ঢাকা , বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘুষ নেওয়ায় ইউপি প্রশাসককে অবরুদ্ধ, পুলিশ দিয়ে উদ্ধার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও কচুয়া উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা খান মোয়াজ্জামান হোসেন রাসেলের বিরুদ্ধে নাগরিক সেবা দিতে ঘুষ ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে ক্ষুব্ধ সেবাগ্রহীতারা মঙ্গলবার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

 

খবর পেয়ে কচুয়া উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।

 

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নাগরিক সনদ, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে নির্ধারিত সরকারি ফির চেয়ে কয়েক গুণ বেশি অর্থ দাবি করা হয়। দাবি করা অর্থ পরিশোধ না করলে দিনের পর দিন পরিষদে ঘুরতে হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

 

স্থানীয় লোকজন জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আত্মগোপনে চলে যাওয়ার পর নাগরিক সেবা স্বাভাবিক রাখতে খান মোয়াজ্জামান হোসেন রাসেলকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন নাগরিক সেবার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠতে থাকে তার বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী রিপন হাওলাদার অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন পরিষদে প্রয়োজনীয় সেবা নিতে গিয়ে তাকে নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ দিতে বলা হয়েছে। টাকা না দিলে সেবা পেতে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

ঘটনার বিষয়ে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. বদরুদ্দৌজা বলেন, প্রাথমিকভাবে অভিযোগকারীদের কাছ থেকে তথ্য নেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পাঁচ জনের সাক্ষ্যসহ অভিযোগের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘুষ নেওয়ায় ইউপি প্রশাসককে অবরুদ্ধ, পুলিশ দিয়ে উদ্ধার

আপডেট সময় ১১:২৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও কচুয়া উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা খান মোয়াজ্জামান হোসেন রাসেলের বিরুদ্ধে নাগরিক সেবা দিতে ঘুষ ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে ক্ষুব্ধ সেবাগ্রহীতারা মঙ্গলবার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

 

খবর পেয়ে কচুয়া উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।

 

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নাগরিক সনদ, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে নির্ধারিত সরকারি ফির চেয়ে কয়েক গুণ বেশি অর্থ দাবি করা হয়। দাবি করা অর্থ পরিশোধ না করলে দিনের পর দিন পরিষদে ঘুরতে হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

 

স্থানীয় লোকজন জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আত্মগোপনে চলে যাওয়ার পর নাগরিক সেবা স্বাভাবিক রাখতে খান মোয়াজ্জামান হোসেন রাসেলকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন নাগরিক সেবার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠতে থাকে তার বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী রিপন হাওলাদার অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন পরিষদে প্রয়োজনীয় সেবা নিতে গিয়ে তাকে নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ দিতে বলা হয়েছে। টাকা না দিলে সেবা পেতে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

ঘটনার বিষয়ে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. বদরুদ্দৌজা বলেন, প্রাথমিকভাবে অভিযোগকারীদের কাছ থেকে তথ্য নেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পাঁচ জনের সাক্ষ্যসহ অভিযোগের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।