ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হামে তিন শতাধিক শিশুর মৃত্যু: ইউনূস-নূরজাহানের বিচারের দাবিতে ঢাবি ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ ১৩ দিন টানা ৬ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় রাতে প্রবাসীর স্ত্রীর আলমারি থেকে স্কুল দপ্তরি আটক রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ জনগণের বিশ্বাস: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ নিয়ে সমঝোতার সম্ভাবনার মাঝেই ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য কলকাতায় শুভেন্দুর সহকারীকে গুলি করে হত্যা ‘ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক’, মমতার হুঙ্কার ‘কামব্যাক কমরেড’, মির্জা আব্বাসের উদ্দেশে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শুনেছি খালেদা জিয়ার দৃঢ়তার সঙ্গে আমার মিল আছে: মেঘনা আলম পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় চারজন নিহত

ইসি আচরণবিধি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন জামায়াতের শিশির মনির

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে

এবার জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সংলাপে প্রণীত আচরণবিধির কিছু দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামের প্রতিনিধি শিশির মনির। তিনি বিশেষ করে পোস্টার ব্যবহারের নীতি, শাস্তি আরোপের এখতিয়ার এবং নির্বাচনী অভিযোগ নিষ্পত্তির সময়সীমা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) সংলাপে শিশির মনির বলেন, আচরণবিধির ৭-এর ‘ক’ উপধারায় বলা হয়েছে ‘কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না’, কিন্তু ‘ঘ’ উপধারায় পোস্টারসহ অন্যান্য প্রচারসামগ্রীর ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এতে ইসির দ্বৈত নীতি স্পষ্ট হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘আগে বলছেন পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না, আবার পোস্টার সরাতে পারবে না- এই দ্বন্দ্ব কেন?’

শাস্তি আরোপের ক্ষেত্রে আচরণবিধিতে নির্দেশনা না থাকায়ও তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করে শিশির মনির বলেন, ‘এই বিধানে স্পষ্ট উল্লেখ থাকা উচিত ছিল, কে শাস্তি আরোপ করবে।’ তিনি এমন অসঙ্গতিও তুলে ধরেন যে, কোনো প্রার্থীর অপরাধের জন্য তার রাজনৈতিক দলকে শাস্তির আওতায় আনার বিধান নেই।

নির্বাচন-পূর্ব অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সময়সীমা নির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এ নিয়ে শিশির মনির বলেন, ‘কমপ্লেইন দিলে অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে, যাতে প্রার্থীর পক্ষে আদালতে যেতে বাধ্য হওয়া না পড়ে।’ তিনি প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ বাধ্যতামূলক করার দাবিও জানান। বর্তমান বিধান অনুযায়ী, রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসার প্রার্থীদের উপস্থিতিতে আচরণবিধি পাঠ করতে হবে’- এটি ঐচ্ছিক। শিশির মনির বলেন, ‘এটি সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়া উচিত, যাতে নতুন প্রজন্মের কাছে গঠনমূলক নির্বাচনী সংস্কৃতি তৈরি হয়।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হামে তিন শতাধিক শিশুর মৃত্যু: ইউনূস-নূরজাহানের বিচারের দাবিতে ঢাবি ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ

ইসি আচরণবিধি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন জামায়াতের শিশির মনির

আপডেট সময় ০১:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

এবার জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সংলাপে প্রণীত আচরণবিধির কিছু দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামের প্রতিনিধি শিশির মনির। তিনি বিশেষ করে পোস্টার ব্যবহারের নীতি, শাস্তি আরোপের এখতিয়ার এবং নির্বাচনী অভিযোগ নিষ্পত্তির সময়সীমা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) সংলাপে শিশির মনির বলেন, আচরণবিধির ৭-এর ‘ক’ উপধারায় বলা হয়েছে ‘কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না’, কিন্তু ‘ঘ’ উপধারায় পোস্টারসহ অন্যান্য প্রচারসামগ্রীর ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এতে ইসির দ্বৈত নীতি স্পষ্ট হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘আগে বলছেন পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না, আবার পোস্টার সরাতে পারবে না- এই দ্বন্দ্ব কেন?’

শাস্তি আরোপের ক্ষেত্রে আচরণবিধিতে নির্দেশনা না থাকায়ও তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করে শিশির মনির বলেন, ‘এই বিধানে স্পষ্ট উল্লেখ থাকা উচিত ছিল, কে শাস্তি আরোপ করবে।’ তিনি এমন অসঙ্গতিও তুলে ধরেন যে, কোনো প্রার্থীর অপরাধের জন্য তার রাজনৈতিক দলকে শাস্তির আওতায় আনার বিধান নেই।

নির্বাচন-পূর্ব অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সময়সীমা নির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এ নিয়ে শিশির মনির বলেন, ‘কমপ্লেইন দিলে অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে, যাতে প্রার্থীর পক্ষে আদালতে যেতে বাধ্য হওয়া না পড়ে।’ তিনি প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ বাধ্যতামূলক করার দাবিও জানান। বর্তমান বিধান অনুযায়ী, রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসার প্রার্থীদের উপস্থিতিতে আচরণবিধি পাঠ করতে হবে’- এটি ঐচ্ছিক। শিশির মনির বলেন, ‘এটি সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়া উচিত, যাতে নতুন প্রজন্মের কাছে গঠনমূলক নির্বাচনী সংস্কৃতি তৈরি হয়।’