• বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে নির্বাসিত অবস্থায় রয়েছেন, এবং তিনি সাম্প্রতিক কিছু বিদেশি সংবাদমাধ্যম—যেমন Reuters, Agence France‑Presse (AFP), এবং The Independent—কে একাধিক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।
  • তিনি বলেন, যদি আগামী নির্বাচনে তার দল আওয়ামী লীগ (আ.লীগ) থাক না পারে, তাহলে তিনি নিজে দেশে ফিরবেন না।
  • এছাড়া, আ.লীগ-বহিষ্কার বা নিষিদ্ধকরণ হলে নির্বাচনকে বৈধ হিসেবে তিনি গ্রহণ করবেন না — এবং ভোটবর্জনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
  • আবর্জনাকল্পে, তিনি বলেন তার বা তার পরিবারের নেতৃত্ব থাকা আ.লীগের জন্য “অনিবার্য নয়” হলেও, দল পুরোপুরি বাদ দেয়া হলে নির্বাচনেই তার অংশগ্রহণ হবে না।
  • সপ্তরোঢ় বছর বয়সী এই নেত্রী আদালতে চলমান মামলায় নিজেকে দায়ী করছেন না এমন মন্তব্য দিয়েছেন; গত ২০২৪ সালের জুলাই মূলক ছাত্র–জনতা বিক্ষোভের কঠোর দমন ও হতাহতের জন্য ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই তিনি উসকে দেওয়া বাছেন না।

বিশ্লেষণ ও প্রেক্ষাপট

  • শেখ হাসিনার সামনে বর্তমানে রয়েছে International Crimes Tribunal‑1 (বাংলাদেশে গঠন করা, যুদ্ধাপরাধ-তত্ত্বাবধান সংক্রান্ত) মামলায় রায় ঘোষণার প্রক্রিয়া, যেখানে তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বিক্ষোভ দমন সময় এক হাজারেরও বেশি নিহত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
  • সম্ভবত এই সাক্ষাৎকার তার রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত করার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে — বিশেষ করে আগামী ফেব্রুয়ারি ২০২৬-তে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাব্য জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষিতে।
  • তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, নির্বাচনের বৈধতা তার দল ও অংশগ্রহণে নির্ভরশীল। এক্ষেত্রে নির্বাচনে অংশ ছাড়া ভোটবর্জনের পথেই যেতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন।
  • প্রসঙ্গত, রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দিক: নির্বাচনের আগে ‘সব-দলীয় অংশগ্রহণ’ নেই কি না, নির্বাচন পরিচালনার স্বচ্ছতা ও বৈধতা কি আছে কি না— এ ধরনের বিষয়গুলো শোনা যাচ্ছে তার বক্তব্যে।

হাইলাইটস

  • শেখ হাসিনা বলছেন: আ.লীগ ছাড়া নির্বাচন হবে, আমি দেশে ফিরব না।
  • তাঁর নিজ দল-পরিবারের নেতৃত্ব ইতিমধ্যে অনিবার্য নয় বললেও, দল বাদ পড়লে নির্বাচনে অংশগ্রহণ নয় বলছেন।
  • দমনকৃত বিক্ষোভে নিহতদের জন্য ক্ষমা চান না; বিচার প্রক্রিয়াকে ‘লজ্জাজনক’ বলছেন।
  • নির্বাচিত হয়নি এমন সরকারের অধীনে ফিরে আসার কথা বলেননি।