ঢাকা , বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইসরায়েলের পণ্যে নিষেধাজ্ঞায় একজোট যুক্তরাজ্য-ফ্রান্সসহ ১২ দেশ কোমরে শিকল-অঝোরে কাঁদছিল কিশোরী, সিলেটের ভিডিও ছড়িয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি  মাত্র চার মাসে কুরআনের হাফেজ ৮ বছরের সাজিদ বাংলাদেশ নিয়ে সতর্ক করল ইসরায়েল রূপপুর প্রকল্পে গভীর রাতে আগুন, ৪৩ ঘণ্টাতেও স্বাভাবিক হয়নি বিদ্যুৎ-ইন্টারনেট মালয়েশিয়ায় কারখানা থেকে ১৫৫ বাংলাদেশিসহ ২৩৪ জন আটক ক্যাশলেস লেনদেন বাড়লে দুর্নীতি কমবে, ব্যবসার খরচও কমবে: অর্থমন্ত্রী ইতালিতে অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলাকারী কয়েকজনের পরিচয় মিলেছে ময়লার স্তূপ থেকে দুই নবজাতকের নিথর দেহ উদ্ধার এবার কুয়েত-বাহরাইনে তেলবাহী জাহাজে হামলার হুমকি ইরানের

সংস্কার শুধু আইনেই সীমাবদ্ধ নয় এটি জীবন্ত প্রক্রিয়া, জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে: প্রধান বিচারপতি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৬৯ বার পড়া হয়েছে

এবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, ‘সংস্কার শুধু আইন বা অধ্যাদেশে সীমাবদ্ধ কোনো বিষয় নয়। এটি একটি জীবন্ত প্রক্রিয়া, যা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। সে কারণেই আমি আমার সংস্কার রোডম্যাপ নিয়ে দেশের পথে নেমেছি।’ তিনি বলেন, ‘আজ আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, এ সংস্কারের লক্ষ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে, আর বাকি পদক্ষেপ আমাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে।’

গতকাল সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি আয়োজিত ‘জুলাই গণ অভ্যুত্থান : বিচার বিভাগের সংস্কার’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে এবং সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান মিলনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রমুখ। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণজাগরণ আমাদের সামনে আয়না ধরেছিল।

সেপ্টেম্বরের রোডম্যাপ ছিল আমার উত্তর। সরকারের কাছে প্রেরিত সংস্কার প্রস্তাব, জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের সৃষ্টি, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনঃপ্রতিষ্ঠা, দুটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন, দেশব্যাপী সংস্কার রোডশো, বাণিজ্যিক আদালতের প্রস্তুতি সবই প্রমাণ করে, আমরা কথায় নয়, কাজে সংস্কার বেছে নিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘গত বছর ২১ সেপ্টেম্বর আমি বিচার বিভাগের সংস্কার রোডম্যাপ ঘোষণা করেছিলাম। সেই ঘোষণা ছিল আত্মসমালোচনার অঙ্গীকার, যা বিচারব্যবস্থা নিজেকেই ভিতর থেকে সংস্কার করবে।

এরপর থেকে আমি দৃঢ়ভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছি আমাদের স্বায়ত্তশাসনকে শক্তিশালী করতে, সেবাকে গতিশীল করতে। বিচার বিভাগের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার চেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।’ সংস্কার প্রক্রিয়ায় পাশে থাকায় আইনজীবী সমিতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘এসব কিছুই সম্ভব হতো না যদি বার আমাদের পাশে না থাকত। জেলাগুলোতে বার অ্যাসোসিয়েশন আমাদের সঙ্গে একত্রে হেঁটেছে, তারা প্রমাণ করেছে সংস্কার শুধু বিচারকদের কাজ নয়। আর ঢাকায়, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ছিল আমাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলের পণ্যে নিষেধাজ্ঞায় একজোট যুক্তরাজ্য-ফ্রান্সসহ ১২ দেশ

সংস্কার শুধু আইনেই সীমাবদ্ধ নয় এটি জীবন্ত প্রক্রিয়া, জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে: প্রধান বিচারপতি

আপডেট সময় ১১:৪৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, ‘সংস্কার শুধু আইন বা অধ্যাদেশে সীমাবদ্ধ কোনো বিষয় নয়। এটি একটি জীবন্ত প্রক্রিয়া, যা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। সে কারণেই আমি আমার সংস্কার রোডম্যাপ নিয়ে দেশের পথে নেমেছি।’ তিনি বলেন, ‘আজ আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, এ সংস্কারের লক্ষ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে, আর বাকি পদক্ষেপ আমাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে।’

গতকাল সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি আয়োজিত ‘জুলাই গণ অভ্যুত্থান : বিচার বিভাগের সংস্কার’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে এবং সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান মিলনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রমুখ। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণজাগরণ আমাদের সামনে আয়না ধরেছিল।

সেপ্টেম্বরের রোডম্যাপ ছিল আমার উত্তর। সরকারের কাছে প্রেরিত সংস্কার প্রস্তাব, জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিলের সৃষ্টি, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনঃপ্রতিষ্ঠা, দুটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন, দেশব্যাপী সংস্কার রোডশো, বাণিজ্যিক আদালতের প্রস্তুতি সবই প্রমাণ করে, আমরা কথায় নয়, কাজে সংস্কার বেছে নিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘গত বছর ২১ সেপ্টেম্বর আমি বিচার বিভাগের সংস্কার রোডম্যাপ ঘোষণা করেছিলাম। সেই ঘোষণা ছিল আত্মসমালোচনার অঙ্গীকার, যা বিচারব্যবস্থা নিজেকেই ভিতর থেকে সংস্কার করবে।

এরপর থেকে আমি দৃঢ়ভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছি আমাদের স্বায়ত্তশাসনকে শক্তিশালী করতে, সেবাকে গতিশীল করতে। বিচার বিভাগের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার চেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।’ সংস্কার প্রক্রিয়ায় পাশে থাকায় আইনজীবী সমিতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘এসব কিছুই সম্ভব হতো না যদি বার আমাদের পাশে না থাকত। জেলাগুলোতে বার অ্যাসোসিয়েশন আমাদের সঙ্গে একত্রে হেঁটেছে, তারা প্রমাণ করেছে সংস্কার শুধু বিচারকদের কাজ নয়। আর ঢাকায়, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ছিল আমাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।