগের নেতাদের সরাসরি সম্পৃক্ততা ও অভ্যন্তরীণ বিরোধের বিষয় উঠে এসেছে, সেখানে সালমান মুক্তাদির ভিত্তিহীনভাবে বিএনপিকে জড়িয়ে ‘চাঁদাবাজির’ ট্যাগ লাগানোর চেষ্টা করেছেন।

 

নিজের ফেসবুকে দেওয়া ভিডিও বার্তায় আবিদুল ইসলাম খান আবিদ সালমান মুক্তাদিরকে ‘মিথ্যাবাদী রাখাল বালক’-এর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এর আগেও দুটি সংবেদনশীল ঘটনায় তিনি ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে জনগণের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং পরে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এবারও তিনি তৃতীয়বারের মতো নিজের ‘সেলফ প্রমোশন’ ও মানুষের আবেগকে কাজে লাগাতে একই পথ বেছে নিয়েছেন।

 

ঘটনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, ইসিবি চত্বরের ওই ঘটনার পেছনে মূলত জমি ও দখল নিয়ে জামায়াত এবং আওয়ামী লীগের মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব দায়ী। এক পক্ষে ছিলেন জামায়াতের রোকন ও নেতা নাজিমুদ্দিন, যিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্যান্টনমেন্ট থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের সঙ্গে আঁতাত করে নানা সুবিধা ভোগ করেছেন। অপর পক্ষে ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মহিউদ্দিন আহমেদ, যিনি আওয়ামী লীগের যুবলীগ নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রেখে চলতেন এবং বর্তমানে জামায়াত নেতা হিসেবে পরিচিত। গত ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে তাদের মধ্যে যে প্রভাব বিস্তারের কোন্দল তৈরি হয়, তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটে ওই রাতের সশস্ত্র হামলায়।

 

তিনি আরো বলেন, এই সংঘর্ষের শিকার হয়ে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশের তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষ এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়েছিল। এমনকি ওই হামলায় যাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে, সে-ও মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। অথচ প্রকৃত হামলাকারীদের নাম মুখে না এনে, যাদের ন্যূনতম কোনো সম্পৃক্ততা নেই, সেই বিএনপিকে ট্যাগ করে সালমান মুক্তাদির বিভ্রান্তি ছড়িয়েছেন। তিনি এখনো থানায় কোনো মামলা বা এজাহার পর্যন্ত দায়ের করেননি।

 

আবিদ আরো হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জুলাই আন্দোলনের কারণে দেশের মানুষ সালমান মুক্তাদিরকে যে সম্মান ও গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছিল, বারবার এমন অসত্য বক্তব্য ও মিথ্যা প্রচারের মাধ্যমে তিনি তার অনুসারীদের কাছে সেই আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। ভবিষ্যতে যেকোনো বিষয়ে কথা বলার আগে তাকে আরো সতর্ক ও সত্যনিষ্ঠ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।