ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশকে একা এই সংকটের বোঝা বহন করতে দেওয়া যায় না: ইইউ প্রতিনিধি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৮৪ বার পড়া হয়েছে

ইউরোপীয় পার্লামেন্টের মানবাধিকারবিষয়ক উপ-কমিটির একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরে এসে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেছে। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন কমিটির চেয়ারম্যান মৌনির সাতৌরি। তিনি গত আট বছর ধরে এক মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের ‘অসাধারণ প্রচেষ্টার’ প্রশংসা করেন এবং বৈশ্বিকভাবে দায়িত্ব ভাগাভাগির আহ্বান জানান।

সাতৌরি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তার আর্থিক সহায়তার মাত্রা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে বাংলাদেশকে একা এই বোঝা বহন করতে দেওয়া যায় না। তিনি আন্তর্জাতিক সহায়তা ও মিয়ানমারে রাজনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন সংকট সমাধানে বৈশ্বিক ঐকমত্য গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সফরকালে প্রতিনিধিদলটি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করে। এর আগে তারা নাগরিক সমাজ, ট্রেড ইউনিয়ন, নিয়োগকর্তা, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে, যারা মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর জাতিগত নিধন ও সহিংসতার মুখে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও আইনি পদক্ষেপ সত্ত্বেও তাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এখনো অচলাবস্থায় রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশকে একা এই সংকটের বোঝা বহন করতে দেওয়া যায় না: ইইউ প্রতিনিধি

আপডেট সময় ১১:৫১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইউরোপীয় পার্লামেন্টের মানবাধিকারবিষয়ক উপ-কমিটির একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরে এসে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেছে। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন কমিটির চেয়ারম্যান মৌনির সাতৌরি। তিনি গত আট বছর ধরে এক মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের ‘অসাধারণ প্রচেষ্টার’ প্রশংসা করেন এবং বৈশ্বিকভাবে দায়িত্ব ভাগাভাগির আহ্বান জানান।

সাতৌরি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তার আর্থিক সহায়তার মাত্রা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে বাংলাদেশকে একা এই বোঝা বহন করতে দেওয়া যায় না। তিনি আন্তর্জাতিক সহায়তা ও মিয়ানমারে রাজনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন সংকট সমাধানে বৈশ্বিক ঐকমত্য গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সফরকালে প্রতিনিধিদলটি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করে। এর আগে তারা নাগরিক সমাজ, ট্রেড ইউনিয়ন, নিয়োগকর্তা, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে, যারা মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর জাতিগত নিধন ও সহিংসতার মুখে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও আইনি পদক্ষেপ সত্ত্বেও তাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এখনো অচলাবস্থায় রয়েছে।