ঢাকা , বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিবি অফিসে যাওয়া ব্যক্তির বট আইডিগুলো আগে বন্ধ করা দরকার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২১৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম আবিদ বলেছেন, “যে কেউ ডিবি অফিসে গেলে তার ফোনের বট-আইডিগুলো যদি ডিবি সদয় দৃষ্টিতে বন্ধ করে দিত, তাহলে বাংলাদেশের অর্ধেক হ্যারাসমেন্ট সেখানেই থেমে যেত।”

সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

পোস্টের নিচে দেওয়া আরেক মন্তব্যে আবিদ আরও লিখেন, “দেশে সাইবার আইন সচল থাকলে ডিবিতে যাওয়া সবার ফোন সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা করলেই অপপ্রচার ও ঘৃণা ছড়ানোর দায়ে সেখানেই গ্রেপ্তার হতো।”

এর আগে একই দিনে ডাকসুর সহসভাপতি সাদিক কায়েম অনলাইনে অপপ্রচারের অভিযোগ নিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ কার্যালয়ে হাজির হন।

সাদিক কায়েম তার অভিযোগে ১১টি ফেসবুক পেজ ও আইডির নাম দেন। এগুলো হলো—
ডাকসু কন্ঠস্বর, BongoGraph, আমার ডাকসু, The Nationalist Data, কাঁঠেরকেল্লা, রৌমারি, DU Insiders, ইয়ার্কি, এবং এনামুল হক শান্ত, আশিকুর রহমান ও সাইফ আল মাহমুদ নামে তিনটি ব্যক্তিগত আইডি।

অভিযোগ করার পর সাদিক সাংবাদিকদের বলেন, “এখানে যতগুলো পেজের কথা বলেছি—প্রতিটিই কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমরা লিংকগুলো ডিবিকে দিয়েছি। সাইবার এক্সপার্টরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তারা বিআরটিসিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জানিয়েছে।”


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিবি অফিসে যাওয়া ব্যক্তির বট আইডিগুলো আগে বন্ধ করা দরকার

আপডেট সময় ১১:৪২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম আবিদ বলেছেন, “যে কেউ ডিবি অফিসে গেলে তার ফোনের বট-আইডিগুলো যদি ডিবি সদয় দৃষ্টিতে বন্ধ করে দিত, তাহলে বাংলাদেশের অর্ধেক হ্যারাসমেন্ট সেখানেই থেমে যেত।”

সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

পোস্টের নিচে দেওয়া আরেক মন্তব্যে আবিদ আরও লিখেন, “দেশে সাইবার আইন সচল থাকলে ডিবিতে যাওয়া সবার ফোন সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা করলেই অপপ্রচার ও ঘৃণা ছড়ানোর দায়ে সেখানেই গ্রেপ্তার হতো।”

এর আগে একই দিনে ডাকসুর সহসভাপতি সাদিক কায়েম অনলাইনে অপপ্রচারের অভিযোগ নিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ কার্যালয়ে হাজির হন।

সাদিক কায়েম তার অভিযোগে ১১টি ফেসবুক পেজ ও আইডির নাম দেন। এগুলো হলো—
ডাকসু কন্ঠস্বর, BongoGraph, আমার ডাকসু, The Nationalist Data, কাঁঠেরকেল্লা, রৌমারি, DU Insiders, ইয়ার্কি, এবং এনামুল হক শান্ত, আশিকুর রহমান ও সাইফ আল মাহমুদ নামে তিনটি ব্যক্তিগত আইডি।

অভিযোগ করার পর সাদিক সাংবাদিকদের বলেন, “এখানে যতগুলো পেজের কথা বলেছি—প্রতিটিই কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমরা লিংকগুলো ডিবিকে দিয়েছি। সাইবার এক্সপার্টরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তারা বিআরটিসিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জানিয়েছে।”